Breaking

Translate

Monday, 17 September 2018

আমাজন এফিলিয়েট মার্কেটিং কি? কিভাবে করবেন? বিস্তারিত গাইডলাইন।

আমাজন এফিলিয়েট মার্কেটিং কি? কিভাবে করবেন? বাংলা টিউটোরিয়াল ১ম পর্ব।


          বিসমিল্লাহির রাহমানুর রহিম
আমাজন এফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের কথা অনেকেই শুনেছেন। সারা বিশ্বজুড়েই এটি পরিচিত এবং অনলাইন আয়ের এটি একটি জনপ্রিয় এবং লাভজনক উপায়। তবে অনেকেই শুধু শুনেছেন কিন্তু বিস্তারিত জানেননা। আবার অনেকেই এটি করতে আগ্রহী কিন্তু শুরু করার পূর্বে যে বিষয়গুলো সম্পর্কে পরিস্কারভাবে জানা প্রয়োজন তা জানেননা। ফলে একদল আগ্রহী শুরু করলেও অনেক ভুল ধারণা নিয়ে শুরু করেন এবং যেরকম ভেবেছিলেন সেরকম নয় বোঝার পরে হতাশ হয়ে ছেড়ে দিয়ে চলে যান! মাঝখান থেকে অনেক সময় এবং শ্রমের অপচয় হয়। আবার অনেকেই চটকদার বিজ্ঞাপনে আকৃষ্ট হয়ে হাজার ডলার ইনকামের আশায় প্রথমেই বিশ ত্রিশ হাজার টাকা খরচ করে নিস ওয়েবসাইট নিয়ে ফেলেন! সফল হলে ভালো কিন্তু না হলে হয়তো পস্তান। ওয়েবসাইট নেবেন ভালো কথা! প্রোফেসনালভাবে করতে হলে একসময় নিতেই হবে। তবে তার আগে অনেক বিষয় আছে যেগুলো পরিস্কার জেনেই এগুনো ভালো হবে। আশাকরি আমাজন এফিলিয়েট মার্কেটিং নিয়ে আমার এই টিউটোরিয়ালটি পড়লে বিষয়টি সম্পর্কে পরিস্কার ধারণা পাবেন এবং কাজ শুরু করতে চাইলে সঠিক ধারণা এবং গাইডলাইন নিয়েই শুরু করতে পারবেন। এছাড়াও এটি আপনার জন্য সত্যিই উপযুক্ত কাজ কিনা সেটিও ভালভাবে বুঝে নিতে পারবেন। আপনাদের কারো বিন্দুমাত্র উপকার হলেও লেখাটি সার্থক হবে। তাহলে চলুন আলোচনা শুরু করা যাক।

এফিলিয়েট মার্কেটিং কি?


 সহজ কথায় এফিলিয়েট মার্কেটিং হলো কমিশন ভিত্তিক মার্কেটিং। সাধারণভাবে আপনি যদি কোনো কোম্পানিতে পার্মানেন্ট মার্কেটিং জব করেন তাহলে প্রতি মাসে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা বেতন পাবেন কিন্তুু এফিলিয়েট মার্কেটিং করলে শুধু আপনার বিক্রয়ের উপর কমিশন পাবেন। যতো বেশি প্রোডাক্ট সেল হবে ততো বেশি টাকা কমিশন আসবে এবং অপরদিকে সেল না হলে কোনো কমিশন আসবে না তাই কোনো পেমেন্টও আসবেনা।

আমাজন এফিলিয়েট মার্কেটিং কি?


আমাজন ডট কম ইউএসএর একটি বিখ্যাত অনলাইন শপিং কোম্পানি বা ইকমার্স কোম্পানি। এটি পৃথিবীর সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং বৃহৎ অনলাইন স্টোর। আমাজন সুযোগ দিয়েছে তাদের এসোসিয়েট হয়ে এফিলিয়েট মার্কেটিং করার। অর্থাৎ আমাজনের ওয়েবসাইট থেকে আপনি যদি প্রোডাক্ট সেল করতে পারেন তাহলে আমাজন আপনাকে প্রোডাক্ট ভেদে বিভিন্ন রেটে কমিশন দেবে। তবে সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হবে অনলাইনে। এটিই আমাজন এফিলিয়েট মার্কেটিং।



কেন আমাজন এফিলিয়েট মার্কেটিং করবেন ?

কেন আমাজন এফিলিয়েট মার্কেটিং করবেন সেটি আপনার নিজস্ব ব্যাপার। তবে এটি অনলাইনে আয়ের একটি মাধ্যম। অনলাইনে আয়ের অনেক মাধ্যম রয়েছে। এরমধ্যে এফিলিয়েট মার্কেটিং অন্যতম একটি উপায়। বিস্তারিত জেনে যদি আপনার ভালো লাগে এবং করতে পারবেন বলে মনে হয় তাহলে অবশ্যই করবেন। তবে এটি ১০০% নিশ্চয়তা দিয়ে বলা যায় আপনি যদি আমাজনের টার্মস এন্ড কন্ডিশন মেনে কাজ করতে পারেন তাহলে আপনার ইনকামের টাকা নিশ্চিত পেয়ে যাবেন। আমাজন একটি নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠান তাই কোনোভাবে প্রতারণার স্বীকার হতে হবেনা এবং কোনো টাকাও আমাজনে ইনভেস্ট করতে হবেনা।

আমাজন ছাড়া আর কোনো এফিলিয়েট মার্কেটিং করা যায়না?


অবশ্যই যায়। এফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের অনেক উপায় আছে অনলাইনে। সবগুলো সম্পর্কে আমার নিজের অভিজ্ঞতা নেই তাই বিস্তারিত বলতে পারবোনা। তবে eBay, Walmart, Aliexpress এগুলোও জনপ্রিয়, বিশ্বস্ত ইকমার্স ওয়েবসাইট এবং এদেরও এফিলিয়েট প্রোগ্রাম আছে। সারা বিশ্বজুড়েই এরা পরিচিত এবং নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠান। eBay এবং Walmart সম্পর্কে বলতে পারি এদের সাথে কাজ শুরু করতে হলে প্রথমেই আপনার খুব ভালো মানের একটি নিজস্ব ওয়েবসাইট থাকতে হবে অর্থাৎ প্রথম থেকেই সম্পূর্ণ প্রস্তুত হয়ে শুরু করতে হবে। আর Aliexpress চীনের কোম্পানি। এদের জনপ্রিয়তা সবচেয়ে বেশি রাশিয়া, ব্রাজিল, স্পেনে। অর্থাৎ আলী এক্সপ্রেসে ভালো সেল করতে হলে আপনাকে এইসব দেশের ভিজিটরদের টার্গেট করে অনলাইন মার্কেটিং করতে হবে।

নতুনদের জন্য কোনটি ভালো হবে?


আমি নিজে একেবারে শূন্য অভিজ্ঞতা নিয়ে আমাজন এফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করেছিলাম এবং অল্প সময়েই সাফল্য আসতে শুরু করেছিলো। তাই আমি নিজে ব্যাক্তিগতভাবে বলবো নতুনদের জন্য আমাজন এফিলিয়েট মার্কেটিংই সবচেয়ে ভালো হবে। আমাজনের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো প্রথমেই নিজস্ব ওয়েবসাইট দিয়ে শুরু করা বাধ্যতামূলক নয়। ফ্রী সাবডোমেইন দিয়ে অনায়াসেই শুরু করা যায়। অর্থাৎ শুরুতেই ইনভেস্ট করার প্রয়োজন নেই। শেখা এবং কাজ করা দুটোই একসাথে পাশাপাশি করার সুযোগ আছে এবং সেল করাও তুলনামূলক সহজ হওয়ায় শুরু থেকেই অল্প করে হলেও ইনকাম করা যায়! মোটামুটি অভিজ্ঞতা অর্জন করার পর চাইলে নিজস্ব ওয়েবসাইট নিয়ে একই ওয়েবসাইটে আমাজনের পাশাপাশি eBay, Walmart এদের এফিলিয়েট মার্কেটিংও করা যায় এবং এতে কোনো সমস্যা হয়না।

কি কি প্রোডাক্ট সেল করতে পারবেন আমাজনে? 


বিভিন্ন ক্যাটাগরির লক্ষ লক্ষ প্রোডাক্ট আছে আমাজনের। নিজেই Amazon website থেকে দেখে নিন। আমাজনের প্রোডাক্ট সেল করবেন অথচ দেখবেন না কি আছে আমাজনের স্টকে তাও কি হয়? তবে এরমধ্যে হাতে গোনা কিছু প্রোডাক্ট আছে যেগুলো এফিলিয়েট প্রোগ্রামের আওতার বাইরে অর্থাৎ এই প্রোডাক্টগুলো সেল করলে কোনো কমিশন পাবেননা। কিন্তু এ ধরনের প্রোডাক্টের সংখ্যা সীমিত আর এ প্রোডাক্টগুলোর লিংকে ঢুকলেই আমাজন তা স্পষ্ট করে জানিয়ে দেবে। তাই এ নিয়ে টেনশনের কিছু নেই।
যারা একেবারেই নতুন তারা হয়তো মনে করতে পারেন Amazon এর ওয়েবসাইটটিতে একটি একাউন্ট করলেই আপনার Amazon affiliate একাউন্ট হয়ে যাবে এবং product sell করা শুরু করতে পারবেন! কিন্তু বাস্তবে তা নয়। উপরে Amazon এর যে ওয়েবসাইট লিংকটি দেয়া হয়েছে সেটি শুধু Amazon থেকে পণ্য ক্রয় করার জন্য, বিক্রয় করার জন্য নয়। Amazon affiliate marketing করার জন্য আপনাকে Amazon associate পেজে sign up করতে হবে। step by step সবকিছু বর্ণনা করা হবে ।

কিভাবে আমাজন থেকে পেমেন্ট পাবেন?


যেহেতু আমাজন এফিলিয়েট মার্কেটিং নিয়ে এটি প্রাথমিক আলোচনা তাই যারা এটি পড়বেন এবং যারা নতুন তাদের মনে এই প্রশ্নটি আসবেই! বিশেষ করে যেহেতু আপনি বাংলাদেশ থেকে কাজ করবেন এবং কোম্পানি আমেরিকার তাই পেমেন্ট পাওয়ার সহজ উপায় কি এটি নিশ্চয়ই আপনার জানার আগ্রহ হবে এবং এটিই স্বাভাবিক। আর কাজ শুরুর আগে এই প্রাথমিক বিষয়গুলো পরিস্কার না জেনে না বুঝে কাজ করাও উচিত হবেনা। অথচ এই সাধারণ বিষয়গুলো নিয়েও আপনি বাংলা টিউটোরিয়ালগুলোতে পরিস্কার ধারণা পাবেননা। আমাকে জানতে হয়েছে কাজ করতে করতে। অনেক খুঁজে খুঁজেই সবকিছু জানতে হয়েছে। তাই আমি চাই সব প্রয়োজনীয় তথ্যগুলো আপনাদের সাথে শেয়ার করতে যাতে আপনাদের কাজ করতে সহজ হয় এবং সময় ও শ্রমের অপচয় না হয়! আমাজন দুইভাবে পেমেন্ট দিয়ে থাকে। চেকের মাধ্যমে এবং সরাসরি ব্যাংক ট্রান্সফারের মাধ্যমে। চেক সারা বিশ্বের যে কোনো ঠিকানায় পাঠানো হয়। তবে চেকের মাধ্যমে নিলে ব্যালেন্স থাকতে হবে কমপক্ষে $100। এর চেয়ে কম টাকা চেকের মাধ্যমে পাবেননা। আর একটি অপশন হলো ব্যাংক ট্রান্সফার। কিন্ত আমাজন শুধু আমেরিকার ব্যাংক একাউন্টে টাকা ট্রান্সফার করে থাকে। আপনার কি আমেরিকার কোনো ব্যাংকে একাউন্ট আছে? প্রায় সবাই বলবেন না নেই। কিন্তু তাতে ঘাবড়ানোর কোনো প্রয়োজন নেই! খুব সহজ সমাধান আছে। Payoneer একাউন্টের মাধ্যমে খুব সহজেই আপনি বাংলাদেশ থেকেও বাংলাদেশের যে কোনো ব্যাংক একাউন্টে টাকা ট্রান্সফার করে নিতে পারবেন। অনলাইনে Payoneer account করা খুবই সোজা এবং এরজন্য কোনো বাড়তি টাকাও খরচ হবেনা। আর ব্যাংক ট্রান্সফারের মাধ্যমে টাকা তোলার সবচেয়ে ভালো দিক হলো মাত্র $10 ব্যালেন্স জমলেই আপনি টাকা পেয়ে যাবেন যেখানে আগেই বলেছি চেকের মাধ্যমে টাকা নিলে ব্যালেন্স থাকতে হবে কমপক্ষে $100! কিভাবে Payoneer একাউন্ট করবেন এবং তা আমাজন এসোসিয়েট একাউন্টের সাথে যোগ করবেন এই বিষয়ে আগামীতে অন্য একটি টিউটোরিয়ালে বিস্তারিত আলোচনা করবো ইনশাআল্লাহ। পেমেন্ট নিয়ে আরো কিছু বিষয়ে পরিস্কার ধারণা রাখতে হবে কাজ শুরুর পূর্বে। না হলে এটি নিয়ে দুশ্চিন্তা আসতে পারে মনে। আপনার আমাজনের একাউন্টে ব্যালেন্স জমার পর টাকা তোলার জন্য আপনাকে কোনো রিকোয়েস্ট পাঠাতে হবেনা বা ক্লেম করতে হবেনা। আপনার মিনিমাম উইথড্রো এমাউন্ট যা ফিক্সড করে দেবেন সেই পরিমাণ ডলার আপনার একাউন্টে থাকলে আমাজন অটোমেটিক মাসের ১/২ তারিখে তা পাঠিয়ে দেবে এবং ইমেইল করে জানিয়ে দেবে। তবে এরমাঝে একটি কিন্তু আছে! বিষয়টি পরিস্কার করেই বলি। মনে করুন আপনি আজকে আমাজনের একটি প্রোডাক্ট সেল করলেন। সাথে সাথেই কমিশন পাবেননা। কমিশন পাবেন প্রোডাক্টটি কাস্টোমারের কাছে শিপমেন্ট হওয়ার পর বা পৌঁছানোর পর। এরপরও আপনার এই ব্যালেন্স চূড়ান্ত হবেনা। কারণ আমাজনের পলিসি অনুযায়ী উক্ত কাস্টমার প্রোডাক্ট পেয়ে সন্তুষ্ট না হলে ৬০ দিন পর্যন্ত সময় পাবে প্রোডাক্টটি ফেরত পাঠানোর। সে যদি প্রোডাক্টটি ফেরত পাঠায় তাহলে আপনার অর্জিত কমিশনটিও ব্যালেন্স থেকে মাইনাস হয়ে যাবে! এজন্য আমাজন, এফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের পেমেন্ট পাঠায় কমিশন আয় করার দুই মাস পর! অর্থাৎ ধরুন আপনি পুরো জানুয়ারী মাসে যে কমিশন আয় করবেন তার পেমেন্ট পাবেন মার্চের ১/২ তারিখে। প্রাথমিকভাবে পেমেন্ট নিয়ে এতোটুকু জানাই যথেষ্ট। পরবর্তীতে আরো বিস্তারিত আলোচনা করা হবে।

আমাজন এফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করতে কি কি যোগ্যতার প্রয়োজন হবে?




আমাজন এফিলিয়েট মার্কেটিং থেকে ভালো টাকা আয় করতে হলে নিঃসন্দেহে আপনাকে অনেক যোগ্যতা অর্জন করতে হবে। বিশেষ করে প্রোফেসনাল হতে হলে অবশ্যই অনেক দক্ষতার প্রয়োজন। তবে শুরু করার জন্য আমি বলবো প্রাথমিকভাবে ইংরেজীতে ভালো হতে হবে। ইংরেজি আর্টিকেল পড়ে তার অর্থ বুঝতে হবে, ইংরেজীতে যোগাযোগ করার মতো ন্যুনতম জ্ঞান থাকতেই হবে। ক্রমান্বয়ে ইংরেজীতে বিভিন্ন পণ্য সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্যবহুল আর্টিকেল লেখার যোগ্যতা অর্জন করতে হবে। কিছু টেকনিক্যাল বিষয় সামনে আসবে। কম্পিউটার, ইন্টারনেট, ওয়েবসাইট ডেভেলপমেন্ট, এসইও ইত্যাদি বিষয়ে যতো দক্ষ হতে থাকবেন ততো সাফল্যে বাড়তে থাকবে।

বাংলাদেশে কি আমাজনের মতো কোনো ওয়েবসাইট আছে যারা এফিলিয়েট মার্কেটিং করার সুযোগ দেয়?


বাংলাদেশে আমার জানা মতে সবচেয়ে জনপ্রিয় আর বিশ্বস্ত ইকমার্স ওয়েবসাইট হলো Daraz bd Ajkerdeal, Rokomari ইত্যাদি। এদের মধ্যে daraz এর এফিলিয়েট প্রোগ্রাম আছে। daraz affiliate নিয়ে আগামীতে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে। তবে Branoo.com নামে একটি ইকমার্স ওয়েবসাইট আছে যাদেরও এফিলিয়েট প্রোগ্রাম আছে। কিন্তু এরা শুরু করলেও খুব বেশি সাড়া না পেয়ে হাল ছেড়ে দিয়েছে। কাজ করতে চেয়েছিলাম তাই ব্যাক্তিগতভাবে যোগাযোগ করেছিলাম এদের সাথে। নিয়মিত সফটওয়্যার আপডেট করাও বাদ দিয়েছেন তারা। এক কথায় ইনএক্টিভ।



আমাজন এফিলিয়েট মার্কেটিং নিয়ে প্রথম টিউটোরিয়ালের এই ছিলো সংক্ষিপ্ত আলোচনা। এ বিষয়গুলো নিয়ে আরো কোনো প্রশ্ন থাকলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন। আগামী টিউটোরিয়ালে আমরা পরবর্তী বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করবো। তাই আমাজন এফিলিয়েট মার্কেটিং নিয়ে পরবর্তী টিউটোরিয়ালটি পড়তে নিয়মিত ব্লগে চোখ রাখুন আর আমাদের সাথেই থাকুন।



আমাজন এফিলিয়েট মার্কেটিং টিউটোরিয়াল, Amazon affiliate marketing tutorial bangla
আমাজন এফিলিয়েট মার্কেটিং

4 comments:

  1. Very nice writing for me. I want to start with you. My mobile: 01716825382 please help me to start.

    ReplyDelete
  2. আমি চশমার ব্যাবসায়ী।এর সাথে আমি চশমার লেন্স ফিটার।মানে অন্য কোনো দোকান চশমার ফ্রেম ও পাওয়ারের প্রেসক্রিপশন আমার কাছে পাঠিয়ে দেয়, আমি সেই পাওয়ারের লেন্স Arrange করে ডাক্তারের নির্দেশমতো ফ্রেমে ফিট করে আবার দোকানে পাঠিয়ে দিই। পরিবর্তে লেন্সের দাম+ফিটিং চার্জ+ব্রেকিং রিস্ক চার্জ নিয়ে থাকি। আমার অনলাইন ব্যবসা সম্পর্কে খুব ভালো অভিজ্ঞতা নেই। এখন আমার প্রশ্ন ১) আমি যদি নিজে ওয়েবসাইট তৈরি করে কাজ শুরু করলে সফল হব কি?
    ২) আমাজনে আমার তৈরি চশমা কিভাবে সেল করব। ৩) আমার দোকান একটু জনবিরল জায়গায়, সেই কারনেই আমি অনলাইনে সেল করার কথা ভাবছি। এবং তার জন্য সবচেয়ে ভালো উপায় কি হতে পারে?
    আপনার মতামত জানার জন্য অপেক্ষায় রইলাম। অসামান্য লেখাটির জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।

    ReplyDelete
  3. আপনার চমৎকার মন্তব্যর জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। আপনার প্রশ্নের সংক্ষিপ্ত উত্তর দেয়ার চেষ্টা করবো।
    ১) অবশ্যই সফল হবেন যদি সঠিকভাবে ধৈর্য্যের সাথে চেষ্টা করেন। এজন্য সময় দিতে হবে, পরিশ্রম এবং কিছু অর্থও ব্যায় করতে হবে।
    ২) এই মুহুর্তে হয়তো আমাজনে সেল করতে পারবেন না তবে বাংলাদেশী ইকমার্স প্ল্যাটফর্ম যেমনঃ দারাজ, আজকের ডিল ডট কম এবং বিক্রয় ডট কমেও আপনার প্রোডাক্ট অনায়াসেই সেল করতে পারবেন।
    ৩) আমার মতে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করে আপনার বর্তমান কাস্টমারদের জানিয়ে দিতে পারেন। তবে ওয়েবসাইটটি এমন হতে হবে যাতে সহজেই কাস্টমাররা প্রোডাক্ট চয়েস করে অর্ডার করতে পারে এবং পেমেন্ট করতে পারে। প্রোডাক্ট ডেলিভারি সিস্টেমও ভালো হতে হবে। অনলাইনে অর্ডারের জন্য প্রথম প্রথম কিছু ডিসকাউন্ট অফার দিতে পারেন। এতে ওয়েবসাইটটি দ্রুত জনপ্রিয় হবে। আর ওয়েবসাইটের জন্য একটি এন্ড্রোয়েড অ্যাপস তৈরি করতে পারলে আরো ভালো হবে। ফেসবুকেও মাঝেমধ্যে বুস্ট করতে হবে!
    সাহস করে শুরু করলে অবশ্যই সফল হওয়া সম্ভব!

    ReplyDelete