Breaking

Translate

Friday, 4 October 2019

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ সার্কুলার ২০১৯ আসছে নভেম্বরে

প্রাথমিক_শিক্ষক_নিয়োগ_সার্কুলার

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ সার্কুলার ২০১৯, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ যোগ্যতা, প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতন, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা 2019 ইত্যাদি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে সমকাল ব্লগে।

সুতরাং প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০১৯, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০১৯ বা প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ ২০১৯ সম্পর্কে সর্বশেষ খবরাখবর জানতে পড়ুন সমকাল ব্লগ।


    প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ সার্কুলার ২০১৯




    প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০১৯ প্রকাশিত হবে নভেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে। বিগত নিয়োগে আবেদন করার সময় ছিলো ১লা আগস্ট থেকে ৩০শে আগস্ট ২০১৮ পর্যন্ত। প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার জন্য রেকর্ড সংখ্যক ২৪ লাখ ১ হাজার ৫৯৭ জন প্রার্থী আবেদন করে।অথচ প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০১৮ অনুযায়ী শিক্ষক নিয়োগ করা হবে সে তুলনায় মাত্র ১২০০০! এ থেকেই বোঝা যাচ্ছে কিরকম প্রতিযোগিতামূলক হয়েছে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ ২০১৯।

    তবে প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ ২০১৯ এর ব্যাপারে পাওয়া সর্বশেষ তথ্যানুসারে শিক্ষক নিয়োগ করা হবে ২৬ হাজার ৩ শত ৬৬ জন। ফলে প্রতিটি বিদ্যালয়ে একজন করে প্রাক প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ করা হবে।

    এদিকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মোঃ জাকির হোসেনের দেয়া এক বক্তব্যে জানা গিয়েছিলো এবছর অর্থাৎ ২০১৯ সালে নিয়োগ দেয়া হবে ২০ হাজার প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক।প্রাক প্রাথমিক শ্রেণীতে ভর্তির বয়স ৫ বছর থেকে কমিয়ে ৪ বছর করা হবে এবং প্রাক প্রাথমিক শ্রেণীর মেয়াদ হবে ২ বছর। এজন্যই নিয়োগ দেয়া হবে আরো বিশ হাজার প্রাক প্রাথমিক শিক্ষক।প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ সার্কুলার ২০১৯ প্রকাশিত হওয়ার সাথে সাথেই যত দ্রুত সম্ভব তা জানিয়ে দেয়া হবে সমকাল ব্লগের পাঠকদের।

    প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব গিয়াসউদ্দিন আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছিলেন বলে জানা গেছে। এ সংক্রান্ত প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরকে (ডিপিই) ইতোমধ্যেই নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

    প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রত্যাশীদের জন্য সুখবর হলো প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব সম্প্রতি জানিয়েছেন আগামী ৫ বছরে আরো ১ লক্ষ শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে। আগামী ২০২০ সাল থেকেই দুই বছর মেয়াদী প্রাক প্রাথমিক শিক্ষা চালু করার প্রত্যাশা ব্যাক্ত করেছেন তিনি। সচিব মহোদয় আরো জানিয়েছেন বর্তমানে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীর অনুপাত ১:৩৬।আরো এক লাখ শিক্ষক নিয়োগ করা হলে এ অনুপাত ১:৩০ এ নামিয়ে আনা যাবে। উল্লেখ্য গত দশ বছরে ১ লক্ষ ৮০ হাজার প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে।

    প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯




    প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার তারিখ ২০১৯ নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা কবে হবে তা স্পষ্ট করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। তারিখ প্রকাশিত হওয়ার সাথে সাথেই তা সমকাল ব্লগে প্রকাশিত হয়েছে।

    প্রথমে ২০১৮ সালের অক্টোবর মাসেই পরীক্ষা সম্পন্ন করার কথা থাকলেও অনিবার্য কারণবশত তা পেছানো হয়। অতিরিক্ত সংখ্যক প্রার্থী আবেদন করার কারণে পরীক্ষার আয়োজন নিয়ে হিমশিম খাচ্ছে কতৃপক্ষ।

    এরপর ডিসেম্বরে পরীক্ষার সম্ভাবনার কথা থাকলেও সেটিও সম্ভব হয়নি। বলা হয়েছিলো জানুয়ারিতে হতে পারে প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯।

    পরবর্তীতে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯ এর তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছিলো ১লা ফেব্রুয়ারিতে।

    এরপর  প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নিয়োগ সংক্রান্ত কমিটির সভায় সিদ্ধান্ত হয় যে প্রাথমিক সহকারি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ১৫ই মার্চ ২০১৯। ফেব্রুয়ারিতে এসএসসি পরীক্ষা থাকায় পুনরায় পিছানো হয় পরীক্ষার সময়। বলা হয়েছিল ফেব্রুয়ারীর প্রথম সপ্তাহেই সিদ্ধান্ত হবে কোন জেলায় কবে পরীক্ষা নেয়া হবে।

    এদিকে দুঃখজনকভাবে আবারও পিছানো হয় প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা। ১৫ই মার্চ প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা নেয়ার সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করলেও পরীক্ষা নিতে পারেনি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রনালয়। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর dpe জানায় ১৩ই মার্চ প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ উদ্বোধন করা হবে। এজন্য সকল প্রস্তুতি থাকা সত্ত্বেও প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা নেয়া সম্ভব হচ্ছেনা ১৫ই মার্চ। তবে কখন পরীক্ষা নেয়া হবে তাও সুনির্দিষ্টভাবে বলতে পারেনি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। ধারণা করা হচ্ছিল মার্চের শেষে অথবা এপ্রিলের শুরুতে হতে পারে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯।

    ঘোষণা করা হয়েছিলো প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা 2019 অনুষ্ঠিত হবে ১৫ই এপ্রিল ২০১৯।

    কিন্তু এপ্রিলেও হয়নি প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের খবরে জানা গিয়েছিলো মে মাসের মাঝামাঝি শুরু হবে পরীক্ষা। শোনা গিয়েছিল মে মাসের ১০ তারিখে অনুষ্ঠিত হবে ১ম ধাপের পরীক্ষা। কিন্ত তাও সম্ভব হয়নি। বলা হয় পরীক্ষা হবে ১৭ই মে। ওএমআর শীট শতভাগ নির্ভুল করার জন্যই এক সপ্তাহ পেছায় পরীক্ষা। তবে কতৃপক্ষ জানায় ৫ ধাপে পরীক্ষা হওয়ার কথা থাকলেও তা ৪ ধাপে নেয়া হবে। এজন্য এক সপ্তাহ পেছালেও সময় মতই শেষ হবে প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা।

    ১৭ মে হয়নি পরীক্ষা। ঐ দিন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ডিগ্রি পরীক্ষা থাকায় আবারো পেছায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা। ঐ দিনের পরীক্ষাটি ২১শে জুন নেয়া হবে বলে জানা যায় এবং পরীক্ষা মোট চার ধাপেই সমাপ্ত করা হবে বলে জানায় সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ।

    ২০ হাজারের মধ্যে আবেদন জমা পড়েছে এরকম ৭টি জেলায় প্রথমে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে বলে প্রাথমিকভাবে জানানো হয়। তবে প্রথমে কোন কোন জেলায় পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে তা তখনো জানা যায়নি।

    সাধারণত পরীক্ষার প্রশ্ন প্রণয়ন এবং পরীক্ষা পরিচালনার দায়িত্ব থাকে ডিপিই এর উপর। এবার প্রশ্ন ফাঁস রোধ করার জন্য পরীক্ষা সংক্রান্ত সকল বিষয় পরিচালনা করা হয় সরাসরি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে। এদিকে প্রশ্নপত্র প্রণয়ন, ওএমআর শীট ডিজাইন এবং মূল্যায়ন, পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ সংক্রান্ত টেকনিক্যাল বিষয়গুলো নিয়ে বুয়েটের সাথে মিটিং করেছে মন্ত্রণালয়। বলা হয় ২০টির অধিক প্রশ্ন সেটে পরীক্ষা নেয়া হতে পারে। এছাড়া অধিক সংখ্যক পরীক্ষার্থী আবেদন করায় পূর্বের চেয়ে কেন্দ্রের সংখ্যাও বাড়ানো হয়।

    প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯ এর শিডিউল




    দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা চার ধাপে শুরু হয় ২৪ মে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানায়।

    ২৪ ও ৩১ মে এবং ১৪ ও ২১ জুন সকাল ১০টায় পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিলো। তবে সামান্য পরিবর্তন করা হয় পরীক্ষার শিডিউলে। ১৪ই জুনের পরীক্ষা হয় ২১শে জুন এবং ২১শে জুনের পরীক্ষা হয় ২৮শে জুন।

    এছাড়া তিনটি উপজেলার প্রাথমিক সহকারি শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষা পেছানো হয়। ২য় ধাপে ৩১ মে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী, টুংগীপাড়া ও মুকসুদপুর উপজেলার পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবার কথা থাকলেও তা পেছানো হয়। এর পরিবর্তে ২৮ জুন চতুর্থ ধাপের পরীক্ষার সাথে এ তিন উপজেলার প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা জানায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা অধিদপ্তর।

    দেশের বিভিন্ন জেলায় যে তারিখে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় তার সিডিউল দেয়া হলো-

    ২৪ মে অনুষ্ঠিত হয় যেসব জেলায় পরীক্ষা

    ভোলা, পবনা, জয়পুরহাট ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও মানিকগঞ্জ জেলার সব উপজেলায় একযোগে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া গোপালগঞ্জের কোটালিপাড়া ও সদর উপজেলা; শরীয়তপুরের গোসাইরহাট, নড়িয়া ও ভেদরগঞ্জ উপজেলা; মাদারীপুরের সদর ও রাজৈর উপজেলা; ফরিদপুরের চরভদ্রাসন, আলফাডাঙ্গা, সদরপুর, সালথা ও সদর উপজেলা; নরংসিংদীর মনোহরদী, রায়পুরা ও বেলাবো উপজেলা; কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর, অষ্টগ্রাম, করিমগঞ্জ, কাটিয়াদি, পাকুন্দিয়া ও তারাইল উপজেলা; জামালপুরের মেলান্দহ, বকশিগঞ্জ ও সদর উপজেলা; টাঙ্গাইলের মির্জাপুর, কালিহাতী, মধুপুর, নাগরপুর, ভুয়াপুর ও ধনবাড়ী উপজেলা; লক্ষ্মীপুরের কমলনগর ও সদর উপজেলা।
    কক্সবাজারের উখিয়া, কুতুবদিয়া, পেকুয়া, টেকনাফ ও সদর উপজেলা; চাঁদপুরের শাহরাস্তি, ফরিদগঞ্জ, মতলব উত্তর, মতলব দক্ষিণ উপজেলা; হবিগঞ্জের বাহুবল, নবীগঞ্জ, লাখাই ও সদর উপজেলা; সুনামগঞ্জের দেলদুয়ারবাজার, বিশ্বম্বরপুর, ছাত্ক, সাল্লা ও সদর উপজেলা; সিলেটের কানাইঘাট, বালাগঞ্জ, বিশ্বনাথ, ফেন্সুগঞ্জ, জৈন্তাপুর ও সদর উপজেলা; পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া, নেছারাবাদ ও সদর উপজেলা; পটুয়াখালীর দুমকী, গলাচিপা ও সদর উপজেলা; সাতক্ষীরার আশাশুনি, শ্যামনগর ও সদর উপজেলা; নীলফামারীর ডোমার, সৈয়দপুর ও সদর উপজেলা; নাটোরের গুরুদাসপুর, সিংড়া ও সদর উপজেলা এবং মৌলভীবাজারের রাজনগর, কমলগঞ্জ, শ্রীমঙ্গল ও জুড়ি উপজেলায় প্রথম ধাপের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

    ৩১ মে অনুষ্ঠিত হয় যেসব জেলায় পরীক্ষা

    মুন্সীগঞ্জ, লালমনিরহাট, ঠাকুরগাঁও, নারায়ণগঞ্জ, শেরপুর ও রাজবাড়ী জেলার সব উপজেলার পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া গোপালগঞ্জের কাশিয়ানি, টুঙ্গীপাড়া ও মকসুদপুর উপজেলা; শরীয়তপুরের জাজিরা, ডামুড্যা ও সদর উপজেলা; মাদারীপুরের কালকিনি ও শিবচর উপজেলা; ফরিদপুরের নগরকান্দা, বোয়ালমারী, ভাঙ্গা ও মধুখালী উপজেলা; নরসিংদীর পলাশ, শিবপুর ও সদর উপজেলা; জামালপুরের সরিষাবাড়ী, দেওয়ানগঞ্জ, ইসলামপুর ও মাদারগঞ্জ উপজেলা; টাঙ্গাইলের ঘাটাইল, সখিপুর, গোপালপুর, বাসাইল, দেলদুয়ার ও সদর উপজেলা; কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর, নিকলী, কুলিয়ারচর, ইটনা, ভৈরব, মিঠামইন ও সদর উপজেলা।

    লক্ষ্মীপুরের রায়পুর, রামগঞ্জ ও রামগতি উপজেলা; কক্সবাজারের চকোরিয়া, মহেশখালী ও রামু উপজেলা; চাঁদপুরের কচুয়া, হাজীগঞ্জ, হাইমচর ও সদর উপজেলা; হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং, আজমিরিগঞ্জ, মাধবপুর, চুনারুঘাট উপজেলা; সুনামগঞ্জের তাহিরপুর, জামালগঞ্জ, ধর্মপাশা, দিরাই, জগন্নাথপুর ও দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলা; সিলেটের গোয়াইনঘাট, গোলাপগঞ্জ, কোম্পানীগঞ্জ, জকিগঞ্জ, বিয়ানীবাজার, দক্ষিণ সুরামা উপজেলা; পিরোজপুর জেলার কাউখালী, নাজিরপুর, মঠবাড়িয়া ও ইন্দুরকানি উপজেলা; পটুয়াখালীর দশমিনা, বাউফল, মির্জাগঞ্জ, কলাপড়া ও রাঙ্গাবালী উপজেলা; সাতক্ষীরার দেবহাটা, কলারোয়া, কালিগঞ্জ ও তালা উপজেলা; নাটোরের নলডাঙ্গা, লালপুর, বড়াইগ্রাম ও বাগাতিপাড়া উপজেলা; নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ, জলঢাকা, ডিমলা উপজেলা এবং মৌলভীবাজারের বড়লেখা, কুলাউড়া ও সদর উপজেলায় এ ধাপে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

    ২১শে জুন অনুষ্ঠিত হয় যেসব জেলায় পরীক্ষা

    ফেনী, ঝালকাঠি, বরগুনা, মাগুরা, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর ও পঞ্চগড় জেলার সব উপজেলায় একযোগে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া নেত্রকোনার দুর্গাপুর, পূর্বধলা, বারহাট্টা, খালিয়াজুড়ি, মদন ও মোহনগঞ্জ উপজেলা; ময়মনসিংহের গফরগাঁও, ঈশ্বরগঞ্জ, ফুলবাড়িয়া, গৌরীপুর, ফুলপুর, ধোবাউড়া ও তারাকান্দা উপজেলা; ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর, বাঞ্ছারামপুর, আখাউড়া ও সদর উপজেলা; কুমিল্লার লাকসাম, দেবীদ্বার, মুরাদনগর, দাউদকান্দি, চৌদ্দগ্রাম, হোমনা ও সদর উপজেলা; চট্টগ্রামের ডবলমুরিং, পাহাড়তলী, বন্দর, পাঁচশাইল, চান্দগাঁও, কোতোয়ালি, বাঁশখালী, রাউজান, সন্দ্বীপ, ফটিকছড়ি, আনোয়ারা, লোহাগড়া উপজেলা; নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ।

    কবিরহাট, সুবর্ণচর ও সদর উপজেলা; বরিশালের আগৈলঝাড়া, বাকেরগঞ্জ, গৌরনদী ও সদর উপজেলা; যশোরের ঝিকরগাছা, বাঘারপাড়া, মনিরামপুর ও শার্শা উপজেলা; খুলনার কয়রা, ডুমুরিয়া ও সদর উপজেলা; বাগেরহাটের মোল্লাহাট, মোংলা, মোরেলগঞ্জ, কচুয়া, শরণখোলা উপজেলা; ঝিনাইদহের মহেশপুর, শৈলকুপা ও হরিণাকুণ্ডু উপজেলা; কুষ্টিয়ার মিরপুর, খোকসা ও সদর উপজেলা; কুড়িগ্রামের উলিপুর, চিলমারী, ফুলবাড়ী, রাজীবপুর ও সদর উপজেলা; গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ, পলাশবাড়ী ও সদর উপজেলা; রংপুরের কাউনিয়া, গঙ্গাচড়া, বদরগঞ্জ ও সদর উপজেলা; দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট, খানসামা, চিরিরবন্দর, হাকিমপুর, বীরগঞ্জ ও সদর উপজেলা; নওগাঁর বদলগাছি, মহাদেবপুর, মান্দা, রানীনগর ও সাপাহার উপজেলা; বগুড়ার আদমদীঘি, শিবগঞ্জ, শেরপুর, সোনাতলা, ধুনট ও শাহাজাহানপুর উপজেলা; রাজশাহীর গোদাগাড়ী, চারঘাট, বাগমারা ও সদর উপজেলা এবং সিরাজগঞ্জের কাজিপুর, চৌহালী, রায়গঞ্জ, বেলকুচি ও সদর উপজেলায় ১৪ জুন পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

    ২৮শে জুন অনুষ্ঠিত হয় যেসব জেলায় পরীক্ষা

    ঢাকা, গাজীপুর ও নড়াইল জেলার সব উপজেলায় পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া নেত্রকোনার আটপাড়া, কমলাকান্দা, কেন্দুয়া ও সদর উপজেলা; ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা, ত্রিশাল, ভালুকা, নান্দাইল ও সদর উপজেলা; ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা, সরাইল, নাসিরনগর, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগর উপজেলা; কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া, বরুড়া, বুড়িচং, চান্দিনা, সদর দক্ষিণ, নাঙ্গলকোট, মেঘনা, মনোহরগঞ্জ, তিতাস ও লালমাই উপজেলা; চট্টগ্রামের পটিয়া, বোয়ালখালী, চন্দনাইশ, হাটহাজারী, রাঙ্গুনিয়া, মিরেরসরাই, সীতাকুণ্ডু ও সাতকানিয়া উপজেলা; নোয়াখালীর চাটখিল, কোম্পানীগঞ্জ, হাতিয়া, সোনাইমুড়ী ও সেনবাগ উপজেলা; বরিশালের উজিরপুর, বানারীপাড়া, বাবুগঞ্জ, মুলাদী, মেহেন্দীগঞ্জ ও হিজল উপজেলা; কুষ্টিয়ার দৌলতপুর, ভোড়ামারা ও কুমারখালী উপজেলা; যশোরের অভয়নগর, কেশবপুর, চৌগাছা ও সদর উপজেলা।

    খুলনার তেরখাদা, দাকোপ, দিঘলিয়া, পাইকগাছা, ফুলতলা, বটিয়াঘাটা ও রূপসা উপজেলা; বাগেরহাটের চিতলমারী, রামপাল, ফকিরহাট ও সদর উপজেলা; ঝিনাইদহের কালিগঞ্জ, কোটচাঁদপুর ও সদর উপজেলা; কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী, ভুরুঙ্গামারী, রাজারহাট ও রৌমারী উপজেলা; গাইবান্ধার ফুলছড়ি, সাদুল্লাপুর, সাঘাটা ও সুন্দরগঞ্জ উপজেলা; রংপুরের তারাগঞ্জ, পীরগঞ্জ, পীরগাছা ও মিঠাপুকুর উপজেলা; দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ, পার্বতীপুর।
    ফুলবাড়ী, বিরল, বিরামপুর, বোচাগঞ্জ ও কাহারোল উপজেলা; নওগাঁর আত্রাই, ধামুরহাট, নিয়ামতপুর, পত্নীতলা, পোরশা ও সদর উপজেলা; বগুড়ার কাহালু, গাবতলী, দুপচাঁচিয়া, নন্দীগ্রাম, সারিয়াকান্দি ও সদর উপজেলা; রাজশাহীর তানোর, দুর্গাপুর, পুঠিয়া, পবা, বাঘা ও মোহনপুর উপজেলা এবং সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া, তাড়াশ, কামারখন্দ, শাহাজাদপুর উপজেলা।(সূত্র : যুগান্তর অনলাইন) 

    প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ ২০১৯ প্রক্রিয়া




    প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর জানিয়েছে এবার সহকারী শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বেশকিছু পরিবর্তন হতে যাচ্ছে। অধিক সংখ্যক আবেদনকারীর মধ্য থেকে শুধু এমসিকিউ প্রশ্নের মাধ্যমে যোগ্য শিক্ষক বাছাই করা সম্ভব নয়। এজন্য প্রথমে এমসিকিউ পরীক্ষার মাধ্যমে কছু প্রার্থীকে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ করা হবে। এরপর পিএসসির আদলে লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে কিছু প্রার্থীকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত করা হবে। আরো পড়ুন পুলিশ নিয়োগ ২০১৯

    প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ যোগ্যতা

    প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে আবেদনের যোগ্যতা ২০১৩ সালের নীতিমালা অনুযায়ী আগের মতো আর থাকছে না। অর্থাৎ পুরুষদের জন্য ন্যুনতম গ্র্যাজুয়েট এবং নারীদের জন্য এইচএসসি পাশ আর থাকবেনা। তবে আগের মতোই ৬০% নারী কোটা বহাল রয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০১৯ হতে পরিবর্তন ঘটছে এ নিয়মের! নারী পুরুষ উভয়ের জন্যই আবেদনের ন্যুনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা গ্র্যাজুয়েট নির্ধারণ করা হয়েছে।

    প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের প্রবেশপত্র ডাউনলোড

    পরীক্ষার সুনির্দিষ্ট তারিখ নির্ধারিত হওয়ার পরপরই প্রত্যেক আবেদনকারীর নিকট এসএমএস দিয়ে তা জানিয়ে দেয় কতৃপক্ষ। তখন নিচের ওয়েবসাইট থেকে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রবেশপত্র ডাউনলোড করা যাবে। প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের প্রবেশপত্র ছাড়া পরীক্ষা দেয়া সম্ভব নয়। সুতরাং পরীক্ষায় অংশগ্রহণের পূর্বে অবশ্যই আপনার আইডি এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে অনলাইনে ডাউনলোড করে নিন প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রবেশপত্র। পরীক্ষার ৫ দিন আগে এসএমএস পাঠানো হবে পরীক্ষার্থীদের মোবাইল ফোনে। তখন থেকেই ডাউনলোড করা যাবে পরীক্ষার প্রবেশপত্র। বিগত সার্কুলারে ১৯ শে মে থেকে প্রবেশপত্র ডাউনলোড শুরু হয়। নিচে ডাউনলোড লিংক দেয়া হলো।

    প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ফলাফল ২০১৯





    প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ ২০১৯ রেজাল্ট প্রকাশিত হওয়ার সাথে সাথেই সমকাল ব্লগে আপডেট দেয়া হবে। কাজেই পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করার পর নিয়মিত চোখ রাখুন সমকাল ব্লগে।

    প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতন

    প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতন কত জানতে চান?বর্তমান বেতন স্কেল অনুযায়ী প্রশিক্ষণবিহীন প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক ১৫তম গ্রেড অনুযায়ী ৯৭০০ টাকা স্কেলে বেতন পান এবং প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক ১৪তম গ্রেডে ১০২০০ টাকা স্কেলে বেতন পান।

    তবে শীঘ্রই প্রাথমিক শিক্ষকদের দাবি অনুযায়ী গ্রেড পরিবর্তন করে বেতন বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি পূরণ করছে সরকার। নতুন বিধিমালা অনুযায়ী সহকারী শিক্ষক পাবেন ১২তম গ্রেডে বেতন, আর প্রধান শিক্ষক পাবেন ১০ম গ্রেডে। শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা সংশোধন করে এই পরিবর্তন আনা হচ্ছে শীঘ্রই।

    প্রাথমিক বিদ্যালয়ের হিসাব রক্ষক নিয়োগ

    প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হিসাব রক্ষক পদ তৈরির নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে। এজন্য প্রতিটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একজন করে হিসাব রক্ষক নিয়োগ করা হবে। জানা গেছে চলতি অর্থ বছরেই সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে সারা দেশে ৬৫ হাজার ৯৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য হিসাব রক্ষক পদে নিয়োগ সার্কুলার প্রকাশ করা হবে।তবে এখনও এটি নীতিগত সিদ্ধান্তের পর্যায়ে আছে এজন্য আবেদনের যোগ্যতা ইত্যাদি বিস্তারিত জানা যায়নি। বিস্তারিত জানতে নিয়মিত চোখ রাখুন সমকাল ব্লগে।







    3 comments:

    1. https://www.dailymotamot.com/bd-jobs-today/

      ReplyDelete
      Replies
      1. স্প্যামিং করা থেকে বিরত থাকুন।

        Delete
    2. সমকাল ব্লগ একটি জনপ্রিয় ব্লগ। এখানে মোটামুটি সব ধরনের খবর পাওয়া যায়। বিশেষ করে নিয়োগ পরীক্ষা গুলোর আগাম খবর দেওয়ার জন্য সমকাল ব্লগ সাইটকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

      ReplyDelete