Breaking

Translate

Thursday, 10 August 2017

জেমস বন্ড ভক্তদের জন্য সুখবর।আসছে নতুন জেমস বন্ড মুভি!

শীঘ্রই দেখা যাবে নতুন James Bond মুভি।

সর্বশেষ অক্টোবর ২০১৫ তে Spectre মুক্তি পাওয়ার পর এখন পর্যন্ত আর কোনো জেমস বন্ড মুভি তৈরি হয়নি।২০০২ সালে Pierce Brosnan এর সর্বশেষ বন্ড মুভি Die Another Day এর পর থেকে বন্ডের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন Daniel Craig।২০০৬ সালে Casino Royale মুভির মাধ্যমে জেমস বন্ডের ভূমিকায় অভিষেক ঘটে Daniel Craig এর।সেই থেকে ২০১৫ এ Spectre পর্যন্ত মোট চারটি বন্ড মুভিতে দেখা গেছে তাঁকে।এর পর কোনো কারণে বন্ডের ভূমিকায় অভিনয় থেকে সরে যান তিনি।তবে ভক্তদের জন্য সুখবর হলো জেমস বন্ড চরিত্রে আবার ফিরে আসছেন তিনি।ইতোমধ্যেই ৪৭ মিলিয়ন ইউরোয় আরো দুটি বন্ড মুভিতে অভিনয়ের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন।আগামী ২৫ তম বন্ড মুভির  নাম(working title) নির্ধারণ করা হয়েছে Shatterhand।তবে মুভিটি দেখতে দর্শকদের অপেক্ষা করতে হবে আগামী ২০১৯ সালের নভেম্বর পর্যন্ত!আরো বিস্তারিত জানতে আগামী পোস্টের উপর চোখ রাখুন।
News Source: CINEMA BLEND
বাংলাদেশে জেমস বন্ড ভক্ত সচরাচর চোখে পড়েনা। অন্তত আমার সাথে এখনও এমন কারো ব্যাক্তিগতভাবে পরিচয় হয়নি যে নিজেকে জেমস বন্ড ভক্ত বলে পরিচয় দিয়েছে! তবে কয়েকজনের মুখে শুনেছি তারা অন্তত জেমস বন্ডের নামটি শুনেছে। কেউবা দুএকটি মুভি দেখেছে! আমার ঘনিষ্ঠ কয়েকজন তো আমার মাধ্যমেই জেমস বন্ড নামের সাথে পরিচিত হয়েছে!ভক্ত যে একেবারেই নেই তা নয়। তবে বলিউড মুভি, কলকাতার মুভি,বাংলা নাটকের ভক্তের মতো এতো উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নেই। এমনিতেই হলিউড মুভির ভক্ত এদেশে তুলনামূলকভাবে কম। আমার ধারণা মোটামুটি উচ্চশিক্ষিতদের মধ্যে ছাড়া হলিউড মুভি বা জেমস বন্ড ভক্ত খুঁজে পাওয়া যাবেনা।




ব্যাক্তিগতভাবে আমার জেমস বন্ডের সাথে প্রথম পরিচয় মুভির মাধ্যমে নয় বরং জেমস বন্ড সিরিজের উপন্যাসের মাধ্যমে! ছোটবেলা থেকেই বিভিন্ন বই পড়ার অভ্যাস ছিলো। এ অভ্যাসটা সাপোর্ট করতেন আমার বাবা। তাই শহরে গেলেই আমার জন্য নিত্য নতুন বই নিয়ে আসতেন। জানতেন সবচেয়ে বেশি খুশি হতাম গল্প, উপন্যাসের বই হাতে পেলে। স্কুলে পড়ার সময় এমনি একদিন নিয়ে এলেন ব্রিটিশ লেখক ইয়ান ফ্লেমিংয়ের লেখা জেমস বন্ড সমগ্রের অনুবাদ। হাতে পেয়ে যখন পড়া শুরু করলাম মনের মধ্যে যেনো ঝড় বইতে শুরু করলো। শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত গোগ্রাসে গিলতে লাগলাম আর জীবনের সব চিন্তা ভাবনা উলট পালট হতে লাগলো! সত্যিকারের এডভেঞ্চার অনুভব হতে লাগলো। যখন পড়ে শেষ করলাম তখন আমি যেনো এক নতুন মানুষ। একটাই চিন্তা সবদিক থেকে জেমস বন্ডের মতো হতে হবে।

বইয়ের ভূমিকাতেই জেমস বন্ড চরিত্র অবলম্বনে যে মুভি তৈরি হয়েছে তা জানতে পারলাম। ইতোমধ্যেই জেমস বন্ড ভক্ত হয়ে গেছি পুরোপুরি তাই মুভিগুলো দেখার আগ্রহ ছিলো তীব্র। অনেক খুঁজে বেশ কিছু মুভির সিডি ডিস্ক সংগ্রহ করে দেখে ফেলি। একেকটা মুভি দেখা হয়েছে অনেক বার করে।

ইয়ান ফ্লেমিংয়ের উপন্যাসের কাল্পনিক চরিত্র জেমস বন্ড একজন ব্রিটিশ গুপ্তচর যার সাংকেতিক কোড নেম 007। তার দুঃসাহসিক অভিযানগুলো পড়তে চাইলে সংগ্রহ করতে পারেন জেমস বন্ড সমগ্রের বাংলা অনুবাদ বই। আমার সংগ্রহের বইটি নিয়ে একটি দুঃখ এখনো রয়ে গেছে। আসলে বন্ধু বান্ধবদের মাঝে আমারই ছিলো বই কিনে সংগ্রহ করার নেশা। অনেক বন্ধুই আমার কাছ থেকে বইগুলো ধার নিয়ে পড়তো। কেউ দু একটি বই মেরে দেয়ার চেস্টাও করতো। আমার জেমস বন্ড সমগ্রটি এক বন্ধু ধার নেয়। দীর্ঘদিন পর ফেরত পাওয়ার পর এতো সুন্দর হার্ড কভারের যে বেহাল অবস্থায় বইটি ফেরত পাই তাতে ভীষণ দুঃখিত হই কিন্তু কিছুই করার ছিলোনা! এখনো সেই অবস্থাতেই যত্ন করে রাখা আছে।




যাই হোক এই ব্লগটি কোনো নিউজ চ্যানেল নয়, আমার ব্যাক্তিগত ব্লগ তাই ব্যাক্তিগত কথাগুলো শেয়ার করলাম পাঠকের সাথে। আপনার আশেপাশের বইয়ের দোকানে বইটি খুঁজে না পেলে সহজেই কিনতে পারবেন রকমারি থেকে। ই বুক খুঁজে দেখেছি পাইনি। তাই কোনো ডাউনলোড লিংক দিতে পারলাম না। 

No comments:

Post a Comment