Breaking

Translate

Monday, 20 May 2019

May 20, 2019

মাস্টার্স ফাইনাল পরীক্ষার রুটিন ২০১৯ প্রকাশ করেছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

মাস্টার্স ফাইনাল পরীক্ষার রুটিন

মাস্টার্স ফাইনাল পরীক্ষার রুটিন ২০১৯ প্রকাশিত হয়েছে।প্রিয় মাস্টার্স পরীক্ষার্থীগণ আপনারা কি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মিত ২০১৬-১৭ সেশনের মাস্টার্স শেষ পর্ব পরীক্ষার রুটিন ২০১৯ খুঁজছেন?আপনারা জেনে খুশি হবেন যে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটের পাশাপাশি সমকাল ব্লগেও প্রকাশিত হয়েছে মাস্টার্স শেষ পর্ব পরীক্ষার রুটিন 2019।আরও পড়ুন মাস্টার্স ফাইনাল রেজাল্ট ২০১৯

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের এমএ, এমএসএস, এমবিএ, এমএসসি এবং এম মিউজ বিভাগের ছাত্রদের জন্য প্রকাশিত হয়েছে মাস্টার্স ফাইনাল পরীক্ষার রুটিন 2019।লেখাটি পড়ুন এবং সহজেই ডাউনলোড করে নিন আপনার মাস্টার্স পরীক্ষার রুটিন।আরও পড়ুন মাস্টার্স ১ম পর্ব পরীক্ষার রুটিন ২০১৯

মাস্টার্স ফাইনাল পরীক্ষার রুটিন ২০১৯ বিস্তারিত বিষয়াবলী




আপনারা নিশ্চয়ই জানেন যদিও রুটিনটি প্রকাশিত হয়েছে ২০১৯ সালে তথাপি পরীক্ষার সেশন অনুযায়ী এটি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার্স ফাইনাল পরীক্ষার রুটিন ২০১৭।

এই মাস্টার্স শেষ পর্ব পরীক্ষার রুটিন 2019 এমএ,এমএসএস,এমবিএ,এমএসসি এবং এম মিউজ শ্রেণীর শেষ পর্বের সকল নিয়মিত/অনিয়মিত,প্রাইভেট,গ্রেড উন্নয়ন এবং সিজিপিএ উন্নয়ন (নতুন সিলেবাস) পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রযোজ্য।রুটিন অনুযায়ী :
  • পরীক্ষা শুরু শনিবার ২২/০৬/১৯
  • পরীক্ষা শুরু হবে প্রতিদিন দুপুর ১:৩০
  • প্রাকটিক্যাল এবং ভাইভা পরীক্ষার সময়সূচি পরবর্তীতে জানানো হবে
  • ব্যবহারিক ও মৌখিক পরীক্ষার সময়সূচি পরীক্ষার্থীদের নিজ দায়িত্বে জেনে নিতে হবে

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কতৃপক্ষ কোনো কারণ দর্শানো ছাড়াই যে কোনো সময় পরীক্ষার সময়সূচি পরিবর্তন করতে পারে।কাজেই জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বশেষ নোটিশ বোর্ড ফলো করুন।
তবে পরীক্ষার সময়সূচির কোনো পরিবর্তন ঘটলে আমরাও তা এখানে শেয়ার করবো।এজন্য সর্বশেষ খবর জানতে সমকাল ব্লগের সাথেই থাকুন।

মাস্টার্স শেষ পর্ব পরীক্ষার রুটিন ২০১৯ ডাউনলোড




মাস্টার্স শেষ পর্ব পরীক্ষার রুটিন ২০১৯ ডাউনলোড করুন।যারা ছবি আকারে রুটিন ডাউনলোড করতে চান তাদের জন্য নিচে ছবি আকারে দেয়া হলো।
মাস্টার্স ফাইনাল পরীক্ষার রুটিন ২০১৯
মাস্টার্স শেষ পর্ব পরীক্ষার রুটিন ২০১৯

মাস্টার্স শেষ পর্ব পরীক্ষার রুটিন 2019 পিডিএফ ডাউনলোড





যারা মাস্টার্স শেষ পর্ব পরীক্ষার রুটিন 2019 পিডিএফ ফরম্যাটে ডাউনলোড করতে চান তারা নিচের ডাউনলোড লিংক থেকে তা করতে পারেন এবং বন্ধুদের সাথে মাস্টার্স পরীক্ষার রুটিনটি শেয়ার করতে পারেন।

মাস্টার্স শেষ পর্ব ফরম ফিলাপ

মাস্টার্স ফাইনাল পরীক্ষার রুটিন ২০১৯ প্রকাশিত হয়েছে মাস্টার্স শেষ পর্ব ফরম ফিলাপ শেষ হওয়ার পরেই।ছাত্ররা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মাবলী অনুসরণ করে অনলাইনে ফরম পূরন করেছে।ছাত্ররা  www.nubd.info/mf ওয়েবসাইটে তাদের রেজিস্ট্রেশন কার্ড ব্যবহার করে মাস্টার্স শেষ পর্ব ফরম ফিলাপ করেছে।২০১৬-১৭ সেশনের মাস্টার্স শেষ পর্বের ছাত্ররা নিয়মিত ছাত্র হিসেবে ফরম পূরন করে এবং ২০১৪-১৫,২০১৫-১৬ সেশনের ছাত্ররা অনিয়মিত ছাত্র হিসেবে অথবা গ্রেড উন্নয়ন এবং সিজিপিএ উন্নয়নের জন্য ফরম পূরন করে।
  • ফরম ফিলাপ শুরু হয় ১১/০৪/১৯ তারিখে
  • ফরম ফিলাপ শেষ হয় ১২/০৫/১৯ তারিখে
মাস্টার্স ফরম ফিলাপ
মাস্টার্স শেষ বর্ষ ফরম ফিলাপ
মাস্টার্স ফরম পূরন
মাস্টার্স শেষ পর্ব ফরম পূরন




Sunday, 19 May 2019

May 19, 2019

১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার ফলাফল (প্রিলিমিনারি) প্রকাশিত | লিখিত পরীক্ষা ২৬ ও ২৭শে জুলাই

শিক্ষক_নিবন্ধন_পরীক্ষা

১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে।লিখিত পরীক্ষা ২৬ ও ২৭শে জুলাই

শিক্ষক নিবন্ধন সার্কুলার ২০১৮ প্রকাশ করেছে NTRCA।এটি ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন সার্কুলার। অতঃপর ১৫ তম শিক্ষক নিবন্ধন প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে।শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার ফলাফলের বিস্তারিত তথ্য প্রকাশিত হলো সমকাল ব্লগে।



এদিকে ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা ২০১৯ এর প্রিলিমিনারি ও লিখিত পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করা হয়েছিলো পূর্বেই।স্কুল ও স্কুল ২ এর প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় ১৯ এপ্রিল ২০১৯ শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত।কলেজ পর্যায়ের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় একই দিনে বিকেল ৩টা থেকে ৪টা পর্যন্ত।নিচে বিজ্ঞপ্তিটি দেয়া হয়েছে।বিস্তারিত দেখুন ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিতে।

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ২০১৮ বিজ্ঞপ্তি

২৮শে নভেম্বর ২০১৮ পঞ্চদশ শিক্ষক নিবন্ধনের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কতৃপক্ষ ntrca।৫ই ডিসেম্বর বিকেল ৩.০০ থেকে ২৬শে ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৬.০০ পর্যন্ত চলে আবেদন প্রক্রিয়া।আবেদন ফী নির্ধারণ করা হয় ৩৫০ টাকা।আবেদনের নিয়ম বিস্তারিত বর্ণনা করা হয়েছে বিজ্ঞপ্তিটিতে।এনটিআরসিএ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন বিজ্ঞপ্তি ডাউনলোড করে নিন।

শিক্ষক নিবন্ধন রেজাল্ট ১৫তম

১৫তম শিক্ষক নিবন্ধনের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে।উত্তীর্ণ হয়েছে ১ লাখ ৫২ হাজার পরীক্ষার্থী।পাসের হার ২০.৫৩ শতাংশ।রোববার ১৯ মে ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধনের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়।

এনটিআরসিএ ওয়েব সাইটে (http://ntrca.teletalk.com.bd/result/ ) ফল প্রকাশ করা হয়েছে।এছাড়া উত্তীর্ণ প্রার্থীদের এসএমএস করে ফলাফল জানানো হয়েছে।

প্রিলিমিনারিতে উত্তীর্ণ ১ লাখ ৫২ হাজার প্রার্থীর মাঝে স্কুল পর্যায়ের ৫৫ হাজার ৫৯৬ জন, স্কুল পর্যায়-২ এ ৪ হাজার ১২৯ জন এবং কলেজ পর্যায়ের ৯২ হাজার ২৭৫ জন প্রার্থী রয়েছেন।এ পরীক্ষায় সর্বমোট ৮ লাখ ৭৬ হাজার ৩৩ জন প্রার্থী অংশগ্রহণ করেন।

প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের দ্বিতীয় ধাপে লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে। আগামী ২৬ ও ২৭ জুলাই শিক্ষক নিবন্ধনের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের শেষ ধাপে মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে।




শিক্ষক নিবন্ধন ২০১৯ পরীক্ষা পদ্ধতি

১২তম নিবন্ধন পরীক্ষা থেকে প্রিলিমিনারি এবং লিখিত পরীক্ষা আলাদাভাবে নেয়া হচ্ছে। বিসিএসের আদলে প্রথমে ১০০ নম্বরের প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় পাস করতে হয়। এরপর লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাওয়া যায়। আবার ১৩তম নিবন্ধন পরীক্ষা থেকে প্রিলিমিনারি, লিখিত পরীক্ষার পর আবার ভাইবা বা মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী প্রিলিমিনারি, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পরই পাওয়া যাবে নিবন্ধনের চূড়ান্ত সনদপত্র।বেসরকারি এমপিওভুক্ত অথবা নন এমপিও স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসায় শিক্ষক পদে চাকুরী করতে হলে NTRCA প্রদত্ত এই নিবন্ধন সনদপত্র অর্জন করা বাধ্যতামূলক।

বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়াতেও এসেছে ব্যাপক পরিবর্তন। পূর্বে এসব প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগ দেয়ার চূড়ান্ত এক্তিয়ার ছিলো প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির হাতে। বর্তমানে ২০১৬ সাল থেকে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়োগের সুপারিশের ক্ষমতা দেয়া হয়েছে এনটিআরসিএ 'র কাছে।





নিবন্ধন পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে তৈরি  মেধাতালিকা অনুযায়ী নিয়োগের সুপারিশ করবে NTRCA। এজন্য নিবন্ধন পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বর এখন বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক হওয়ার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।আরো পড়ুনঃ

এজন্য বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক হতে চাইলে নিবন্ধন পরীক্ষায় ভালো নম্বর পাওয়ার জন্য পরিপূর্ণ প্রস্তুতির প্রয়োজন।নিবন্ধন পরীক্ষার প্রস্তুতিতে সহায়তার জন্য আমাদের ওয়েবসাইটে বিস্তারিত গাইডলাইন প্রকাশ করা হবে যদি আপনারা চান।এজন্য কমেন্ট করে আপনার মতামত জানাতে পারেন।নিবন্ধন পরীক্ষা এবং বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগের সর্বশেষ তথ্য জানতে নিয়মিত আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করুন।আমাদের পরামর্শ হলো যারা ১৫তম নিবন্ধন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে চান তারা আবেদনের শেষ তারিখ অর্থাৎ ২৬শে ডিসেম্বরের অপেক্ষা না করে যত দ্রুত সম্ভব আবেদন করে ফেলুন।কারণ অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে জানা যায় ntrca এর ওয়েবসাইট অনেকসময় ডাউন হয়ে যায়।ফলে চাইলেও নিজের ইচ্ছেমত সময়ে আবেদন করা সম্ভব নাও হতে পারে।

১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন ২০১৮ প্রবেশপত্র ডাউনলোড




১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন ২০১৮ এর আবেদন প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে আগেই।জানা গেছে আবেদন করেছেন ১০ লক্ষ প্রার্থী।প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় ১৯শে এপ্রিল।পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশিত হওয়ার পর আমাদের সমকাল ব্লগেও তা জানিয়ে দেয়া হলো।ntrca থেকে শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশের পরেই ডাউনলোড করা যায় পরীক্ষার জন্য প্রবেশপত্র।প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের লিখিত পরীক্ষার জন্য পুনরায় প্রবেশপত্র ডাউনলোড করতে হবে।

১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা ২০১৯ এর লিখিত পরীক্ষার তারিখও ঘোষণা করা হয়েছে।স্কুল ও স্কুল ২ এর লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ২৬শে জুলাই ২০১৯ শুক্রবার সকাল ৯ টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত।কলেজ পর্যায়ের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ২৭শে জুলাই শনিবার সকাল ৯ টা থেকে দুপুর ১২ টা পর্যন্ত।
১৫তম_শিক্ষক_নিবন্ধন_পরীক্ষা

প্রবেশপত্র ডাউনলোড করুন

Friday, 17 May 2019

May 17, 2019

NTRCA সর্বশেষ খবর | বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগ ২০১৯ সম্পর্কে সর্বশেষ খবর

ntrca_সর্বশেষ_খবর

NTRCA সর্বশেষ খবর : পুনরায় শুন্য পদের তালিকা চেয়েছে এনটিআরসিএ

ntrca সর্বশেষ খবর হলো বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগ ২০১৯ এর প্রক্রিয়া শুরু করেছে এনটিআরসিএ।ইতোমধ্যেই প্রথম নিয়োগ সম্পন্ন হয়েছে।কমিটির হাত থেকে নিয়োগের ক্ষমতা এনটিআরসিএ এর হাতে হস্তান্তরের পর নতুন বিধিমালা অনুযায়ী এটি ছিলো ২য় নিয়োগ।এর আগে সর্বপ্রথম ২০১৬ সালে নিয়োগের সুপারিশ করে তারা।কিন্তু সে নিয়োগের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ এনে উচ্চ আদালতে রীট করে কতিপয় নিবন্ধনকারী। আদালতের দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে বিগত ১৪ই ডিসেম্বর ২০১৭ তারিখে NTRCA এর প্রতি কিছু নির্দেশনা সম্বলিত একটি রায় প্রদান করেছে আদালত। রায়ের আগ পর্যন্ত প্রায় দুই বছর নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ থাকায় হাজার হাজার নিবন্ধনকারী হতাশায় দিনাতিপাত করেছেন। অবশেষে আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হওয়ায় তাদের মাঝে কিছুটা স্বস্তি ফিরে এসেছে।


বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগ ২০১৯ : মেধাতালিকা হালনাগাদ

২০১৯ সালে এসে নতুন করে আবার বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ শুরু করেছে NTRCA। নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরুর প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে গত ১০ই জুলাই ২০১৮ তারিখে  আদালতের দেয়া নির্দেশনা অনুযায়ী এপর্যন্ত অর্থাৎ ১৪তম পর্যন্ত  নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সকল নিবন্ধনকারীর সমন্বয়ে তৈরি করা হয়েছে  ntrca মেধাতালিকা ২০১৯। মেধাতালিকাটি NTRCA এর ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। এতে নিজ নিজ বিষয়ে প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে মেধাতালিকায় নিজের অবস্থান সহজেই দেখতে পাচ্ছেন নিবন্ধনকারীগণ। যদিও এ মেধাতালিকা নিয়ে কিছুটা বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছিলো এবং বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় নেতিবাচক খবরও প্রচারিত হয়েছিলো তবে NTRCA এ মেধাতালিকার বিষয়ে সকল অভিযোগ অস্বীকার করে এবং তাদের বক্তব্য ও জবাব তুলে ধরে নিজেদের ওয়েবসাইটে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে।

বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগ ২০১৯ : ২য় গণবিজ্ঞপ্তি  অনুযায়ী নিয়োগ সম্পন্ন

গত ৩০/০৯/১৮ তারিখের মধ্যে দেশের সকল বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শুন্য পদের তালিকা সংগ্রহ করে NTRCA।এ শুন্য পদের সংখ্যা ছিলো প্রায় ৪০০০০।

নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হাজার হাজার চাকুরী প্রার্থী অপেক্ষা করতে থাকে কখন NTRCA হতে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চাকুরীতে নিয়োগের জন্য গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।


অপরদিকে পঁয়ত্রিশ উর্ধ নিবন্ধনকারীগণ আশংকায় দিনাতিপাত করতে থাকেন, মেধাতালিকায় নাম থাকা সত্ত্বেও তাদেরকে নিয়োগ থেকে বঞ্চিত করা হবে কারণ এমপিও নীতিমালা ২০১৮তে নিবন্ধনের বয়স নির্ধারণ করা হয়েছে।যদিও NTRCA এ বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু বলছিলোনা।আরো পড়ুন ntrca আপডেট নিউজ

এদিকে কালের কণ্ঠ পত্রিকার খবরে জানা যায় তাদের প্রশ্নের জবাবে এনটিআরসিএ এর নতুন চেয়ারম্যান এস এম আশফাক হোসেন বলেছেন ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার সার্কুলার প্রকাশ করা হবে।এর পরেই প্রকাশ করা হবে এনটিআরসিএ শিক্ষক নিয়োগ এর গণবিজ্ঞপ্তি।তিনি আরো বলেছিলেন যে প্রায় ৪০০০০ শুন্য পদ নিয়োগের অপেক্ষায় রয়েছে।দৈনিক শিক্ষার খবরে বলা হয় প্রথমে ডিসেম্বরে গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে ফেব্রুয়ারির মধ্যেই নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে।এরপর মার্চে আরেকটি শিক্ষক নিয়োগের গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।


যাই হোক পরবর্তীতে গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয় এবং সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকদের নিয়োগ কার্যক্রমও ইতোমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে তবে মার্চের ২য় নিয়োগ সম্পর্কে এখনো কোনো নিশ্চিত বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

বৃহস্পতিবার ২৪শে জানুয়ারি ২০১৯ প্রকাশিত হয়েছে ৪০০০০ বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ।ফেব্রুয়ারিতেই কাজে যোগদান করেছেন সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকগণ।

অপরদিকে গত ২৮শে নভেম্বর প্রকাশিত হয় ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন সার্কুলার ২০১৮।আবেদন গ্রহণ করা হয় ৫ই ডিসেম্বর থেকে ২৬শে ডিসেম্বর পর্যন্ত। দৈনিক শিক্ষার খবরে বলা হয় ২০১৯ সালের মধ্যে দুটি নিবন্ধন পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে।

NTRCA সর্বশেষ খবর : ৩য় গণবিজ্ঞপ্তির প্রস্তুতি চলছে

বর্তমানে ntrca সর্বশেষ খবর হলো বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পুনরায় এন্ট্রি লেভেলে শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশের লক্ষ্যে শূন্যপদের তথ্য চেয়েছে এনটিআরসিএ।তবে এবার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কাছে নয়,সরাসরি অধিদপ্তরগুলোর কাছে শূন্যপদের তথ্য চাওয়া হয়েছে।জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের মাধ্যমে যাচাই করে শূন্য পদের তথ্য পাঠাতে বলা হয়েছে অধিদপ্তরগুলোকে।সম্প্রতি এনটিআরসিএ থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর ও মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরে এ সংক্রান্ত চিঠি পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে দৈনিক শিক্ষার খবরে।

এ তালিকার ভিত্তিতে ২০১৯ সালের শেষ ভাগে শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ করা হবে বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।শূন্যপদের তথ্য চেয়ে শিক্ষা অধিদপ্তরে নির্ধারিত ছকও পাঠানো হয়েছে।

অধিদপ্তরের অধিক্ষেত্রের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শূন্যপদের তথ্য নির্ধারিত ছক অনুসারে আগাম ২ মাসের মধ্যে এনটিআরসিএ কার্যালয়ে পাঠাতে বলা হয়েছে।ইতোমধ্যে অধিদপ্তরগুলো থেকে যাচাই বাছাই করে শূন্যপদের তথ্য পাঠাতে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে।

গতবছর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে শূন্য পদের তথ্য চেয়েছিল এনটিআরসিএ। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের তথ্য প্রেরণ তদারকি করতে বলা হয়েছিল।কিন্তু শত শত প্রতিষ্ঠান ভুল তথ্য পাঠানোয় নিয়োগ সুপারিশের পর ভোগান্তিতে পরেন প্রার্থীরা। এ জটিলতা রোধে এ বছর অধিদপ্তরগুলোর কাছে শূন্য পদের তথ্য চেয়েছে এনটিআরসিএ।

গত ২৫ এপ্রিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সভার সিদ্ধান্ত অনুসারে প্রতিটি অধিদপ্তর তার অধিক্ষেত্রের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শূন্যপদের তথ্য জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার মাধ্যমে যাচাই করে এনটিআরসিএতে পাঠাবে।
অনেক নাটকীয় ঘটনার পরে শেষ পর্যন্ত এনটিআরসিএ এর নতুন চেয়ারম্যান এস এম আশফাক হোসেন দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।নিবন্ধনকারীদের অনেক আশা নতুন চেয়ারম্যানের কাছে।তবে দায়িত্ব গ্রহণ করেই আশার বাণী শুনিয়েছেন তিনি।এনটিআরসিএ এর অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে বলেছেন ডিসেম্বর ২০১৮ হতে ডিসেম্বর ২০১৯ সালের মধ্যেই ৬০০০০ শিক্ষক নিয়োগের লক্ষ্যমাত্রা গ্রহণ করেছে ntrca।


এদিকে বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগের জন্য শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা ও নিয়োগ কার্যক্রম সহজ করতে আটটি বিভাগে স্পষ্টীকরণ কর্মশালা অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)।বৃহস্পতিবার ২১ মার্চ ২০১৯ তারিখে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে ময়মনসিংহ বিভাগের জেলা ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের নিয়ে স্পষ্টীকরণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।পর্যায়ক্রমে আটটি বিভাগেই স্পষ্টীকরণ কর্মশালার আয়োজন করবে ntrca এমনটিই জানা গেছে।

স্পষ্টীকরণ কর্মশালায় সংশ্লিষ্ট বিভাগের জেলা ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের এনটিআরসিএ কর্তৃক পরিচালিত অনলাইন কার্যক্রমের বিভিন্ন ধাপ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা দেয়া হবে ও তাদের মতামত সংগ্রহ করা হবে।এতে নিয়োগ কার্যক্রম আরো ত্রুটিমুক্ত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

স্পষ্টীকরণ কর্মশালার পাশাপাশি গণশুনানির আয়োজনের কথাও রয়েছে।এতে নিবন্ধনকারীদের উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে। সিলেটে প্রথম গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছিলো।২য় গণশুনানি হয় ময়মনসিংহে।পর্যায়ক্রমে অন্যান্য সকল বিভাগেই গণশুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।




May 17, 2019

এনটিআরসিএ এর নতুন খবর ২০১৯ | শীঘ্রই আবার বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগ

এনটিআরসিএ এর নতুন খবর

এনটিআরসিএ এর নতুন খবর ২০১৯,আবারও শিক্ষক নিয়োগের প্রস্তুতি

এনটিআরসিএ এর নতুন খবর ২০১৯ হলো গত ২৪শে ডিসেম্বর ২য় বারের মতো প্রকাশিত হয়েছিল নিবন্ধনকারীদের বহু আকাঙ্খিত ntrca শিক্ষক নিয়োগ সুপারিশ ২০১৮।এতে প্রায় ৪০ হাজার শিক্ষক নিয়োগ প্রাপ্ত হন।শীঘ্রই আবারও প্রকাশিত হবে বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগের গণবিজ্ঞপ্তি।আরো বিস্তারিত জানতে NTRCA সংক্রান্ত আমাদের সবগুলো পোস্ট পড়ুন।
NTRCA থেকে বলা হয়েছিল ১ম চক্রের অর্থাৎ ২০১৬ সালের কম্পিউটার শিক্ষক পদে ১০৪৮ জনকে নিয়োগের সুপারিশ করা হয়।এর মধ্যে যোগদান করেছেন ৩১৩ জন।বাকি প্রায় ৭০০ জনের নিয়োগের সুপারিশ করা হবে ২য় ধাপে।শীঘ্রই ১ম চক্রের আবেদন অনুযায়ী এ সুপারিশ করা হবে।



অবশেষে বিষয়টির নিষ্পত্তি হয়েছে আদালতের নির্দেশে।৫৩২ টি শুন্যপদের বিপরীতে ৫১৪ জনকে সহকারি শিক্ষক (কম্পিউটার ) পদে নিয়োগ দিয়েছে এনটিআরসিএ।সেইসাথে এ সংক্রান্ত একটি নোটিশ প্রকাশিত হয় NTRCA এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে ৮ই মে ২০১৯ তারিখে।

এরপর ২য় চক্রের ২য় ধাপের নিয়োগের সুপারিশ হওয়ার কথা রয়েছে।১ম ধাপে নিয়োগের সুপারিশ পেলেও অনেকেই কাজে যোগদান করেননি।কেন তাঁরা যোগদান করেননি তা খতিয়ে দেখছে এনটিআরসিএ।এরপরই ২য় চক্রের আবেদন অনুযায়ী শুন্য পদগুলোতে মেধাতালিকায় ২য় স্থানে থাকা প্রার্থীদের নিয়োগের সুপারিশ করার কথা রয়েছে।



গত ২৪শে ডিসেম্বর রাতে প্রকাশিত হয়েছে গণবিজ্ঞপ্তির ফলাফল।এতে নিয়োগের সুপারিশ পাওয়া আবেদনকারীদের এসএমএসের মাধ্যমে ফলাফল জানিয়ে দেয়া হয়।

এদিকে গত ২৭/০১/১৮ তারিখে দৈনিক শিক্ষা ডট কম এবং মানবজমিনের একটি খবরে এনটিআরসিএ চেয়ারম্যানের বরাত দিয়ে বলা হয় :
বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পুনরায় আরো ৬০০০০ শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে ২০১৯ সালেই।তবে এতে আবেদনকারীদের মধ্যে ১৫তম এবং ১৬তম নিবন্ধনকারীদেরও অন্তর্ভুক্ত করা হবে।ইতোমধ্যেই জেলা শিক্ষা অফিসের মাধ্যমে সারা দেশের ডিসেম্বর পর্যন্ত শুন্য পদের তালিকা সংগ্রহ করা হয়েছে।





২০১৮ সালের শেষের দিকে নাটকীয় ঘটনার মধ্যদিয়ে এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান পরিবর্তন করা হয়!গত ১৬ই অক্টোবর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একটি আদেশের মাধ্যমে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য (বোর্ড প্রশাসন) এস এম আশফাক হোসেনকে এনটিআরসিএ 'র চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেয় সরকার।

বর্তমানে এনটিআরসিএ অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে চেয়ারম্যান হিসেবে অতিরিক্ত সচিব এস এম আশফাক হোসেনের নাম ও ছবি রয়েছে।

সম্প্রতি সমাপ্ত হওয়া ২য় চক্রের নিয়োগে প্রায় এক হাজার মহিলা কোটার পদ শুন্য থেকে যায়।এসব পদে পুনরায় বিশেষ নিয়োগের জন্য ৩য় চক্রের নিয়োগের গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হওয়ার কথা রয়েছে অচিরেই।তবে এসব পদে শুধু মহিলারাই আবেদন করতে পারবেন।

এছাড়াও আরো ৫ হাজার পদ শুন্য থাকার কথা জানিয়েছে ntrca।এসব পদেও নিয়োগের জন্য ৪র্থ চক্রের নিয়োগ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হবে বলেছেন এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান এমনটিই জানা গেছে একটি অনলাইন নিউজ পোর্টালে।এতে নারী পুরুষ সকল নিবন্ধনকারীই আবেদন করতে পারবেন।

যেসকল নিয়োগের কথা বলা হলো এগুলো ১ম থেকে ১৪তম নিবন্ধনকারীদের কথা বিবেচনা করেই করা হবে।এবং এসকল নিয়োগ ১৫ তম শিক্ষক নিবন্ধনের ফলাফল প্রকাশিত হওয়ার আগেই সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে।




এই ছিলো আপাতত ntrca আপডেট নিউজ। সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এনটিআরসিএতে যে কোনো ধরনের পরিবর্তন যদি নিবন্ধনকারীদের জন্য ইতিবাচক হয় তা সাদরে গ্রহণ করবে সকল নিবন্ধনকারী।
এনটিআরসিএ 'র নতুন চেয়ারম্যান এস এম আশফাক হোসেন
এনটিআরসিএ 'র চেয়ারম্যান





May 17, 2019

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ ২০১৮ সার্কুলার | প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা 2019 শুরু ২৪শে মে

প্রাথমিক_শিক্ষক_নিয়োগ_সার্কুলার

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ ২০১৮ সার্কুলার,প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া,প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ যোগ্যতা, প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতন,প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা 2019 ইত্যাদি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে সমকাল ব্লগে।


প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ ২০১৮ সার্কুলার




প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০১৮ প্রকাশিত হয়েছিল ৩০শে জুলাই ২০১৮।আবেদন করার সময় ছিলো ১লা আগস্ট থেকে ৩০শে আগস্ট ২০১৮ পর্যন্ত।এবার প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার জন্য রেকর্ড সংখ্যক ২৪ লাখ ১ হাজার ৫৯৭ জন প্রার্থী আবেদন করেছেন।অথচ প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০১৮ অনুযায়ী শিক্ষক নিয়োগ করা হবে সে তুলনায় মাত্র ১২০০০!এ থেকেই বোঝা যাচ্ছে কিরকম প্রতিযোগিতামূলক হতে যাচ্ছে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ ২০১৮।

এদিকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মোঃ জাকির হোসেনের দেয়া এক বক্তব্যে জানা গেছে এবছর অর্থাৎ ২০১৯ সালেই আবারও নিয়োগ দেয়া হবে ২০ হাজার প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক।প্রাক প্রাথমিক শ্রেণীতে ভর্তির বয়স ৫ বছর থেকে কমিয়ে ৪ বছর করা হবে এবং প্রাক প্রাথমিক শ্রেণীর মেয়াদ হবে ২ বছর।এজন্যই নিয়োগ দেয়া হবে আরো বিশ হাজার প্রাক প্রাথমিক শিক্ষক।প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ সার্কুলার ২০১৯ প্রকাশিত হওয়ার সাথে সাথেই যত দ্রুত সম্ভব তা জানিয়ে দেয়া হবে সমকাল ব্লগের পাঠকদের।

জানা গেছে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শূন্যপদে আরও ১৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দেয়া হতে পারে মার্চেই।এর মধ্যে প্রাক-প্রাথমিক পর্যায়ে ১০ হাজার ও সহকারী শিক্ষক পদে ৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব গিয়াসউদ্দিন আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বলে জানা গেছে।এ সংক্রান্ত প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরকে (ডিপিই) ইতোমধ্যেই নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।বিশেষ কোনো জটিলতা সৃষ্টি না হলে মার্চেই নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হতে পারে।

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রত্যাশীদের জন্য সুখবর হলো প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব সম্প্রতি জানিয়েছেন আগামী ৫ বছরে আরো ১ লক্ষ শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে।আগামী ২০২০ সাল থেকেই দুই বছর মেয়াদী প্রাক প্রাথমিক শিক্ষা চালু করার প্রত্যাশা ব্যাক্ত করেছেন তিনি।সচিব মহোদয় আরো জানিয়েছেন বর্তমানে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীর অনুপাত ১:৩৬।আরো এক লাখ শিক্ষক নিয়োগ করা হলে এ অনুপাত ১:৩০ এ নামিয়ে আনা যাবে।উল্লেখ্য গত দশ বছরে ১ লক্ষ ৮০ হাজার প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে।

হিসেব করলে দেখা যায় প্রতি আবেদনকারীর নিকট থেকে ১৬৮ টাকা করে আদায় করায় প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি 2018 থেকে সরকারের তথা প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আয় হয়েছে ৪১ কোটি টাকার কাছাকাছি!

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯




প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার তারিখ ২০১৯ এখনো নিশ্চিত হয়নি।প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা কবে হবে তা স্পষ্ট করেনি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।তারিখ প্রকাশিত হওয়ার সাথে সাথেই তা এখানে জানিয়ে দেয়া হবে।

প্রথমে ২০১৮ সালের অক্টোবর মাসেই পরীক্ষা সম্পন্ন করার কথা থাকলেও অনিবার্য কারণবশত তা পেছানো হয়।অতিরিক্ত সংখ্যক প্রার্থী আবেদন করার কারণে পরীক্ষার আয়োজন নিয়ে হিমশিম খাচ্ছে কতৃপক্ষ।

এরপর ডিসেম্বরে পরীক্ষার সম্ভাবনার কথা থাকলেও সেটিও সম্ভব হয়নি। বলা হয়েছিলো জানুয়ারিতে হতে পারে প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯।

পরবর্তীতে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯ এর তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছিলো ১লা ফেব্রুয়ারিতে।

এরপর  প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নিয়োগ সংক্রান্ত কমিটির সভায় সিদ্ধান্ত হয় যে প্রাথমিক সহকারি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ১৫ই মার্চ ২০১৯।ফেব্রুয়ারিতে এসএসসি পরীক্ষা থাকায় পুনরায় পিছানো হয় পরীক্ষার সময়।বলা হয়েছিল ফেব্রুয়ারীর প্রথম সপ্তাহেই সিদ্ধান্ত হবে কোন জেলায় কবে পরীক্ষা নেয়া হবে।

এদিকে দুঃখজনকভাবে আবারও পিছানো হয় প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা।১৫ই মার্চ প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা নেয়ার সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করলেও পরীক্ষা নিতে পারেনি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রনালয়।প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর dpe জানায় ১৩ই মার্চ প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ উদ্বোধন করা হবে।এজন্য সকল প্রস্তুতি থাকা সত্ত্বেও প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা নেয়া সম্ভব হচ্ছেনা ১৫ই মার্চ।তবে কখন পরীক্ষা নেয়া হবে তাও সুনির্দিষ্টভাবে বলতে পারেনি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।ধারণা করা হচ্ছিল মার্চের শেষে অথবা এপ্রিলের শুরুতে হতে পারে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯।

ঘোষণা করা হয়েছিলো প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা 2019 অনুষ্ঠিত হবে ১৫ই এপ্রিল ২০১৯।

কিন্তু এপ্রিলেও হচ্ছেনা প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা।প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সর্বশেষ খবরে জানা গেছে মে মাসের মাঝামাঝি শুরু হবে পরীক্ষা।শোনা গিয়েছিল মে মাসের ১০ তারিখে অনুষ্ঠিত হবে ১ম ধাপের পরীক্ষা।কিন্ত তাও সম্ভব হচ্ছেনা জানিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।পরীক্ষা হবে ১৭ই মে।ওএমআর শীট শতভাগ নির্ভুল করার জন্যই এক সপ্তাহ পেছাল পরীক্ষা।তবে কতৃপক্ষ জানিয়েছে ৫ ধাপে পরীক্ষা হওয়ার কথা থাকলেও তা ৪ ধাপে নেয়া হবে।এজন্য এক সপ্তাহ পেছালেও সময় মতই শেষ হবে প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা।

১৭ মে হচ্ছেনা পরীক্ষা।ঐ দিন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ডিগ্রি পরীক্ষা থাকায় আবারো পেছাল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা।ঐ দিনের পরীক্ষাটি ২১শে জুন নেয়া হবে বলে জানা গেছে এবং পরীক্ষা মোট চার ধাপেই সমাপ্ত করা হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ।

২০ হাজারের মধ্যে আবেদন জমা পড়েছে এরকম ৭টি জেলায় প্রথমে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।তবে প্রথমে কোন কোন জেলায় পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে তা এখনো জানা যায়নি।

সাধারণত পরীক্ষার প্রশ্ন প্রণয়ন এবং পরীক্ষা পরিচালনার দায়িত্ব থাকে ডিপিই এর উপর।এবার প্রশ্ন ফাঁস রোধ করার জন্য পরীক্ষা সংক্রান্ত সকল বিষয় পরিচালনা করা হবে সরাসরি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে।এদিকে প্রশ্নপত্র প্রণয়ন,ওএমআর শীট ডিজাইন এবং মূল্যায়ন,পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ সংক্রান্ত টেকনিক্যাল বিষয়গুলো নিয়ে বুয়েটের সাথে মিটিং করেছে মন্ত্রণালয়।জানা গেছে এবার ২০টির অধিক প্রশ্ন সেটে পরীক্ষা নেয়া হতে পারে।এছাড়া অধিক সংখ্যক পরীক্ষার্থী আবেদন করায় পূর্বের চেয়ে কেন্দ্রের সংখ্যাও বাড়ানো হবে।

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯ এর শিডিউল

দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা চার ধাপে শুরু হবে আগামী ২৪ মে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে।
আগামী ২৪ ও ৩১ মে এবং ১৪ ও ২১ জুন সকাল ১০টায় পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিলো। তবে সামান্য পরিবর্তন করা হয়েছে পরীক্ষার শিডিউলে।১৪ই জুনের পরীক্ষা হবে ২১শে জুন এবং ২১শে জুনের পরীক্ষা হবে ২৮শে জুন। দেশের বিভিন্ন জেলায় যে তারিখে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে তার সিডিউল দেয়া হলো-

২৪ মে অনুষ্ঠিত হবে যেসব জেলায় পরীক্ষা

ভোলা, পবনা, জয়পুরহাট ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও মানিকগঞ্জ জেলার সব উপজেলায় একযোগে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া গোপালগঞ্জের কোটালিপাড়া ও সদর উপজেলা; শরীয়তপুরের গোসাইরহাট, নড়িয়া ও ভেদরগঞ্জ উপজেলা; মাদারীপুরের সদর ও রাজৈর উপজেলা; ফরিদপুরের চরভদ্রাসন, আলফাডাঙ্গা, সদরপুর, সালথা ও সদর উপজেলা; নরংসিংদীর মনোহরদী, রায়পুরা ও বেলাবো উপজেলা; কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর, অষ্টগ্রাম, করিমগঞ্জ, কাটিয়াদি, পাকুন্দিয়া ও তারাইল উপজেলা; জামালপুরের মেলান্দহ, বকশিগঞ্জ ও সদর উপজেলা; টাঙ্গাইলের মির্জাপুর, কালিহাতী, মধুপুর, নাগরপুর, ভুয়াপুর ও ধনবাড়ী উপজেলা; লক্ষ্মীপুরের কমলনগর ও সদর উপজেলা।
কক্সবাজারের উখিয়া, কুতুবদিয়া, পেকুয়া, টেকনাফ ও সদর উপজেলা; চাঁদপুরের শাহরাস্তি, ফরিদগঞ্জ, মতলব উত্তর, মতলব দক্ষিণ উপজেলা; হবিগঞ্জের বাহুবল, নবীগঞ্জ, লাখাই ও সদর উপজেলা; সুনামগঞ্জের দেলদুয়ারবাজার, বিশ্বম্বরপুর, ছাত্ক, সাল্লা ও সদর উপজেলা; সিলেটের কানাইঘাট, বালাগঞ্জ, বিশ্বনাথ, ফেন্সুগঞ্জ, জৈন্তাপুর ও সদর উপজেলা; পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া, নেছারাবাদ ও সদর উপজেলা; পটুয়াখালীর দুমকী, গলাচিপা ও সদর উপজেলা; সাতক্ষীরার আশাশুনি, শ্যামনগর ও সদর উপজেলা; নীলফামারীর ডোমার, সৈয়দপুর ও সদর উপজেলা; নাটোরের গুরুদাসপুর, সিংড়া ও সদর উপজেলা এবং মৌলভীবাজারের রাজনগর, কমলগঞ্জ, শ্রীমঙ্গল ও জুড়ি উপজেলায় প্রথম ধাপের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

৩১ মে অনুষ্ঠিত হবে যেসব জেলায় পরীক্ষা

মুন্সীগঞ্জ, লালমনিরহাট, ঠাকুরগাঁও, নারায়ণগঞ্জ, শেরপুর ও রাজবাড়ী জেলার সব উপজেলার পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া গোপালগঞ্জের কাশিয়ানি, টুঙ্গীপাড়া ও মকসুদপুর উপজেলা; শরীয়তপুরের জাজিরা, ডামুড্যা ও সদর উপজেলা; মাদারীপুরের কালকিনি ও শিবচর উপজেলা; ফরিদপুরের নগরকান্দা, বোয়ালমারী, ভাঙ্গা ও মধুখালী উপজেলা; নরসিংদীর পলাশ, শিবপুর ও সদর উপজেলা; জামালপুরের সরিষাবাড়ী, দেওয়ানগঞ্জ, ইসলামপুর ও মাদারগঞ্জ উপজেলা; টাঙ্গাইলের ঘাটাইল, সখিপুর, গোপালপুর, বাসাইল, দেলদুয়ার ও সদর উপজেলা; কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর, নিকলী, কুলিয়ারচর, ইটনা, ভৈরব, মিঠামইন ও সদর উপজেলা।
লক্ষ্মীপুরের রায়পুর, রামগঞ্জ ও রামগতি উপজেলা; কক্সবাজারের চকোরিয়া, মহেশখালী ও রামু উপজেলা; চাঁদপুরের কচুয়া, হাজীগঞ্জ, হাইমচর ও সদর উপজেলা; হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং, আজমিরিগঞ্জ, মাধবপুর, চুনারুঘাট উপজেলা; সুনামগঞ্জের তাহিরপুর, জামালগঞ্জ, ধর্মপাশা, দিরাই, জগন্নাথপুর ও দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলা; সিলেটের গোয়াইনঘাট, গোলাপগঞ্জ, কোম্পানীগঞ্জ, জকিগঞ্জ, বিয়ানীবাজার, দক্ষিণ সুরামা উপজেলা; পিরোজপুর জেলার কাউখালী, নাজিরপুর, মঠবাড়িয়া ও ইন্দুরকানি উপজেলা; পটুয়াখালীর দশমিনা, বাউফল, মির্জাগঞ্জ, কলাপড়া ও রাঙ্গাবালী উপজেলা; সাতক্ষীরার দেবহাটা, কলারোয়া, কালিগঞ্জ ও তালা উপজেলা; নাটোরের নলডাঙ্গা, লালপুর, বড়াইগ্রাম ও বাগাতিপাড়া উপজেলা; নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ, জলঢাকা, ডিমলা উপজেলা এবং মৌলভীবাজারের বড়লেখা, কুলাউড়া ও সদর উপজেলায় এ ধাপে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

২১শে জুন অনুষ্ঠিত হবে যেসব জেলায় পরীক্ষা

ফেনী, ঝালকাঠি, বরগুনা, মাগুরা, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর ও পঞ্চগড় জেলার সব উপজেলায় একযোগে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া নেত্রকোনার দুর্গাপুর, পূর্বধলা, বারহাট্টা, খালিয়াজুড়ি, মদন ও মোহনগঞ্জ উপজেলা; ময়মনসিংহের গফরগাঁও, ঈশ্বরগঞ্জ, ফুলবাড়িয়া, গৌরীপুর, ফুলপুর, ধোবাউড়া ও তারাকান্দা উপজেলা; ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর, বাঞ্ছারামপুর, আখাউড়া ও সদর উপজেলা; কুমিল্লার লাকসাম, দেবীদ্বার, মুরাদনগর, দাউদকান্দি, চৌদ্দগ্রাম, হোমনা ও সদর উপজেলা; চট্টগ্রামের ডবলমুরিং, পাহাড়তলী, বন্দর, পাঁচশাইল, চান্দগাঁও, কোতোয়ালি, বাঁশখালী, রাউজান, সন্দ্বীপ, ফটিকছড়ি, আনোয়ারা, লোহাগড়া উপজেলা; নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ।
কবিরহাট, সুবর্ণচর ও সদর উপজেলা; বরিশালের আগৈলঝাড়া, বাকেরগঞ্জ, গৌরনদী ও সদর উপজেলা; যশোরের ঝিকরগাছা, বাঘারপাড়া, মনিরামপুর ও শার্শা উপজেলা; খুলনার কয়রা, ডুমুরিয়া ও সদর উপজেলা; বাগেরহাটের মোল্লাহাট, মোংলা, মোরেলগঞ্জ, কচুয়া, শরণখোলা উপজেলা; ঝিনাইদহের মহেশপুর, শৈলকুপা ও হরিণাকুণ্ডু উপজেলা; কুষ্টিয়ার মিরপুর, খোকসা ও সদর উপজেলা; কুড়িগ্রামের উলিপুর, চিলমারী, ফুলবাড়ী, রাজীবপুর ও সদর উপজেলা; গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ, পলাশবাড়ী ও সদর উপজেলা; রংপুরের কাউনিয়া, গঙ্গাচড়া, বদরগঞ্জ ও সদর উপজেলা; দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট, খানসামা, চিরিরবন্দর, হাকিমপুর, বীরগঞ্জ ও সদর উপজেলা; নওগাঁর বদলগাছি, মহাদেবপুর, মান্দা, রানীনগর ও সাপাহার উপজেলা; বগুড়ার আদমদীঘি, শিবগঞ্জ, শেরপুর, সোনাতলা, ধুনট ও শাহাজাহানপুর উপজেলা; রাজশাহীর গোদাগাড়ী, চারঘাট, বাগমারা ও সদর উপজেলা এবং সিরাজগঞ্জের কাজিপুর, চৌহালী, রায়গঞ্জ, বেলকুচি ও সদর উপজেলায় ১৪ জুন পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

২৮শে জুন অনুষ্ঠিত হবে যেসব জেলায় পরীক্ষা

ঢাকা, গাজীপুর ও নড়াইল জেলার সব উপজেলায় পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া নেত্রকোনার আটপাড়া, কমলাকান্দা, কেন্দুয়া ও সদর উপজেলা; ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা, ত্রিশাল, ভালুকা, নান্দাইল ও সদর উপজেলা; ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা, সরাইল, নাসিরনগর, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগর উপজেলা; কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া, বরুড়া, বুড়িচং, চান্দিনা, সদর দক্ষিণ, নাঙ্গলকোট, মেঘনা, মনোহরগঞ্জ, তিতাস ও লালমাই উপজেলা; চট্টগ্রামের পটিয়া, বোয়ালখালী, চন্দনাইশ, হাটহাজারী, রাঙ্গুনিয়া, মিরেরসরাই, সীতাকুণ্ডু ও সাতকানিয়া উপজেলা; নোয়াখালীর চাটখিল, কোম্পানীগঞ্জ, হাতিয়া, সোনাইমুড়ী ও সেনবাগ উপজেলা; বরিশালের উজিরপুর, বানারীপাড়া, বাবুগঞ্জ, মুলাদী, মেহেন্দীগঞ্জ ও হিজল উপজেলা; কুষ্টিয়ার দৌলতপুর, ভোড়ামারা ও কুমারখালী উপজেলা; যশোরের অভয়নগর, কেশবপুর, চৌগাছা ও সদর উপজেলা।
খুলনার তেরখাদা, দাকোপ, দিঘলিয়া, পাইকগাছা, ফুলতলা, বটিয়াঘাটা ও রূপসা উপজেলা; বাগেরহাটের চিতলমারী, রামপাল, ফকিরহাট ও সদর উপজেলা; ঝিনাইদহের কালিগঞ্জ, কোটচাঁদপুর ও সদর উপজেলা; কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী, ভুরুঙ্গামারী, রাজারহাট ও রৌমারী উপজেলা; গাইবান্ধার ফুলছড়ি, সাদুল্লাপুর, সাঘাটা ও সুন্দরগঞ্জ উপজেলা; রংপুরের তারাগঞ্জ, পীরগঞ্জ, পীরগাছা ও মিঠাপুকুর উপজেলা; দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ, পার্বতীপুর।
ফুলবাড়ী, বিরল, বিরামপুর, বোচাগঞ্জ ও কাহারোল উপজেলা; নওগাঁর আত্রাই, ধামুরহাট, নিয়ামতপুর, পত্নীতলা, পোরশা ও সদর উপজেলা; বগুড়ার কাহালু, গাবতলী, দুপচাঁচিয়া, নন্দীগ্রাম, সারিয়াকান্দি ও সদর উপজেলা; রাজশাহীর তানোর, দুর্গাপুর, পুঠিয়া, পবা, বাঘা ও মোহনপুর উপজেলা এবং সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া, তাড়াশ, কামারখন্দ, শাহাজাদপুর উপজেলা।(সূত্র : যুগান্তর অনলাইন) 

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ ২০১৯ প্রক্রিয়া




প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর জানিয়েছে এবার সহকারী শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বেশকিছু পরিবর্তন হতে যাচ্ছে।এতো অধিক সংখ্যক আবেদনকারীর মধ্য থেকে শুধু এমসিকিউ প্রশ্নের মাধ্যমে যোগ্য শিক্ষক বাছাই করা সম্ভব নয়। এজন্য প্রথমে এমসিকিউ পরীক্ষার মাধ্যমে ৫০ হাজার প্রার্থীকে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ করা হবে। এরপর পিএসসির আদলে লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে ৩৬ হাজার প্রার্থীকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত করা হবে। 

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ যোগ্যতা

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে আবেদনের যোগ্যতা ২০১৩ সালের নীতিমালা অনুযায়ী আগের মতোই থাকছে।অর্থাৎ পুরুষদের জন্য ন্যুনতম গ্র্যাজুয়েট এবং নারীদের জন্য এইচএসসি পাশ।আগের মতোই ৬০% নারী কোটাও বহাল রয়েছে।তবে আগামী বিজ্ঞপ্তি হতে পরিবর্তন ঘটবে এ নিয়মের!আগামীতে নারী পুরুষ উভয়ের জন্যই ন্যুনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা গ্র্যাজুয়েট নির্ধারণ করা হবে।


প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের প্রবেশপত্র ডাউনলোড

পরীক্ষার সুনির্দিষ্ট তারিখ নির্ধারিত হওয়ার পরপরই প্রত্যেক আবেদনকারীর নিকট এসএমএস দিয়ে তা জানিয়ে দেয় কতৃপক্ষ।তখন নিচের ওয়েবসাইট থেকে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রবেশপত্র ডাউনলোড করা যাবে।প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের প্রবেশপত্র ছাড়া পরীক্ষা দেয়া সম্ভব নয়।সুতরাং পরীক্ষায় অংশগ্রহণের পূর্বে অবশ্যই আপনার আইডি এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে অনলাইনে ডাউনলোড করে নিন প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রবেশপত্র।পরীক্ষার ৫ দিন আগে এসএমএস পাঠানো হবে পরীক্ষার্থীদের মোবাইল ফোনে।তখন থেকেই ডাউনলোড করা যাবে পরীক্ষার প্রবেশপত্র।১৯ শে মে থেকে ডাউনলোড করা যাবে প্রবেশপত্র। নিচে ডাউনলোড লিংক দেয়া হলো।

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ফলাফল ২০১৯





প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ ২০১৯ রেজাল্ট প্রকাশিত হওয়ার সাথে সাথেই এখানে আপডেট দেয়া হবে।
কাজেই পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করার পর নিয়মিত চোখ রাখুন সমকাল ব্লগে।

প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতন

প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতন কত জানতে চান?বর্তমান বেতন স্কেল অনুযায়ী প্রশিক্ষণবিহীন প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক ১৫তম গ্রেড অনুযায়ী ৯৭০০ টাকা স্কেলে বেতন পান এবং প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক ১৪তম গ্রেডে ১০২০০ টাকা স্কেলে বেতন পান।

তবে শীঘ্রই প্রাথমিক শিক্ষকদের দাবি অনুযায়ী গ্রেড পরিবর্তন করে বেতন বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি পূরণ করছে সরকার।নতুন বিধিমালা অনুযায়ী সহকারী শিক্ষক পাবেন ১২তম গ্রেডে বেতন, আর প্রধান শিক্ষক পাবেন ১০ম গ্রেডে।শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা সংশোধন করে এই পরিবর্তন আনা হচ্ছে শীঘ্রই।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের হিসাব রক্ষক নিয়োগ

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হিসাব রক্ষক পদ তৈরির নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে।এজন্য প্রতিটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একজন করে হিসাব রক্ষক নিয়োগ করা হবে।জানা গেছে চলতি অর্থ বছরেই সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে সারা দেশে ৬৫ হাজার ৯৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য হিসাব রক্ষক পদে নিয়োগ সার্কুলার প্রকাশ করা হবে।তবে এখনও এটি নীতিগত সিদ্ধান্তের পর্যায়ে আছে এজন্য আবেদনের যোগ্যতা ইত্যাদি বিস্তারিত জানা যায়নি।বিস্তারিত জানতে নিয়মিত চোখ রাখুন সমকাল ব্লগে।







Tuesday, 14 May 2019

May 14, 2019

মাস্টার্স ১ম পর্ব পরীক্ষার রুটিন ২০১৯ প্রকাশ করেছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

মাস্টার্স ১ম বর্ষ রুটিন

মাস্টার্স ১ম পর্ব পরীক্ষার রুটিন ২০১৯ প্রকাশিত হয়েছে।জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় মাস্টার্স ১ম পর্বের পরীক্ষার্থীদের জন্য সমকাল ব্লগে প্রকাশ করা হলো মাস্টার্স ১ম পর্ব পরীক্ষার রুটিন।এই রুটিনটি মাস্টার্স ১ম পর্ব সেশন ২০১৬-১৭ নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের জন্য এবং ২০১৩-১৪,২০১৪-১৫,২০১৫-১৬ সেশনের অনিয়মিত এবং গ্রেড উন্নয়ন পরীক্ষার্থীদের জন্য।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার্স ১ম পর্বের পরীক্ষার্থীরা নিশ্চয়ই অবগত আছেন যে যদিও পরীক্ষাটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে ২০১৯ সালে এবং সবাই খুূঁজছেন মাস্টার্স ১ম পর্ব পরীক্ষার রুটিন ২০১৯ তবুও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘোষণা মতে এটি মূলত মাস্টার্স ১ম পর্ব পরীক্ষার রুটিন ২০১৭।আরও পড়ুন মাস্টার্স ফাইনাল রেজাল্ট ২০১৯

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় মাস্টার্স ১ম পর্ব পরীক্ষার রুটিন ২০১৯ হাইলাইটস




  • পরীক্ষা শুরু ২৯শে জুন ২০১৯
  • পরীক্ষা শেষ ৩১শে জুলাই
  • পরীক্ষা শুরু প্রতিদিন দুপুর ১:৩০ মিনিটে
  • প্রাকটিক্যাল এবং ভাইভা পরীক্ষার সময়সূচি পরবর্তীতে জানানো হবে
  • ভাইভা এবং প্রাকটিক্যাল পরীক্ষার সময়সূচি পরীক্ষার্থীকে নিজ দায়িত্বে সংগ্রহ করতে হবে

তবে কতৃপক্ষ কোনো কারণ দর্শানো ছাড়াই যে কোনো সময় পরীক্ষার সময়সূচি পরিবর্তন করার ক্ষমতা রাখে।বেশিরভাগ সময়ই দেখা যায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে তাদের পরীক্ষার সময়সূচি পরিবর্তন করে থাকে।সেক্ষেত্রেও ঘাবড়ানোর কিছু নেই।মাস্টার্স ১ম পর্ব পরীক্ষার রুটিন ২০১৯ কোনো কারণে পরিবর্তন হলে আমরা অবশ্যই তা পাঠকদের জানিয়ে দেবো।এজন্য নিয়মিত চোখ রাখুন সমকাল ব্লগে।

মাস্টার্স ১ম পর্ব পরীক্ষার রুটিন ডাউনলোড করুন

স্বভাবতই নিশ্চয়ই আপনারা মাস্টার্স ১ম পর্ব পরীক্ষার রুটিন ২০১৯ দ্রুত ডাউনলোড করার জন্য উদগ্রীব হয়ে আছেন।এখানে পরীক্ষার রুটিনটি ছবি আকারে দেয়া হলো।সহজেই এখান থেকে পরীক্ষার রুটিন ডাউনলোড এবং বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে পারবেন।
মাস্টার্স ১ম পর্ব পরীক্ষার রুটিন ২০১৯
মাস্টার্স ১ম পর্ব পরীক্ষার রুটিন

মাস্টার্স ১ম পর্ব পরীক্ষার রুটিন ২০১৭ পিডিএফ ফাইল ডাউনলোড করুন

পরীক্ষার্থীরা নিশ্চয়ই ইতোমধ্যেই জেনে গেছেন যদিও তারা পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছেন ২০১৯ সালে তথাপি আসলে এটি মাস্টার্স ১ম পর্ব পরীক্ষা ২০১৭।ছবির পাশাপাশি যদি পিডিএফ আকারে রুটিন ডাউনলোড করতে চান তাহলে  জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট www.nu.ac.bd এর লিংকে ক্লিক করুন। সরাসরি ডাউনলোড হয়ে যাবে মাস্টার্স ১ম পর্ব পরীক্ষার রুটিন।




মাস্টার্স ১ম পর্ব ফরম ফিলাপ

মাস্টার্স ১ম পর্ব ফরম ফিলাপ ইতোমধ্যেই শেষ হয়েছে।পরীক্ষার্থীরা নিশ্চয়ই জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত নির্দেশনা অনুযায়ী সঠিকভাবে ফরম পুরন সম্পন্ন করেছেন।

আমরাও মাস্টার্স ১ম পর্ব পরীক্ষার ফরম ফিলাপ নোটিশ ২০১৯ প্রকাশ করেছি কারণ এটি আমাদের আলোচ্য বিষয়বস্তুর সাথে সম্পর্কিত।আপনারা জানেন ফরম ফিলাপের সময় পরবর্তীতে বর্ধিত হয়েছিলো।ফরম ফিলাপ সম্পন্ন হওয়ার পরেই প্রকাশিত হয়েছে মাস্টার্স ১ম পর্ব পরীক্ষার রুটিন ২০১৯।



ফরম ফিলাপ শুরু হয় ২৪/০৩/১৯ তারিখে
ফরম ফিলাপ সম্পন্ন হয় ০২/০৫/১৯ তারিখে
মাস্টার্স ১ম পর্ব ফরম ফিলাপ নোটিশ
মাস্টার্স ১ম পর্ব ফরম ফিলাপ

মাস্টার্স ফরম ফিলাপ
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ফরম ফিলাপ




Monday, 13 May 2019

May 13, 2019

পুলিশ নিয়োগ ২০১৯ শুরু হয়েছে | পুলিশ নিয়োগ সার্কুলার ২০১৯ দেখুন

পুলিশের চাকরির খবর

বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীতে চাকুরি করতে চান?পুলিশ নিয়োগ সার্কুলার ২০১৯ খুঁজছেন?সেনাবাহিনী নিয়োগ ২০১৯,পুলিশ নিয়োগ, বিমান বাহিনী নিয়োগ ২০১৯,পুলিশ নিয়োগ ২০১৯, বাংলাদেশ রেলওয়ে নিয়োগ ২০১৯, চাকরির খবর পুলিশ,নতুন পুলিশ নিয়োগ ২০১৯ সহ সকল গুরুত্বপূর্ণ সরকারি, বেসরকারি চাকরির নিয়োগ সম্পর্কে সর্বশেষ খবর জানতে নিয়মিত পড়ুন সমকাল ব্লগ।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পুলিশ।পুলিশে চাকরি অনেক চাকরি প্রার্থীর কাছেই ফেভারিট।যারা পুলিশের বিভিন্ন পদে চাকরি করতে আগ্রহী তাঁরা বাংলাদেশ পুলিশ নিয়োগ এর জন্য অপেক্ষায় আছেন।তারা জানতে চান পুলিশ নিয়োগ কবে,পুলিশ নিয়োগ কবে 2019।এখানে আপনি পাবেন পুলিশ নিয়োগ 2019 এর সকল খবর।




পুলিশ নিয়োগ ২০১৯ শুরু হয়েছে।বিস্তারিত বর্ণনা করা হয়েছে সমকাল ব্লগে।ডাউনলোড করুন পুলিশ সার্কুলার,পুলিশের নতুন নিয়োগের খবর পড়ুন।পুলিশের চাকরির খবর জানতে সমকাল ব্লগের সাথেই থাকুন।

পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০১৯,পুলিশ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০১৯

২০১৯ সালের পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি এখনো প্রকাশিত হয়নি।তবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছিলেন ২০১৯ সালের মধ্যে পঞ্চাশ হাজার পুলিশ নিয়োগ করা হবে।কাজেই পুলিশ নিয়োগ সার্কুলার ২০১৯ প্রকাশিত হওয়ার সাথে সাথেই বিস্তারিত জানিয়ে দেয়া হবে।

এদিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মন্তব্য করেছেন আগামী ৫ বছরে আরো ৫০ হাজার পুলিশ নিয়োগ দেয়া হবে।বর্তমানে বাংলাদেশে পুলিশ রয়েছে ২ লাখ ১২ হাজার।

আরও জানা গেছে পুলিশ বাহিনী চায় আগামী ৫ বছরে আরো ১ লক্ষ জনবল নিয়োগ দিতে।শীঘ্রই তারা সরকারের কাছে এ সংক্রান্ত দাবি উপস্থাপন করতে যাচ্ছে।

এসআই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০১৯





২০১৯ সালের এসআই নিয়োগ শুরু হয়েছে।সম্প্রতি বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীতে ২০১৯ সালের বহিরাগত ক্যাডেট ‘সাব-ইন্সপেক্টর (নিরস্ত্র)’ পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।বাংলাদেশের যে কোনো অনুমোদিত বিশ্ববিদ্যালয় হতে ন্যুনতম স্নাতক পাশ ও কম্পিউটারে অভিজ্ঞতা সম্পন্ন প্রার্থীগণ পুলিশের বহিরাগত ক্যাডেট ‘সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) পদে নিয়োগের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

প্রাথমিকভাবে শারীরিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর প্রার্থীদেরকে আবেদন ফরম পূরণ করে ৭ মের মধ্যে নিজ নিজ রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ে তা পৌঁছাতে হবে।আগামী ২৮, ২৯ ও ৩০ এপ্রিল সকাল ৯টায় পুলিশের আটটি বিভাগীয় রেঞ্জে শারীরিক মাপ ও পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

শারীরিক পরীক্ষার সময় প্রার্থীদের যা যা সাথে আনতে হবে:


  • শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদের মূল কপি
  • সর্বশেষ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান কর্তৃক প্রদত্ত চারিত্রিক সনদের মূল কপি
  • জাতীয় পরিচয়পত্রের মূল কপি
  • নাগরিকত্ব সনদের মূল কপি
  • সত্যায়িত ৩ কপি সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি এবং
  • বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত প্রয়োজনীয় অন্যান্য কাগজপত্র।


আবেদনের যোগ্যতা:

সাব-ইন্সপেক্টর (এস আই) পদে আবেদন করার জন্য আবেদনকারীকে ন্যূনতম স্নাতক পাস হতে হবে।পাশাপাশি কম্পিউটারে অভিজ্ঞ হতে হবে।প্রার্থীদের অবশ্যই বাংলাদেশের নাগরিক এবং অবিবাহিত হতে হবে।
আবেদনের বয়স:
সাধারণ প্রার্থীদের বয়স ১ এপ্রিল ২০১৯ তারিখে ১৯ থেকে ২৭ বছরের মধ্যে এবং মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের ক্ষেত্রে একই তারিখে বয়স ১৯ থেকে ৩২ বছরের মধ্যে হতে হবে।

শারীরিক যোগ্যতা:

এস আই পদে আবেদনের জন্য পুরুষ প্রার্থীদের ক্ষেত্রে উচ্চতা ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি, বুকের মাপ স্বাভাবিক অবস্থায় ৩০ ইঞ্চি ও সম্প্রসারিত অবস্থায় ৩২ ইঞ্চি হতে হবে।আর নারী প্রার্থীদের ক্ষেত্রে উচ্চতা কমপক্ষে ৫ ফুট ২ ইঞ্চি হতে হবে।

পরীক্ষার সময়:

উল্লেখিত তারিখে অনুষ্ঠিত শারীরিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদেরকে লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে। ১৬ জুন ২০১৯ তারিখ সকাল ১০টা থেকে ১টা পর্যন্ত ইংরেজি, বাংলা রচনা ও কম্পোজিশন বিষয়ে ১০০ নম্বরের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।১৭ জুন ২০১৯ তারিখ সকাল ১০টা থেকে ১টা পর্যন্ত সাধারণ জ্ঞান ও পাটিগণিত বিষয়ে ১০০ নম্বরের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।এরপর ১৮ জুন ২০১৯ তারিখ সকাল ১০টা থেকে সাড়ে ১০টা পর্যন্ত ২৫ নম্বরের মনস্তত্ত্ব পরীক্ষা নেয়া হবে।পরীক্ষার স্থান প্রার্থীদের পরবর্তী সময়ে জানিয়ে দেবে কতৃপক্ষ।

আবেদনপত্র প্রেরণ:

শারীরিক যোগ্যতার পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদেরকে সংশ্লিষ্ট রেঞ্জের ডিআইজির কাছ থেকে ওই দিনই তিনশত টাকা নগদ মূল্যে আবেদনপত্র ক্রয় করতে হবে।এরপর প্রার্থীদেরকে বাংলাদেশ পুলিশের অনুকূলে যেকোনো রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে পরীক্ষার ফি বাবদ ৩০০ টাকা ১-২২১১-০০০০-২০৩১ অথবা ১২২০২০১১৩৫৯৫৪১৪২২৩২৬ নম্বর কোডে ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে জমা দিয়ে চালানের মূল কপিসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আবেদন পত্রের সাথে সংযুক্ত করে দিতে হবে।আবেদন ফরম সঠিকভাবে পূরণ করে ৭ মে ২০১৯ তারিখের মধ্যে নিজ নিজ রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ে জমা দিতে হবে।

আরো বিস্তারিত জানার জন্য বিজ্ঞপ্তিটি পড়ুন।
এসআই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০১৯

বিজ্ঞপ্তিটি সরাসরি ডাউনলোড করতে পারেন বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর ওয়েবসাইট থেকে।

হাইওয়ে পুলিশ নিয়োগ ২০১৯

৬টি পদে ১৬ জনের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছিল উত্তরা হাইওয়ে পুলিশ।আগ্রহী প্রার্থীদের ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত আবেদন করার সুযোগ ছিলো।




পদের নাম: সাঁট মুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটর
পদসংখ্যা: ০১ জন
শিক্ষাগত যোগ্যতা: এইচএসসি/সমমান
দক্ষতা: কম্পিউটার টাইপিংয়ে সর্বনিম্ন গতি বাংলায় প্রতি মিনিটে ২৫ অক্ষর,ইংরেজিতে ৩০।
বেতন গ্রেড ১৩ : ১১,০০০-২৬,৫৯০ টাকা

পদের নাম: হিসাবরক্ষক
পদসংখ্যা: ০১ জন
শিক্ষাগত যোগ্যতা: এইচএসসি/সমমান
বেতন গ্রেড ১৪ : ১০,২০০-২৪,৬৮০ টাকা

পদের নাম: ক্যাশিয়ার
পদসংখ্যা: ০২ জন
শিক্ষাগত যোগ্যতা: এইচএসসি/সমমান
বেতন গ্রেড ১৬ : ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা

পদের নাম: অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক
পদসংখ্যা: ০৬ জন
শিক্ষাগত যোগ্যতা: এইচএসসি/সমমান
দক্ষতা: কম্পিউটার টাইপিংয়ে সর্বনিম্ন গতি বাংলায় প্রতি মিনিটে ২০ অক্ষর,ইংরেজিতে ২০।
বেতন গ্রেড ১৬ : ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা

পদের নাম: অফিস সহায়ক
পদসংখ্যা: ০১ জন
শিক্ষাগত যোগ্যতা: ৮ম শ্রেণি
বেতন গ্রেড ২০ : ৮,২৫০-২০,০১০ টাকা

পদের নাম: পরিচ্ছন্নতাকর্মী
পদসংখ্যা: ০৫ জন
শিক্ষাগত যোগ্যতা: ৮ম শ্রেণি
বেতন গ্রেড ২০ : ৮,২৫০-২০,০১০ টাক

নারী-পুরুষ উভয়ই আবেদন করতে পারবেন।

বয়স: ০১ মার্চ ২০১৯ তারিখে ১৮-৩০ বছর।বিশেষ ক্ষেত্রে ৩২ বছর

আবেদনপত্র সংগ্রহ: আগ্রহী প্রার্থীরা www.police.gov.bd অথবা
www.highwaypolice.gov.bd থেকে আবেদন পত্র সংগ্রহ করতে পারবেন।আবেদন পত্র অবশ্যই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ডাকযোগে পৌঁছাতে হবে।

আবেদনের ঠিকানা: পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও প্ল্যানিং), বাংলাদেশ পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স, উত্তরা, ঢাকা।

আবেদনের শেষ সময়: ৩০ এপ্রিল ২০১৯

বিজ্ঞপ্তিটি নিচে দেয়া হলো।আবেদন করার আগে ভালোভাবে সার্কুলার দেখে নিন।
হাইওয়ে পুলিশ নিয়োগ ২০১৯
হাইওয়ে পুলিশ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০১৯

পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি





বর্তমানে যেসকল জেলার পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে এখানে সে সম্পর্কে তথ্যগুলো জানিয়ে দেয়া হবে।আগ্রহীরা আবেদন করতে পারবেন।

পাবনা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে অস্থায়ীভাবে ২টি পদে দুইজনকে নিয়োগ দেওয়া হবে।আগ্রহীরা আগামী ২৭ মে পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।প্রার্থীদের পাবনা জেলার স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে এবং স্বহস্তে লিখিত দরখাস্ত প্রেরণ করতে হবে।

প্রতিষ্ঠানের নাম: পুলিশ সুপারের কার্যালয়, পাবনা

পদের নাম: বাবুর্চি
পদসংখ্যা: ০১ জন
শিক্ষাগত যোগ্যতা: অষ্টম শ্রেণি
বেতন: ৮,২৫০-২০,০১০ টাকা

পদের নাম: পরিচ্ছন্নতাকর্মী
পদসংখ্যা: ০১ জন
শিক্ষাগত যোগ্যতা: অষ্টম শ্রেণি
দক্ষতা: সুইপার সম্প্রদায়ের অগ্রাধিকার
বেতন: ৮,২৫০-২০,০১০ টাকা

চাকরির ধরন: অস্থায়ী

প্রার্থীর ধরন: জেলার স্থায়ী বাসিন্দা

বয়স: ২৭ মে ২০১৯ তারিখে ১৮-৩০ বছর। বিশেষ ক্ষেত্রে ৩২ বছর

আবেদনের ঠিকানা: পুলিশ সুপার, পুলিশ সুপারের কার্যালয়, পাবনা।

আবেদনের শেষ সময়: ২৭ মে ২০১৯

আবেদনপত্রের সাথে জনপ্রতিনিধি কর্তৃক প্রদত্ত নাগরিকত্ব সনদ ও জন্ম নিবন্ধন সনদের সত‌্যায়িত ফটোকপি, শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্র,৩ কপি ছবি ও প্রথম শ্রেণির গেজেটেড কর্মকর্তা প্রদত্ত চারিত্রিক সনদের সত্যায়িত ফটোকপি প্রেরণ করতে হবে।

যশোর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে নিম্নলিখিত পদে জনবল নিয়োগ দেয়া হবে।আগ্রহী প্রার্থীরা আগামী ০৬ জুন পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

সাঁট লিপিকার কাম কম্পিউটার অপারেটর পদে ০১ জন নিয়োগ দেয়া হবে,শিক্ষাগত যোগ্যতা এইচএসসি/সমমান,বেতন: ১১,০০০-২৬,৫৯০ টাকা।

সাঁট মুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটর
পদে ০২ জন,শিক্ষাগত যোগ্যতা এইচএসসি/সমমান,বেতন ১০,২০০-২৪,৬৮০ টাকা।

কম্পাউন্ডার পদে ০১ জন,শিক্ষাগত যোগ্যতা এসএসসি/ফার্মাসিস্ট ডিপ্লোমা বেতন ৯,৭০০-২৩,৪৯০ টাকা।

অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক
পদে ০১ জন,শিক্ষাগত যোগ্যতা এইচএসসি/সমমান
বেতন ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা।

ক্যাশিয়ার পদে ০১ জন শিক্ষাগত যোগ্যতা এইচএসসি/সমমান,বেতন ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা।

বিক্রয় সহকারী পদে ০১ জন,শিক্ষাগত যোগ্যতা এসএসসি/সমমান, বেতন ৮,৫০০-২০,৫৭০ টাকা।

জেলার স্থায়ী বাসিন্দাদের এসব অস্থায়ী পদে নিয়োগ দেয়া হবে।

প্রার্থীর বয়স ০৬ জুন ২০১৯ তারিখে ১৮-৩০ বছরের মধ্যে হতে হবে তবে বিশেষ ক্ষেত্রে ৩২ বছর পর্যন্ত প্রযোজ্য।

আবেদনের ঠিকানা: পুলিশ সুপার, পুলিশ সুপারের কার্যালয়, কারবালা রোড, যশোর।

আবেদনের শেষ সময়: ০৬ জুন ২০১৯

পুলিশ প্রধানের নাম

পুলিশে চাকরি করতে ইচ্ছুক অথচ বর্তমান পুলিশ প্রধানের নাম জানবেন না তাও কি হয়?বাংলাদেশের বর্তমান পুলিশ প্রধান বা পুলিশের আইজির নাম ড. জাবেদ পাটোয়ারী।