Breaking

Translate

Friday, 21 June 2019

ইবতেদায়ী মাদ্রাসার নতুন খবর 2019 | এমপিওভুক্ত হচ্ছে স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা

ইবতেদায়ী মাদ্রাসার নতুন খবর


ইবতেদায়ী মাদ্রাসার নতুন খবর 2019 হলো গত ১২ই জুন ইবতেদায়ী মাদ্রাসা এমপিওভুক্ত করার প্রস্তাবের সারসংক্ষেপ অনুমোদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। উল্লেখ্য গত ৮ই মে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠায়েছিলো।

তবে সব প্রতিষ্ঠান একসঙ্গে এমপিওভুক্ত করা সম্ভব না হওয়ায় ইবতেদায়ী মাদ্রাসার নতুন খবর ২০১৯ হলো প্রথম দফায় ৪৩১২টি মাদ্রাসাকে এমপিওভুক্তির জন্য তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে এসব প্রতিষ্ঠানের ৫ জন করে মোট ২১ হাজার ৫৬০ জন শিক্ষক এমপিওভুক্ত হবেন। আরো পড়ুন এনটিআরসিএ এর নতুন খবর ২০১৯

ইবতেদায়ী মাদ্রাসার নতুন খবর ২০১৯ (সমকাল)




শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ জানিয়েছে গত অর্থ বছরের চেয়ে ২০১৯-২০২০ সালের প্রস্তাবিত বাজেটে এ বিভাগের বরাদ্দ বেশি পাওয়ায় দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত ইবতেদায়ি মাদ্রাসাগুলোর শিক্ষকদের সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আরও পড়ুন NTRCA update news সর্বশেষ কি

এরই মধ্যে ইবতেদায়ী মাদ্রাসার এমপিওভুক্তির জন্য অর্থ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ। তবে সকল প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করার জন্য বছরে ৩১০ কোটি ৯৭ লাখ ৭১ হাজার ২৮০ টাকা প্রয়োজন হবে বলে জানা গেছে।

স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসার খবর 2019 হলো স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসার জন্য আলাদা পরিচালনা নীতিমালা-২০১৮ প্রণয়ন করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয় যদিও এখনো এমপিও নীতিমালায় স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।
ইবতেদায়ী মাদরাসার নতুন খবর হলো কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ সূত্র সমকাল পত্রিকাকে জানায়, প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন পাওয়ায় এখন ইবতেদায়ী মাদ্রাসাকেও এমপিও নীতিমালায় অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। সেইসাথে সাধারণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে নিবন্ধিত ইবতেদায়ী প্রতিষ্ঠানগুলোও এখন এমপিওভুক্ত করা হবে।

ইবতেদায়ী শিক্ষা কি?




মাদ্রাসা শিক্ষার প্রাথমিক স্তরকে বলা হয় ইবতেদায়ী। যে সকল মাদ্রাসার সঙ্গে মাধ্যমিক বা দাখিল শাখা যুক্ত নেই সেসব মাদ্রাসাকে স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা বলে।

প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনস্ত স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসাগুলোতে ১ম থেকে ৫ম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা লেখাপড়া করে। অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মতো শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো পরিচালিত হয়।

সারাদেশে মোট ৮ হাজার ৫০০টি স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা রয়েছে। বর্তমানে ৩৪ হাজার শিক্ষক চাকরি করছেন প্রতিষ্ঠানগুলোতে। ইবতেদায়ী মাদ্রাসাগুলোয় শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ১২ লাখ।

স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মদ্রাসার খবর 2019 (একুশে টিভি অনলাইন)




ইবতেদায়ী মাদ্রাসার শিক্ষকরা ৩৪ বছর ধরে কোনো বেতন পাননা। সরকার থেকে তিন মাস পরপর যৎসামান্য ভাতা পান তারা। তাও আবার সারাদেশের প্রায় ১০ হাজার মাদ্রাসার মধ্যে সকল মাদ্রাসার সকল শিক্ষকই এই ভাতা পাননা। মাত্র ১ হাজার ৫১৯টি ইবতেদায়ী মাদ্রাসার ৪ জন করে শিক্ষক সরকার থেকে ২৩০০ টাকা করে ভাতা পান। আর প্রধান শিক্ষক বা মাদ্রাসা সুপারদের ভাতা ২৫০০ টাকা।

তবে ইবতেদায়ী মাদ্রাসার আজকের খবর ২০১৯ হলো সরকারের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সরকারি অনুদানের পরিবর্তে এমপিও চালু করার উদ্যোগ নিয়েছে।
স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসার আজকের খবর অনুযায়ী সদ্য এমপিওভুক্তির অনুমোদন পাওয়া ৪ হাজার ৩১২টি ইবতেদায়ি মাদ্রাসার প্রতিটির ৫ জন করে মোট ২১ হাজার ৫৬০ জন শিক্ষক সরকারের জাতীয় বেতন স্কেলের বিভিন্ন গ্রেডে বেতন পাবেন।

মাদ্রাসার প্রধানরা (মাদ্রাসা সুপার) ১১ নম্বর গ্রেডে ১২ হাজার ৫০০ টাকা স্কেলে বেতন পাবেন।
এ ছাড়াও তাঁরা দেড় হাজার টাকা বাড়ি ভাড়া ও চিকিৎসা ভাতা এবং ২৫শ` টাকা বৈশাখী ও ৬ হাজার ২৫০ টাকা উৎসবভাতা পাবেন।

আর সহকারী মৌলভীরা বেতন পাবেন ১৬ নম্বর গ্রেডে ৯ হাজার ৩০০ টাকা করে। এ ছাড়া মাসিক বেতনের সঙ্গে দেড় হাজার টাকা করে বাড়ি ভাড়া ও চিকিৎসা ভাতা এবং ১ হাজার ৮৬০ টাকা করে বৈশাখী ও ৪ হাজার ৬৫০ টাকা উৎসবভাতা পাবেন।

স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা জাতীয়করণ আন্দোলন




স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসার শিক্ষকদের বেতন ভাতা বাড়ানোর জন্য দীর্ঘদিন ধরেই আন্দোলন করে যাচ্ছেন শিক্ষক সংগঠনের নেতা কর্মীরা। তাঁরা স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা জাতীয়করণ দাবি করে আসছেন।

বাংলাদেশ স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসা শিক্ষক সমিতি`র নেতারা সমকাল পত্রিকাকে বলেন স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসা ও প্রাইমারি শিক্ষকদের জন্য ১৯৯৪ সালের এক পরিপত্রে ৫০০ টাকা বেতন নির্ধারণ করা হয়েছিল।

পরবর্তীতে নিবন্ধিত ২৬ হাজার ১৯৩টি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ করা হয়। কিন্তু ১৮ হাজার ৫১৯টি মাদ্রাসার শিক্ষকরা এখনো মানবেতর জীবনযাপন করে আসছেন। এরই মধ্যে সাড়ে আট হাজার মাদ্রাসা বন্ধ হয়ে গেছে বলেও উল্লেখ করেছেন তাঁরা।

সংগঠনটির সভাপতি আলহাজ কাজী রুহুল আমিন চৌধুরী সমকালকে বলেন ২০১৩ সালে মহাজোট সরকার ১ হাজার ৫১৯টি মাদরাসার জন্য প্রত্যেক শিক্ষককে এক হাজার টাকা সম্মানী ও ২০০ টাকা করে মহার্ঘ্যভাতা ঘোষণা করে। গত বছর সহকারী মৌলভীদের জন্য তা ২৩০০ টাকা ও প্রধান শিক্ষকদের জন্য ২৫০০ টাকায় উন্নীত করা হয়।

এসব শিক্ষক সামান্য এই অর্থ পেলেও আরও প্রায় সাড়ে আট হাজার নিবন্ধিত মাদ্রাসার শিক্ষকরা বিনা বেতনে শ্রম দিচ্ছেন। বর্তমানে স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসার শিক্ষকরা খেয়ে-না খেয়ে দিন কাটাচ্ছেন বলেও দুঃখ প্রকাশ করেন তিনি।

No comments:

Post a Comment