Breaking

Translate

Tuesday, 8 January 2019

NTRCA কতৃক বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া ২০১৯

এনটিআরসিএ শিক্ষক নিয়োগ সুপারিশ জানুয়ারীতেই

NTRCA news NTRCA খবর বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগ ২০১৮

ntrca update news সর্বশেষ কি জানতে চান?শিক্ষক নিয়োগ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে এনটিআরসিএ।আবেদন প্রক্রিয়াও সম্পন্ন হয়েছে। বিস্তারিত জানতে সম্পূর্ণ প্রতিবেদনটি পড়ুন মনোযোগ দিয়ে।

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কতৃপক্ষ NTRCA এর বিরুদ্ধে নিবন্ধনকারীদের হাইকোর্টে করা রীট পিটিশনের রায় প্রকাশ হওয়ার পর রায় বাস্তবায়ন এবং বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগের পদ্ধতি নিয়ে নিবন্ধনকারীদের মধ্যে চলছিলো নানারকম জল্পনা কল্পনা।সবার প্রশ্ন ছিলো রায় বাস্তবায়নে কিভাবে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে NTRCA?কেউ কেউ নিয়োগে রীটকারীদের অগ্রাধিকার থাকবে বললেও রায় বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে রায় সার্বজনীন হয়েছে অর্থাৎ নিয়োগের ক্ষেত্রে রীটকারী ননরীটকারী নির্বিশেষে  সকল নিবন্ধনকারীদের সমানভাবে একটি সমন্বিত জাতীয় মেধাতালিকার ভিত্তিতে নিয়োগ দেয়া হবে।



এবার চলুন প্রকাশিত রায়ের আলোকে সম্ভাব্য নিয়োগ প্রক্রিয়াটি খতিয়ে দেখা  যাক। রায়ের শেষের দিকে বলা আছে " It is very much notable that the NTRCA certification process has began for quite some time since 2005 and by now 13 batches have entered the examinations and there must be a concrete upto date data base, so that the latest merit list as per subject I.e. subject wise merit list be available and that should be made /published through publication in the official web page. "

ভাবানুবাদ : ইহা খুবই গুরুত্বপূর্ণ যে এনটিআরসিএর সনদ প্রদান প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে অল্প কিছুদিন হলো ২০০৫ সাল থেকে এবং এখন পর্যন্ত ১৩টি ব্যাচ পরীক্ষা দিয়েছে। সেখানে অবশ্যই একটি নিরেট হালনাগাদ করা তথ্যভান্ডার থাকতে হবে যাতে বিষয়ভিত্তিক সর্বশেষ মেধাতালিকা বিদ্যমান থাকে এবং তা এনটিআরসিএর ওয়েবসাইটে প্রকাশ করতে হবে!

এখানে স্পষ্ট বলা হয়েছে কাদেরকে নিয়ে মেধাতালিকা হবে। ২০০৫ সালের ১ম নিবন্ধন থেকে এখন পর্যন্ত উত্তীর্ণ সকল নিবন্ধনকারীদের নিয়ে বিষয়ভিত্তিক মেধাতালিকা করা হবে (যার মধ্যে রীটকারীদেরও নাম থাকবে তবে অবশ্যই তাদের প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে)। প্রতি বছর এই মেধা তালিকা আপডেট করবে এনটিআরসিএ।



এখন মজার বিষয় হলো এই মেধাতালিকা থেকে নিয়োগ দেবে কিভাবে? আপনাদের কি মনে হয় মেধাতালিকা থেকে নিজেদের পছন্দমত বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সরাসরি নিয়োগ দেবে তারা?কাকে কিভাবে কোন প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ দেবে?এর উত্তরও আছে রায়ের একেবারে শেষ অংশে।
"Every time the advertisement is made upon preparing the requirement list on demand from the educational institutions, the applicants should have access to the list and would apply according to their choices and be chosen as per national merit list that is updated every year."

ভাবানুবাদ : প্রত্যেকবার নিয়োগের বিজ্ঞাপন প্রকাশ করতে হবে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চাহিদাপত্র প্রস্তুতের ভিত্তিতে। শুন্য পদের তালিকা প্রার্থীদের জন্য উন্মুক্ত হতে হবে এবং প্রার্থী তার পছন্দমত প্রতিষ্ঠানে আবেদন করবে। প্রতি বছরের সর্বশেষ হালনাগাদ করা জাতীয় মেধাতালিকা হতে তাদের নির্বাচন করতে হবে। 



তার মানে কি বুঝলেন? মেধাতালিকায় নাম থাকা একজিনিস আর নিয়োগ হওয়া আরেক জিনিস। মেধাতালিকায় ১ম থেকে বর্তমানের ১৪তম পর্যন্ত উত্তীর্ণ সকলেরই নাম থাকবে। কারো নামই বাদ পড়বে না।তবে বিষয়ভিত্তিক করা এই মেধাতালিকায় নামগুলো থাকবে প্রাপ্ত নম্বরের ক্রমানুসারে। প্রতি বছর তালিকা আপডেট হওয়ার সময় কারো নাম যাবে উপরে আবার কারো নাম নিচে নেমে আসবে।তালিকায় আপনার অবস্থান প্রতি বছর পরিবর্তন হতে থাকবে চাকুরী হওয়ার আগ পর্যন্ত!এই তালিকা হবে ওয়েবসাইটে প্রকাশিত, উন্মুক্ত! এখানে রীটকারী ননরিটকারী বৈষম্যের কোনো সুযোগ নেই!

এ তো গেলো মেধা তালিকার কথা! এখন আসুন নিয়োগের কথায়!২য় অনুবাদ পড়ে বুঝতে পারছেন নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি দেয়া হবে শুন্যপদের প্রেক্ষিতে।এবারো নিজের পছন্দমত প্রতিষ্ঠানগুলোতে আবেদন করতে হবে। এরপর প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের আবেদনকারীদের মধ্য থেকে জাতীয় মেধাতালিকা অনুযায়ী প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে নিয়োগ দেয়া হবে!এবার নতুন নিয়মে একটাই পার্থক্য থাকবে আর তা হলো জেলা, উপজেলা কোটা বিলুপ্ত হবে! 

এ থেকে বোঝা যাচ্ছে মেধাতালিকায় নাম থাকার অর্থ নিয়োগ পাওয়া নয়।কারণ মেধাতালিকায় ১ম থেকে সর্বশেষ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ নিবন্ধনকারী সকলেরই নাম থাকবে প্রাপ্ত নম্বরের ক্রমানুসারে। নিয়োগের জন্য নিজ নিজ পছন্দের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আবেদন করতে হবে। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে আবেদনকারীদের মধ্য থেকে সর্বোচ্চ নম্বর প্রাপ্ত প্রার্থীকে নিয়োগ দেয়া হবে বিষয়ভিত্তিক সমন্বিত জাতীয় মেধাতালিকা অনুযায়ী। 



উল্লেখ্য আদালত NTRCA কে রায়ের কপি হাতে পাওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে এই মেধাতালিকা প্রকাশ করতে বলেছে। এর অর্থ এই নয় যে উক্ত ৯০ দিনের মধ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। নিয়োগ প্রক্রিয়া ভিন্ন বিষয় যা আগেই বলা হয়েছে।
আরো পড়ুন : ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন সার্কুলার ২০১৮

আলোচিত মেধা তালিকার আরেকটি বৈশিষ্ট্য হলো এ তালিকায় নম্বরের দিক থেকে এগিয়ে থাকাই চাকুরী নিশ্চিত হওয়ার একমাত্র মাধ্যম নয়। আপনি যে প্রতিষ্ঠানে আবেদন করবেন সেই প্রতিষ্ঠানে আপনার চেয়ে বেশি নম্বর প্রাপ্ত কেউ আবেদন করে থাকলে তার চাকুরীই নিশ্চিত হবে। আবার উক্ত প্রতিষ্ঠানে আপনিই সর্বোচ্চ নম্বরপ্রাপ্ত আবেদনকারী হলে আপনার চাকুরীই নিশ্চিত হবে! সহজ কথায় আপনার নিয়োগ নির্ভর করবে জাতীয় মেধাতালিকায় আপনার অবস্থানের উপর নয় বরং আপনি যে প্রতিষ্ঠানগুলোতে আবেদন করছেন সেই প্রতিষ্ঠানগুলোতে  আবেদন করা অন্যান্য প্রার্থীদের সাথে আপনার নম্বরের পার্থক্যের উপর। অর্থাৎ আপনাকে সারা বাংলাদেশের সকল নিবন্ধনকারীর সাথে প্রতিযোগিতা করতে হবেনা।প্রতিযোগিতা করতে হবে যেসকল প্রতিষ্ঠানে আবেদন করবেন সেসকল প্রতিষ্ঠানে আবেদন করা অন্যান্য প্রার্থীদের সাথে।উদাহরণ হিসেবে বলা যায় ধরুন আপনার প্রাপ্ত নম্বর ৫৫।আপনি যে প্রতিষ্ঠানে আবেদন করেছেন সেখানে আরো চারজন আবেদন করেছেন যাদের নম্বর যথাক্রমে ৪৯,৫০,৫২,৫৪।সেক্ষেত্রে উক্ত প্রতিষ্ঠানে ৫৫ নম্বর পেয়েই নিয়োগ হবে আপনার।আবার ২য় আরেকজন ব্যাক্তির প্রাপ্ত নম্বর ৬৫।কিন্তু সে যে প্রতিষ্ঠানে আবেদন করেছে সেখানে আবেদনকারীদের মধ্যে একজনের নম্বর ৬৬।সেক্ষেত্রে ৬৫ নম্বর পেয়েও চাকরি হবেনা ২য় ব্যাক্তির।

আরো পড়ুন : নিবন্ধন পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সর্বোচ্চ বয়স ৩৫ নাকি চাকুরীতে প্রবেশের সর্বোচ্চ বয়স ৩৫?


ntrca update news সর্বশেষ কি

এই প্রতিবেদনটি লেখা হয়েছিলো অনেকদিন আগে। যখন সবেমাত্র আদালতের রায় প্রকাশিত হয়েছিলো।সেসময় সকল নিবন্ধনকারীই অন্ধকারে ছিলেন নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে।কেউই বুঝতে পারছিলেন না কিভাবে কোন পদ্ধতিতে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে ntrca।এই প্রতিবেদনটিই ছিলো অনলাইনে এ বিষয়ে সর্বপ্রথম স্পষ্ট বিশ্লেষণ।

আপনারা জেনে খুশি হবেন যে এই প্রতিবেদনের প্রতিটি বক্তব্যই পরবর্তীতে বাস্তবে ঘটা নিয়োগ প্রক্রিয়ার সাথে হুবহু মিলে যাচ্ছে।ইতোমধ্যেই এনটিআরসিএ মেধাতালিকা প্রকাশিত হয়েছে।সারা দেশের সকল বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শুন্য পদের তালিকা সংগ্রহের কাজও সম্পন্ন করেছে ntrca।সকল সংবাদ মাধ্যমের খবর অনুযায়ী সারা দেশ থেকে প্রায় ৩৯০০০ শুন্য পদের চাহিদা পাওয়া গেছে।এনটিআরসিএ এর দেয়া পূর্বের তথ্য অনুযায়ী বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগ এর গণবিজ্ঞপ্তিও প্রকাশ করা হয়েছে গত ডিসেম্বরের ১৮ তারিখে।

এবং নিবন্ধনকারীগণ আবেদন করেছেন ১৯/১২/২০১৮ থেকে ০২/১২/২০১৯ তারিখ পর্যন্ত।এতে সেসকল নিবন্ধনকারী আবেদন করতে পেরেছেন যাদের বয়স ১২ই জুন ২০১৮ পর্যন্ত ৩৫ অথবা তার কম।

আবেদন ফী নির্ধারণ করা হয়েছে ১৮০ টাকা।যথারীতি গত নিয়োগের মতো এবারও একজন প্রার্থী যতখুশি তত প্রতিষ্ঠান এবং পদে আবেদন করতে পেরেছেন।এলাকা ভিত্তিক কোনো কোটা প্রযোজ্য হবেনা।তবে এবারের ভিন্ন একটি সংযোজন হলো আবেদনের ক্ষেত্রে চয়েসের ক্রম উল্লেখ করতে হবে।বিষয়টি বুঝতে কারো সমস্যা হলে কমেন্ট করে জানান উত্তর দেয়া হবে।

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ডাউনলোড,আবেদনের বিস্তারিত নিয়ম কানুন জানতে, শুন্য পদের তালিকা, মেধাতালিকা দেখতে এবং সরাসরি আবেদন করতে ntrca official website ভিজিট করুন।

যারা আবেদন করেছেন তাদের জন্য সুখবর হলো জানুয়ারি ২০১৯ এর মধ্যেই আবেদনের ফলাফল ঘোষণা করা হবে এবং উত্তীর্ণদের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে নিয়োগের সুপারিশ করা হবে।সুপারিশ পাওয়ার এক মাসের মধ্যেই জয়েন করতে হবে উত্তীর্ণদের।

ntrca সর্বশেষ খবর জানতে সবসময় সমকাল ব্লগের সাথেই থাকুন।




8 comments:

  1. Vai ntrca ar aro news diban.jamon kon subject a kota niog hoba etc

    ReplyDelete
    Replies
    1. মন্তব্যর জন্য ধন্যবাদ।আপনার মতামত অবশ্যই গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা হবে।

      Delete
  2. পারলে যানাবে কোন বিষয়ে কতটি আবেদন হল।

    ReplyDelete
    Replies
    1. বিষয়ভিত্তিক আবেদনের সংখ্যা জানানো আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়।মন্তব্যর জন্য ধন্যবাদ।

      Delete
  3. , কত তারিখে নিয়োগ হতে পারে তা জানতে চেষ্টা করবেন।ধন্যবাদ আপনাকে।

    ReplyDelete
    Replies
    1. আপনাকেও ধন্যবাদ পড়ার জন্য।

      Delete
  4. আবেদনের ক্ষেত্রে চয়েসের ক্রম উল্লেখ করতে হবে।বিষয়টি বুঝতে পারি নি

    ReplyDelete
    Replies
    1. প্রথমে যে প্রতিষ্ঠানে আবেদন করবেন সেটি প্রথম চয়েস এভাবে ২য় পদে আবেদন করলে সেটি সেকেন্ড চয়েস।এভাবে।

      Delete