Breaking

Translate

Tuesday, 31 July 2018

কবি সোয়েব হোসেনের তিনটি কবিতা। মনের দিগন্তে, স্বপ্ন ভঙ্গ, কেউ শোনেনা।

কবি সোয়েব হোসেনের তিনটি কবিতা। মনের দিগন্তে, স্বপ্ন ভঙ্গ, কেউ শোনেনা। 

কবি সোয়েব হোসেনের কবিতা।

শৈশব কৈশোরে আমাদের অনেকের মাথাতেই কবিতা লেখার বা কবি হওয়ার ভুত চেপে বসে। অনেকেই আমরা এসময় দু একটি কবিতা লিখেছি। কোনো ওঝা ছাড়াই আবার সময়মতো সেই ভুত পালিয়েও গেছে! কিন্তু আমার একজন স্কুলের সহপাঠী বন্ধু আছে , নাম সোয়েব হোসেন। তাঁর কবিতার ভুতটি একটু বেশিই ভুতুড়ে! পরিণত বয়সেও ভুতটি তাঁকে ছেড়ে পালায়নি। এখনও লিখে চলেছে অবিরাম। এখন পর্যন্ত নাকি তিন শতাধিক কবিতা লিখে ফেলেছে! বন্ধুর অনুরোধে কোনোরূপ সম্পাদনা ছাড়াই তিনটি কবিতা এখানে হুবহু প্রকাশ করলাম। কবিতা তিনটি কবির খুঁজে চলি তাকে কাব্যগ্রন্থের (অপ্রকাশিত) অন্তর্গত।

খুঁজে চলি তাকে : ৮টি কবিতা। 
কবিতা পড়ে কারও হাসিও পেতে পারে আবার কেউবা কবির মাথায় ছিট আছে কিনা তাও ভাবতে পারেন আবার কেউ কবির কাব্য প্রতিভার প্রশংসাও করতে পারেন। সেটি পাঠকের বিবেচ্য বিষয়!আসুন তাহলে উপভোগ করা যাক কবি সোয়েব হোসেনের কবিতা!


                    মনের দিগন্তে


যতো দেখি তত দেখতে প্রাণ কাঁদে
মিশে যেতে চাই নীল আকাশের মতো
          তোমার মনের দিগন্তে
শেষ বিকেলের রোদ আলো ছড়ায় যখন
তোমাকে ভাবতে ভাবতে আবেগে ভেসে যাই
শত দিন বসে থাকলেও আসবেনা বুঝি
           আমার বাড়ির আঙিনায়,
কোথায় তুমি খুঁজে বেড়াই আমি।
উঁচু ভবনের শহরে, সবুজের গ্রামে
ইচ্ছে করে ঢোল হাতে আগের দিনের নিয়মে
বলে যাই সবাইকে ভালোবাসি তোমাকে।


                     স্বপ্ন ভঙ্গ


অনেক স্বপ্ন ছিল দুচোখে
স্বপ্নগুলো ভেঙে গেলো কাচ হয়ে
আর কোনো নতুন স্বপ্ন নেই আমার
      নারীর ভালোবাসা কি মরীচিকা?
মাকড়সার জালের মতো
পরিশ্রমে তৈরি করেছিলাম ভালোবাসা
সেই জাল ছিড়ে যাবে একদিন
       ভাবি নি আমি।
ধানের পাতায় শিশির আসে যখন
        প্রতিদিনের ভোরে
মনে পড়ে তখন শিশিরের হাসির সমান
        তোমার হাসিটি।


                কেউ শোনে না


বুকের ব্যথাগুলো বড় হয় আরও বড়
        সে কথা শোনে না কেউ
কোনো মানুষ, কোনো পাখি, কোনো গাছ
মানুষ শুধু টাকার পিছনে ছোটে
পাখি শুধু আকাশ পথে ওড়ে
গাছ শুধু দাঁড়িয়ে থাকে।

এবার নানা রঙের প্রজাপতির কাছে গেলাম
            প্রজাপতিও উড়ে গেলো দূরে।

জলে ভেসে যাওয়া হাঁসকে বললাম
           তুমি তো শুনবে
হাঁস প্যাক প্যাক করে সাতার দিলো।

সবাই যখন ছাড়লো আমাকে
তখন কষ্ট হৃদয়ের মাঝে নিয়ে
       একা থাকি মাসের পর মাস।

              *******শেষ*******




কবি সোয়েব হোসেন
বোনারপাড়া,সাঘাটা, গাইবান্ধা।
এম এ (সম্মান)  ইতিহাস
দশম NTRCA নিবন্ধনকারী( মাধ্যমিক উচ্চ বিদ্যালয়)

No comments:

Post a Comment