Breaking

Translate

Saturday, 16 February 2019

February 16, 2019

২০১৯ সালের এসএসসি পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ, এসএসসি রুটিন ২০১৯ ডাউনলোড করুন

২০১৯ সালের এসএসসি পরীক্ষার রুটিন, দাখিল রুটিন ২০১৯ প্রকাশিত হয়েছে।সকল বোর্ডের এসএসসি রুটিন ২০১৯ ডাউনলোড করুন।





প্রিয় এসএসসি পরীক্ষার্থী বন্ধুরা আশা করি সবাই ভালো আছো।প্রকাশ হয়েছে ২০১৯ সালের এসএসসি পরীক্ষার রুটিন।পরীক্ষা শুরু ২রা ফেব্রুয়ারি ২০১৯ থেকে এবং শেষ হবে ২৫শে ফেব্রুয়ারি ২০১৯!সবাই নিশ্চয়ই এসএসসি ২০১৯ পরীক্ষার জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত। চূড়ান্ত প্রস্তুতির জন্য সবাই পড়াশোনায় ব্যাস্ত সময় পার করছো কারণ হাতে আর খুব বেশি সময় নেই। ২২শে নভেম্বর ২০১৮ প্রকাশিত হয়েছে এসএসসি রুটিন ২০১৯। সবাই এস এস সি রুটিন ২০১৯ হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করছো।ফরম ফিলাপ শেষেই প্রকাশিত হলো রুটিন।সকল বোর্ডের ssc পরীক্ষার রুটিন 2019 একই। ২০১৭ সাল  পর্যন্ত ভিন্ন ভিন্ন বোর্ডের এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্ন ভিন্ন ভিন্ন হতো। ২০১৮ সাল থেকে সকল বোর্ডের এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্ন অভিন্ন হচ্ছে।ফলে সকল বোর্ডের জন্য একটিই রুটিন।ssc রুটিন ২০১৯ প্রকাশিত হওয়ার সাথে সাথেই তা আমাদের সমকাল ব্লগে প্রকাশ করা হলো।

যারা অনলাইনে এসএসসি পরীক্ষা ২০১৯ রুটিন ডাউনলোড করতে চাও তারা আমাদের ব্লগ থেকেই তা করতে পারো। এখানে একইসাথে দাখিল পরীক্ষার রুটিন ২০১৯ ও প্রকাশ করা হলো।



তোমরা জেনে আরো খুশি হবে যে আমরা সমকাল ব্লগে তোমাদের সুবিধার জন্য অভিজ্ঞ শিক্ষক দ্বারা প্রণীত এসএসসি সাজেশন ২০১৯ প্রকাশ করতে যাচ্ছি।এছাড়াও তোমরা সবাই জানো রুটিন প্রকাশ হওয়ার পরও পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে বিভিন্ন কারণে পরীক্ষার পূর্ব নির্ধারিত সময়সূচি অনেকসময় পরিবর্তন হয়ে যায়!সে ধরণের কিছু ঘটলেও আমরা তা যথাসময়ে জানিয়ে দেবো। কাজেই  2019 সালের ssc পরীক্ষার রুটিন এবং সাজেশন পেতে হলে নিয়মিত পড়তে হবে আমাদের সমকাল ব্লগ

এদিকে বিশ্ব ইজতেমার কারণে চলমান এসএসসি পরীক্ষার সময়সূচিতে কিছু পরিবর্তন হয়েছে।পরীক্ষার্থীদের সুবিধার জন্য বিষয়টি বিস্তারিত তুলে ধরা হলো :

১৬ ফেব্রুয়ারির অনুষ্ঠিতব্য রসায়ন, ব্যবসায় উদ্যোগ ও পৌরণীতি ও নাগরিকতা বিষয়ক পরীক্ষাটি ২৬ ফেব্রুয়ারি সকাল দশটায় অনুষ্ঠিত হবে। ১৭ তারিখ অনুষ্ঠিতব্য গার্হস্থ্য বিজ্ঞান, কৃষি শিক্ষা, সংগীত, বাংলা ভাষা সাহিত্য, ইংরেজি ভাষা সাহিত্য পরীক্ষাটি ২৭ ফেব্রুয়ারি সকাল দশটায় অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া ১৮ ফেব্রুয়ারির জীববিজ্ঞান ও অর্থনীতি পরীক্ষা ২ মার্চ সকাল দশটায় অনুষ্ঠিত হবে।

অপরদিকে ২৬ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য সঙ্গীত বিষয়ের ব্যবহারিক পরীক্ষা ৩ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া অন্যান্য বিষয়ে ব্যবহারিক পরীক্ষা ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৫ মার্চ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও তা ৪ মার্চ থেকে ১০ মার্চ পর্যন্ত গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছে যশোর শিক্ষা বোর্ড।
খবর : দৈনিক শিক্ষা

২য় দফায় পরিবর্তন হয়েছে এসএসসি পরীক্ষার রুটিন।সাধারণ আটটি শিক্ষা বোর্ডের বুধবার ১৩ ফেব্রুয়ারির এসএসসি পরীক্ষা আগামী ২ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে।

মঙ্গলবার ১২ই ফেব্রুয়ারি আট শিক্ষা বোর্ড থেকে আলাদাভাবে এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। বুধবার এসএসসি’র ক্যারিয়ার শিক্ষা পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল।অনিবার্য কারণবশত এ পরীক্ষা পেছানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

আগামী ২ মার্চ দুপুর ২টায় এ পরীক্ষা শুরু হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।

২০১৯ সালের এসএসসি পরীক্ষার রুটিন


 এস এস সি রুটিন ২০১৯ ডাউনলোড pdf 


 এসএসসি সাজেশন ২০১৯ 


এস এস সি রুটিন ২০১৯ ছবি আকারে নিচে দেয়া হলো :

এস এস সি রুটিন ২০১৯
২০১৯ সালের এসএসসি পরীক্ষার রুটিন
এসএসসি রুটিন ২০১৯

দাখিল রুটিন ২০১৯ এবং ভোকেশনাল রুটিন ২০১৯ ডাউনলোড :





আমরা জানি এসএসসি পরীক্ষা দেশের মোট আটটি মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত হয়। বোর্ডগুলো হলো : ঢাকা , রাজশাহী, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, দিনাজপুর এবং সিলেট।

এসএসসি পরীক্ষার মতো মাদ্রাসার দাখিল এবং কারিগরির ভোকেশনালও সমমানের পরীক্ষা। দাখিল পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় মাদ্রাসা বোর্ডের অধীনে এবং ভোকেশনাল পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে।

এসএসসি রুটিন ২০১৯ ২২শে নভেম্বর প্রকাশিত হলেও দাখিল রুটিন ২০১৯ প্রকাশিত হলো ১লা ডিসেম্বর।এসএসসির মতো দাখিল পরীক্ষাও শুরু হবে ২রা ফেব্রুয়ারি।তবে দাখিল তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষ হবে ২৭শে ফেব্রুয়ারি।এরপর ব্যবহারিক পরীক্ষা।ভোকেশনাল রুটিন ২০১৯ এখনো প্রকাশিত হয়নি। মাদ্রাসা বোর্ডের ওয়েবসাইটে দাখিল পরীক্ষার সময়সূচি ২০১৯ প্রকাশ করা হয়েছে।কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে ভোকেশনাল পরীক্ষা ২০১৯ এর সময়সূচি প্রকাশ হওয়া মাত্রই আমরা তা জানিয়ে দেবো। কাজেই প্রিয় দাখিল ও ভোকেশনাল পরীক্ষার্থী  বন্ধুরা যথাসময়ে পরীক্ষার রুটিন ডাউনলোড করতে নিয়মিত আমাদের সমকাল ব্লগে চোখ রাখতে হবে।

২০১৯ সালের দাখিল পরীক্ষার রুটিন ডাউনলোড করুন 
২০১৯ সালের ভোকেশনাল পরীক্ষার রুটিন ডাউনলোড করুন

এসএসসি পরীক্ষার প্রবেশপত্র

এসএসসি পরীক্ষার প্রবেশপত্র পরীক্ষার্থীদের নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে সংগ্রহ করতে হবে।২০১৯ সালের এসএসসি পরীক্ষার প্রবেশপত্র বিতরণ শুরু হয়েছে।পরীক্ষার্থীদের যত দ্রুত সম্ভব পরীক্ষার প্রবেশপত্র সংগ্রহ করা উচিৎ।প্রবেশপত্রে কোনো ভুল ত্রুটি থাকলে তা সংশোধনের জন্য ২২-৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত সময় দেয়া হয়েছে।তবে ভুলত্রুটি থাকলেও এতে শিক্ষার্থীদের ঘাবড়ানোর প্রয়োজন নেই কারণ ভুল ত্রুটির জন্য সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানকেই দায়ী করা হবে এবং ভুল ত্রুটি থাকলে তা সংশোধনের আবেদন করতে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানকেই নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

বিশেষ নির্দেশনাবলী :
  1. পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট পূর্বে অবশ্যই পরীক্ষার্থীদেরকে পরীক্ষা কক্ষে আসন গ্রহণ করতে হবে।
  2. প্রশ্নপত্রে উল্লেখিত সময় অনুযায়ী পরীক্ষা গ্রহণ করতে হবে।
  3. প্রথমে বহুনির্বাচনী ও পরে সৃজনশীল / রচনামূলক (তত্ত্বীয়)  পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এবং উভয় পরীক্ষার মধ্যে কোনো বিরতি থাকবে না।
  4. পরীক্ষার্থীগণ তাদের প্রবেশপত্র নিজ নিজ প্রতিষ্ঠান প্রধানের নিকট হতে পরীক্ষা আরম্ভের কমপক্ষে তিন দিন পূর্বে সংগ্রহ করবে।
  5. ২০১৬-১৭, ২০১৭-১৮ শিক্ষা বর্ষের পরীক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে শারিরীক শিক্ষা, স্বাস্থ্যবিজ্ঞান ও খেলাধুলা এবং ক্যারিয়ার শিক্ষা বিষয়সমূহ এনসিটিবি এর নির্দেশনা অনুসারে ধারাবাহিক মূল্যায়নের মাধ্যমে প্রাপ্ত নম্বর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহ সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রকে সরবরাহ করবে। সংশ্লিষ্ট কেন্দ্র ব্যাবহারিক পরীক্ষার নম্বরের সাথে ধারাবাহিক মূল্যায়নে প্রাপ্ত নম্বর বোর্ডের ওয়েবসাইটে অনলাইনে প্রেরণ করবে।
  6. পরীক্ষার্থীগণ তাদের নিজ নিজ উত্তরপত্রের OMR ফরমে তার পরীক্ষার রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, বিষয় কোড ইত্যাদি যথাযথভাবে লিখে বৃত্ত ভরাট করবে। কোনো অবস্থাতেই উত্তরপত্র ভাঁজ করা যাবেনা।
  7. প্রত্যেক পরীক্ষার্থী কেবলমাত্র নিবন্ধনপত্রে বর্ণিত বিষয়/ বিষয়সমূহের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে। কোনো অবস্থাতেই ভিন্ন বিষয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে না।
  8. কোনো পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা ( সৃজনশীল / রচনামূলক (তত্ত্বীয়) বহুনির্বাচনী ও ব্যাবহারিক)  নিজ বিদ্যালয় /প্রতিষ্ঠানে অনুষ্ঠিত হবেনা। পরীক্ষার্থী স্থানান্তরের মাধ্যমে আসন বিন্যাস করতে হবে।
  9. পরীক্ষার্থীগণ পরীক্ষায় সাধারণ, সায়েন্টিফিক ক্যালকুলেটর ব্যবহার করতে পারবে। কেন্দ্র সচিব ছাড়া কোনো ব্যাক্তি / পরীক্ষার্থী পরীক্ষা কেন্দ্রে মোবাইল ফোন আনতে এবং ব্যবহার করতে পারবে না।
  10. সৃজনশীল / রচনামূলক ( তত্তীয়) , বহুনির্বাচনী ও ব্যাবহারিক পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীর উপস্থিতির জন্য একই উপস্থিতি পত্র ব্যবহার করতে হবে।
  11. ব্যাবহারিক পরীক্ষা স্ব স্ব কেন্দ্র /ভেন্যুতে অনু্ষ্ঠীত হবে।
  12. পরীক্ষার ফল প্রকাশের সাত দিনের মধ্যে পুনঃনীরিক্ষার জন্য অনলাইনে এসএমএস এর মাধ্যমে আবেদন করতে হবে।

এসএসসি প্রশ্ন ফাঁস

বাংলাদেশে পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে যথেষ্ট হইচই হয়।এটি বর্তমানে বাংলাদেশে ব্যাপকভাবে আলোচিত একটি সমস্যা।তবে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মণি বলেছেন এর ৮০ ভাগই গুজব।তিনি এসব গুজব থেকে সচেতন থাকার জন্য শিক্ষার্থী,অভিভাবকদের অনুরোধ করেছেন।তবে এসবের মাঝে যে ২০ ভাগ সত্যতা রয়েছে সেটিও রোধ করার জন্য পদক্ষেপ নেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।প্রশ্ন পত্র ফাঁস রোধে ২৭শে জানুয়ারি থেকে ২৭শে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সকল কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।এছাড়া নির্দেশ রয়েছে কেন্দ্র সচিব ছাড়া পরীক্ষা কেন্দ্রের কেউ মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবেন না।এমনকি কেন্দ্র সচিবের ফোনটিও হতে হবে সাধারণ মানের অর্থাৎ যা দিয়ে শুধু কথা বলা যাবে।প্রশ্ন পত্র পাঠানো হবে এলুমিনিয়াম ফয়েল প্যাকে।পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষার ৩০ মিনিট পূর্বে কেন্দ্রে উপস্থিত হতে হবে।

February 16, 2019

সেনাবাহিনী নিয়োগ ২০১৯ | বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি

সেনাবাহিনী নিয়োগ ২০১৯

সেনাবাহিনী নিয়োগ ২০১৯।বাংলাদেশ সেনাবাহিনী একটি স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান।অনেক তরুনের স্বপ্ন থাকে সেনাবাহিনীতে চাকরি করার।এজন্য সেনাবাহিনী নিয়োগ এর জন্য অনেকেই উদগ্রীব থাকেন।তবে সবসময় সেনাবাহিনী নতুন নিয়োগ পাওয়া যায়না।সেনাবাহিনীর সার্কুলার ২০১৯ এর জন্য যারা অপেক্ষা করছেন তাদের জন্য সুখবর হলো আলোচ্য লেখাটিতে আমরা বিশদভাবে জানবো সেনাবাহিনী নিয়োগ 2019।সেনাবাহিনী নিয়োগ ২০১৯ সম্পর্কে সবসময় সর্বশেষ আপডেট জানতে নিয়মিত পড়ুন সমকাল ব্লগ।

সৈনিক পদে নিয়োগ ২০১৯




সৈনিক পদে নিয়োগ ২০১৯ এর জন্য সেনাবাহিনী নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছিলো অনেক পূর্বেই।সেনাবাহিনীর চাকরির খবর প্রকাশিত হওয়ার পরে আবেদন প্রক্রিয়া চলে ১লা ডিসেম্বর ২০১৮ থেকে ৩১শে ডিসেম্বর ২০১৮ পর্যন্ত।এসএমএসের মাধ্যমে সঠিকভাবে যারা আবেদন করেছেন তারা সৈনিক পদে  নির্ধারিত সেনানিবাসে ২০শে জানুয়ারি থেকে ১৩ই জুন পর্যন্ত পরীক্ষা দিতে পারবেন।এসএমএসের মাধ্যমে আবেদনের সময়সীমা ইতোমধ্যেই শেষ হয়ে গেছে।বর্তমানে সৈনিক পদে সেনাবাহিনীতে নতুন নিয়োগ নেই।সৈনিক পদে সেনাবাহিনী নিয়োগ ২০১৯ পুনরায় শুরু হলে তা সমকাল ব্লগের পাঠকদের সময়মতো জানিয়ে দেয়া হবে।

এদিকে ২৫শে ফেব্রুয়ারি ২০১৯ তারিখ হতে ২৭শে ফেব্রুয়ারি ২০১৯ তারিখ পর্যন্ত মিনিস্ট্রি অব ডিফেন্স কনস্ট্যাবিউলারি (এমওডিসি) সেন্টার এন্ড রেকর্ডস রাজেন্দ্রপুর সেনানিবাস কতৃক নির্ধারিত জেলা কোটা অনুযায়ী এমওডিসিতে সৈনিক পদে লোক ভর্তি করা হবে।
যোগ্যতা :
বয়স : ১০ মার্চ ২০১৯ তারিখে ১৭ হতে ২৫ বছর
শিক্ষাগত যোগ্যতা : এসএসসি / সমমান পরীক্ষায় ন্যুনতম জিপিএ ২ পেয়ে উত্তীর্ণ।
আরও বিস্তারিত জানতে সেনাবাহিনী নিয়োগ ২০১৯ সার্কুলার ডাউনলোড করুন https://www.army.mil.bd ওয়েবসাইট থেকে

সেনাবাহিনী বেসামরিক নিয়োগ ২০১৯




বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বেসামরিক নিয়োগ ২০১৯ প্রকাশিত হয়েছে। বিভিন্ন পদে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন মিলিটারি ইন্জিনিয়ার সার্ভিসেস এমইএস এ নিয়োগ দেবে সেনাবাহিনী।
  • ১১টি পদে মোট ৯৭ জনকে নিয়োগ দেয়া হবে
  • আবেদনকারীর শিক্ষাগত যোগ্যতা পদ ভেদে অক্ষরজ্ঞান থেকে স্নাতক পর্যন্ত
  • ১৪তম থেকে ২০তম গ্রেডে নিয়োগ দেয়া হবে
  • আবেদনকারীর বয়স ১৩ই মার্চ ২০১৯ তারিখে ১৮ থেকে ২০ বছরের মধ্যে হতে হবে
  • অনলাইনে আবেদনপত্র এবং ফী জমাদানের শুরুর তারিখ ২০শে ফেব্রুয়ারি এবং শেষ তারিখ ১৩ই মার্চ ২০১৯
  • আবেদন করতে হবে http://mes.teletalk.com.bd ওয়েবসাইটে
  • বিস্তারিত তথ্য রয়েছে নিচের সার্কুলারে
সেনাবাহিনী নিয়োগ ২০১৯


নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী বোর্ড।৩৭টি জেলায় সশস্ত্র বাহিনী বোর্ড অফিসে দুজন করে লোক নিয়োগ দেয়া হবে।
করণিক (ইউডিএ) গ্রেড-১৪ বেতন ১০২০০-২৪৬৮০/=
অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক গ্রেড-১৬ বেতন ৯৩০০-২২৪৯০/=
আবেদনের শেষ তারিখ ২৪শে ফেব্রুয়ারি ২০১৯
আবেদনের যোগ্যতা,আবেদনের নিয়ম কানুনসহ
বিস্তারিত জানতে,নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ডাউনলোড করতে এবং নির্দিষ্ট আবেদন ফরম সংগ্রহ করতে ভিজিট করুন http://basb.gov.bd/Available_Jobs.php?Q=inDHAKA

সেনাবাহিনীর অফিসার পদে নিয়োগ

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী অফিসার নিয়োগ ২০১৯ চলছে।
কোর্স : ৮৩ তম বিএমএ দীর্ঘমেয়াদী কোর্স।
সেনাবাহিনীর অফিসার পদে নিয়োগ পেতে হলে ন্যুনতম কিছু যোগ্যতার প্রয়োজন হয়।নিম্নে বিষয়গুলো বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।


  • শারীরিক যোগ্যতা (ন্যুনতম):
  • শারীরিক যোগ্যতা পুরুষ মহিলা
    উচ্চতা ৫'৪" ৫'২"
    ওজন ৫০ কেজি ৪৭ কেজি
    বুক স্বাভাবিক ৩০'
    প্রসারণ ৩২'
    স্বাভাবিক ২৮'
    প্রসারণ ৩০'
  • শিক্ষাগত যোগ্যতা (ন্যুনতম): মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক/সমমানের পরীক্ষায় যে কোনো একটিতে জিপিএ ৫ এবং অপরটিতে ৪.৫০।
  • বৈবাহিক অবস্থা : অবিবাহিত।
  • জাতীয়তা : জন্মসূত্রে বাংলাদেশী নাগরিক।
  • ডেডলাইন : ২৩শে ফেব্রুয়ারি ২০১৯।

অনলাইনে আবেদন করতে ভিজিট করুন https://joinbangladesharmy.army.mil.bd
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নিয়োগ





Friday, 15 February 2019

February 15, 2019

মাস্টার্স ফাইনাল রেজাল্ট ২০১৯ দেখুন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ওয়েবসাইটে

মাস্টার্স ফাইনাল রেজাল্ট ২০১৯,জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় মাস্টার্স ফাইনাল রেজাল্ট ২০১৯ দেখুন সমকাল ব্লগে।যারা মাস্টার্স ফাইনাল পরীক্ষা ২০১৮ দিয়েছেন তাদের জন্য এই লেখাটি।মাস্টার্স ফাইনাল ফলাফল ২০১৯ প্রকাশিত হবে শীঘ্রই।মাস্টার্স শেষ পর্ব রেজাল্ট ২০১৯ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে সমকাল ব্লগে।

মাস্টার্স ফাইনাল রেজাল্ট ২০১৯ পরীক্ষা

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার্স শেষ পর্বের পরীক্ষা অনু্ষ্ঠিত হয়েছে ২৭শে অক্টোবর ২০১৮ থেকে ৮ই ডিসেম্বর ২০১৮ পর্যন্ত।৩১টি বিষয়ে মোট ২ লাখ পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে পরীক্ষায়।



২০১৬ সালের মাস্টার্স ফাইনাল পরীক্ষার রেজাল্ট

২০১৬ সালের এবং ২০১৫-১৬ শিক্ষা বর্ষের জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় মাস্টার্স ফাইনাল পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে ২০১৮ সালে।মাস্টার্স ফাইনাল ফলাফল ২০১৯ দেখার সহজ উপায় বর্ণনা করা হয়েছে সমকাল ব্লগে।

মাস্টার্স ফাইনাল রেজাল্ট ২০১৯ দেখুন এসএমএস এর মাধ্যমে

মাস্টার্স শেষ পর্বের ফলাফল দেখার জন্য সহজ পদ্ধতি হলো মোবাইল ফোনের এসএমএস পদ্ধতি।এসএমএসের মাধ্যমে মাস্টার্স ফাইনাল ফলাফল দেখার পদ্ধতি দেখানো হয়েছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে।আমাদের সমকাল ব্লগেও তা তুলে ধরা হলো।
  • প্রথমে মোবাইলের এসএমএস অপশনে টাইপ করুন NU MF Registration/Roll number
  • পাঠিয়ে দিন ১৬২২২ নম্বরে
  • উদাহরণ : NU MF 0123456 [Send to 16222]

মাস্টার্স ফাইনাল রেজাল্ট ২০১৯ দেখুন অনলাইনে




জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল রেজাল্ট অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়।মাস্টার্স ফাইনাল রেজাল্ট ২০১৯ মার্কশীটসহ বিস্তারিত দেখতে
  1. প্রথমে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অফিশিয়াল ওয়েবসাইট www.nu.ac.bd/results/ ওপেন করতে হবে
  2. বামপাশের সাইড বার থেকে Masters সিলেক্ট করতে হবে
  3. এরপর Masters Final সিলেক্ট করতে হবে
  4. এরপর Individual Result সিলেক্ট করতে হবে
  5. Registration/Roll Number দিতে হবে
  6. Exam Year সিলেক্ট করতে হবে
  7. সর্বশেষ ক্যাপচা কোড বসিয়ে Search Result এ ক্লিক করলেই দেখা যাবে কাঙ্ক্ষিত রেজাল্ট

মাস্টার্স ফাইনাল রেজাল্ট ২০১৯ সম্পর্কে আরো কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করে জানাতে পারেন আমাদের।
মাস্টার্স ফাইনাল রেজাল্ট ২০১৯




Monday, 11 February 2019

February 11, 2019

এসএসসি রেজাল্ট ২০১৯ প্রকাশিত | এস এস সি পরীক্ষার ফলাফল ২০১৯ দেখুন





এসএসসি রেজাল্ট ২০১৯ প্রকাশিত

এসএসসি রেজাল্ট ২০১৯ প্রকাশিত হওয়ার সাথে সাথেই ফলাফলের বিস্তারিত আমরা পাঠকদের জানিয়ে দেবো।পাশের হার,জিপিএ ৫ সহ বিস্তারিত তথ্য সমকাল ব্লগের পাঠকদের জানিয়ে দেয়া হবে।এজন্য প্রিয় এসএসসি পরীক্ষার্থী বন্ধু এবং তাদের অভিভাবক,শুভানুধ্যায়ীগণ দ্রুত এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল ২০১৯ এবং নাম্বার সহ এসএসসি রেজাল্ট ২০১৯ পেতে নিয়মিত চোখ রাখুন সমকাল ব্লগে।একইসঙ্গে মাদ্রাসা বোর্ডের দাখিল পরীক্ষার ফলাফল ২০১৯ এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ভোকেশনাল পরীক্ষার ফলাফল ২০১৯ সম্পর্কেও বিস্তারিত জানা যাবে সমকাল ব্লগে।

এসএসসি পরীক্ষা ২০১৯ সম্পর্কে কিছু সাধারণ তথ্য

২রা ফেব্রুয়ারি শুরু হয় এসএসসি পরীক্ষা ২০১৯ এবং ২০১৯ সালের এসএসসি পরীক্ষার রুটিন অনুযায়ী ২৬ শে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলে তত্ত্বীয় পরীক্ষা।এবছর মোট একুশ লাখ পঁয়ত্রিশ হাজার তিনশত তেত্রিশ জন পরীক্ষার্থী মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষায় অংশ নেয় যার মাঝে ছাত্র ১০ লাখ ৭০ হাজার ৪৪১ জন এবং ছাত্রী ১০ লাখ ৬৪ হাজার ৮৯২ জন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দেয়া তথ্য অনুযায়ী গতবছরের তুলনায় এবছর এসএসসি পরীক্ষার্থী বেড়েছে ১ লাখ ৩ হাজার ৪৩৪ জন।এবার আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে এসএসসি পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৭ লাখ ১০২ জন।মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষার্থী ৩ লাখ ১০ হাজার ১৭২ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ১ লাখ ২৫ হাজার ৫৯ জন পরীক্ষার্থী রয়েছে।মোট পরীক্ষা কেন্দ্রের সংখ্যা ৩ হাজার ৪৯৭টি এবং পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী মোট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ২৮ হাজার ৬৮২টি।এছাড়া বিদেশি আটটি পরীক্ষা কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় মোট ৪৩৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়।

এসএসসি ২০১৯ ফলাফল কবে হবে




এসএসসি পরীক্ষা ২০১৯ রেজাল্ট কবে প্রকাশিত হবে তা এখনো স্পষ্ট নয়।আনুষ্ঠানিকভাবে পরীক্ষার ফলাফলের তারিখ ঘোষণা হওয়ার পরই তা আমরা পাঠকদের জানিয়ে থাকি।এজন্য ssc রেজাল্ট ২০১৯ এর সঠিক তারিখ জানতে নিয়মিত পড়ুন সমকাল ব্লগ।

এসএসসি রেজাল্ট ২০১৯ দেখার উপায়

নাম্বার সহ রেজাল্ট ssc দেখার সবচেয়ে সাধারণ উপায় হলো নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে পরীক্ষার ফলাফল সংগ্রহ করা।সেইসাথে মোবাইল ফোনের এসএমএসের মাধ্যমে এবং ওয়েবসাইট থেকেও দ্রুত এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল দেখার উপায় তো রয়েছেই।

মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমে এসএসসি রেজাল্ট ২০১৯ দেখার নিয়ম





  • প্রথমে ফোনের এসএমএস অপশনে লিখুন SSC
  • একটি স্পেস দিয়ে লিখুন নিজের শিক্ষা বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর
  • আরেকটি স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখুন
  • সর্বশেষ আরেকটি স্পেস দিয়ে 2019 লিখে পাঠিয়ে দিন 16222 নম্বরে যে কোনো অপারেটর থেকে
  • যেমনঃ SSC SYL 012345 2019 Send to 16222

সকল বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর জানতে দেখুন জেএসসি রেজাল্ট ২০১৯
এছাড়া নিচের তালিকা থেকেও দেখে নিতে পারেন সকল বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর :
First Three
Letters
Board Name
DHA Dhaka Board
BAR Barisal Board
SYL Sylhet Board
COM Comilla Board
CHI Chittagong Board
RAJ Rajshahi Board
JES Jessore Board
DIN Dinajpur Board
MAD Madrasha Board

ওয়েবসাইট থেকে ইন্টারনেটে এসএসসি রেজাল্ট ২০১৯ দেখার নিয়ম


  • প্রথমে শিক্ষা বোর্ডের সরকারি অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে
  • নিচের ছবির মতো একটি পেজ আসবে।এখানে SSC/Dakhil অথবা SSC(Vocational) সিলেক্ট করতে হবে
  • পরীক্ষার বছর অর্থাৎ ২০১৯ সিলেক্ট করতে হবে
  • নিজের বোর্ড সিলেক্ট করতে হবে
  • রোল,রেজিস্ট্রেশন নম্বর সঠিকভাবে দিয়ে submit বাটনে ক্লিক করতে হবে
এসএসসি রেজাল্ট ২০১৯,এস এস সি পরীক্ষার ফলাফল ২০১৯


এসএসসি পরীক্ষার জিপিএ পদ্ধতি




২০০১ সালে যখন প্রথম জিপিএ পদ্ধতি শুরু হয় সেবছর জিপিএ ৫ পেয়েছিলো কতো জন জানেন কি?শুনলে অনেকেই চমকে যাবেন!মাত্র ৭৬ জন!যেখানে ২০১৭ সালে এসে সংখ্যাটি দাঁড়িয়েছে ১,০৪,৭৬১ জন!প্রায় ১৩৭৯ গুণ বেশি!সর্বশেষ ২০১৮ সালের এসএসসির ফলাফল অনুযায়ী সংখ্যাটি এখন ১ লাখ ১০ হাজার ৬২৯ জন।

যে হারে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ ৫ অর্জনকারী বেড়েছে সে হারে শিক্ষার মান বেড়েছে কিনা তা নিয়ে অনেকেই সন্দিহান। ইতোমধ্যেই শিক্ষার্থীদের শিক্ষার মান নিয়ে বিভিন্ন মিডিয়ায় নেতিবাচক রিপোর্ট দেখা গেছে ।দেখা গেছে জিপিএ ৫ পাওয়া ছাত্র হওয়া সত্ত্বেও একেবারে সাধারণ প্রশ্নেরও সঠিক উত্তর দিতে পারেনি অনেকে। ইদানীং জিপিএ ৫ বিক্রি হওয়ার মতো শিক্ষা বিধ্বংসী বিষয়ও উঠে এসেছে বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলের রিপোর্টে! দেশের শিক্ষার মান উন্নত হোক এটি সকলেই চান। তবে তা যেনো শুধু কাগজে কলমে লোক দেখানোর জন্য না হয় ।এতে করে শুধু যে শিক্ষা ব্যাবস্থাই ধ্বংস হবে তা নয় বরং দেশ বঞ্চিত হবে দক্ষ এবং শিক্ষিত জনশক্তি থেকে।

ধারাবাহিকভাবে ২০০১ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত এসএসসিতে জিপিএ ৫ অর্জনকারী ছাত্রছাত্রীদের সংখ্যা নিম্নে দেয়া হলো। 
১)২০০১ সালে ৭৬ জন।
২)২০০২ সালে ৩২৭ জন।
৩)২০০৩ সালে ১,৩৮৯ জন।
৪)২০০৪ সালে ৮,৫৯৭ জন।
৫)২০০৫ সালে ১৫,৬৩১ জন।
৬)২০০৬ সালে ২৪,৩৮৪ জন।
৭)২০০৭ সালে ২৫,৭৩২ জন।
৮)২০০৮ সালে ৪১,৯১৭ জন।
৯)২০০৯ সালে ৪৫,৯৩৪ জন।
১০)২০১০ সালে ৬২,১৩৪ জন।
১১)২০১১ সালে ৬২,২৮৮ জন।
১২)২০১২ সালে ৮২,২১২ জন।
১৩)২০১৩ সালে ৯১,২২৬ জন।
১৪)২০১৪ সালে ১,৪২,২৭৬ জন!
১৫)২০১৫ সালে ১,১১,৯০১ জন!
১৬)২০১৬ সালে ১,০৯,৭৬১ জন!
১৭)২০১৭ সালে ১,০৪,৭৬১ জন!
১৮) ২০১৮ সালে ১ লাখ ১০ হাজার ৬২৯ জন।

এসএসসি রেজাল্ট, জিপিএ ৫
এসএসসি রেজাল্ট ২০০২




Saturday, 2 February 2019

February 02, 2019

এসএসসি বাংলা সাজেশন ২০১৯

এসএসসি বাংলা ১ম পত্র, এসএসসি বাংলা ২য় সাজেশন ২০১৯




প্রিয় এসএসসি পরীক্ষার্থী বন্ধুরা কেমন আছো? আশা করি সবাই ভাল আছো এবং মন দিয়ে পড়াশোনা করছো। এস এস সি পরীক্ষা অতি সন্নিকটে, হাতে আর খুব বেশি সময় নেই। এখন শুধু এস এস সি সিলেবাস ২০১৯ অনুযায়ী পূর্বের পড়াগুলো অনুশীলন করার সময়।নতুন করে আর কোনো কিছু পড়ার সময় নেই। তবে যে প্রশ্নগুলো পরীক্ষায় আসার সম্ভবনা সবচেয়ে বেশি সেগুলো বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে পড়তে হবে এবং  বারবার অনুশীলন করতে হবে। এজন্য প্রয়োজন ভালো মানের এসএসসি সাজেশন ২০১৯,  এজন্যই আজ আমরা তোমাদের জন্য নিয়ে এলাম এসএসসি বাংলা সাজেশন ২০১৯। আশাকরি সাজেশনটি ভালো করে অনুশীলন করলে তোমরা পরীক্ষায় অনেক ভালো ফলাফল করতে পারবে।

এসএসসি বাংলা ২য় সাজেশন ২০১৯ :


প্রথমে আলোচনা করা যাক এসএসসি বাংলা ২য় সাজেশন নিয়ে।এই বিষয়ে মোট নম্বর থাকবে ১০০। তারমধ্যে ৭০ নাম্বার রচনামুলক প্রশ্নে এবং ৩০ নাম্বার থাকবে বহুনির্বাচনি প্রশ্নে।

প্রথম বিষয় হলো এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্ন ২০১৮ বাদ দিয়ে পড়তে হবে।



১) অনুচ্ছেদ : অনুচ্ছেদে থাকবে দশ নম্বর। দুটি প্রশ্ন থাকবে। যেকোনো একটি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে।
সম্ভাব্য প্রশ্নগুলো :
  • নারী শিক্ষা
  • পরিবেশ দূষণ
  • যানজট
  • বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ
  • ডিজিটাল বাংলাদেশ
  • মোবাইল ফোন
  • ইন্টারনেট
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • একুশের বইমেলা
  • বিজয় দিবস
২) পত্র লিখন : পত্রের নম্বর ১০। দুটি প্রশ্ন থেকে যে কোনো একটি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। পত্রের বিভিন্ন ধরন রয়েছে যেমনঃ ব্যাক্তিগত পত্র, আবেদন পত্র, নিমন্ত্রণ পত্র, অভিনন্দন পত্র, সংবাদপত্রে প্রকাশের জন্য পত্র। এর মধ্যে যে কোনো দুধরনের পত্র থেকে দুটি প্রশ্ন আসবে। যে কোনো একটি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে।
পত্র লেখা খুবই সহজ। বিভিন্ন ধরনের পত্র লেখার নিয়মগুলি শুধু জানলেই হবে। বাকিটুকু নিজ থেকেই বানিয়ে লেখা যায়। পত্র হুবহু কমন নাও পড়তে পারে। বিশেষ করে পত্রের প্রেরক এবং প্রাপকের নাম প্রশ্নে নির্দিষ্ট করে উল্লেখ থাকতে পারে। সেক্ষেত্রে তাই দিতে হবে। গত বছরের আগের এসএসসি পরীক্ষাগুলোর বিভিন্ন বোর্ডের প্রশ্নগুলো থেকে চর্চা করলেই যথেষ্ট।

৩) সারাংশ,সারমর্ম : সারাংশ, সারমর্ম হলো কোনো বিস্তারিত বিষয়কে সংক্ষেপে লেখা। গদ্যের ক্ষেত্রে সারাংশ এবং পদ্যের ক্ষেত্রে সারমর্ম। একেবারেই সহজ বিষয়।বক্তব্য প্রশ্নেই দেয়া থাকবে সেটির মূল ভাবটি শুধু দুলাইনে উত্তরে লিখতে হবে। দুটি প্রশ্নের যে কোনো একটির উত্তর দিতে হবে। প্রশ্নের মান ১০।
সম্ভাব্য সারাংশ :
  • মানুষ সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ প্রাণী.....
  • খুব ছোট ছিদ্রের মধ্য দিয়ে যেমন সূর্যকে....
  • শ্রমকে শ্রদ্ধার সঙ্গে গ্রহণ করো। কালি ধূলার....
  • মানুষের মূল্য কোথায়? চরিত্রে, মনুষ্যত্বে...
  • আজকের দুনিয়াটা আশ্চর্যভাবে অর্থের....
  • প্রকৃত জ্ঞানের স্পৃহা না থাকলে শিক্ষা....
  • বিদ্যা মানুষের মূল্যবান সম্পদ...
  • মাতৃস্নেহের তুলনা নাই কিন্তু অতি স্নেহে.....
  • সম্ভাব্য সারমর্ম : 
  • এসেছে নতুন শিশু,তারে ছেড়ে....
  • বহুদিন ধরে বহু ক্রোশ দূরে...
  • বসুমতী কেন তুমি এতোই কৃপণা?....
  • দৈন্য যদি আসে আসুক,লজ্জা....
  • নিন্দুকেরে বাসি আমি সবার চেয়ে ভালো,...
  • সার্থক জন্ম আমার জন্মেছি এই দেশে...
  • শৈশবে সদুপদেশে যাহার না রুচে......
৪) ভাবসম্প্রসারণ : প্রশ্নের মান ১০।যেকোনো একটি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে।




  • ভোগে নয় ত্যাগেই প্রকৃত সুখ
  • দুর্নীতি জাতীয় জীবনে অভিশাপ স্বরূপ
  • কীর্তিমানের মৃত্যু নেই
  • পাপীকে নয় পাপকে ঘৃণা করো
  • আত্মশক্তি অর্জনই শিক্ষার উদ্দেশ্য
  • দুর্জন বিদ্যান হলেও পরিত্যাজ্য
  • স্পষ্টভাষী শত্রু নির্বাক মিত্র অপেক্ষা ভালো
  • পরের অনিষ্ট চিন্তা করে যেই জন / নিজের অনিষ্ট বীজ করে সে বপন।
  • নানান দেশের নানান ভাষা / বিনা স্বদেশী ভাষা পুরে কি আশা?
  • গ্রন্থগত বিদ্যা আর পরহস্তে ধন / নহে বিদ্যা, নহে ধন হলে প্রয়োজন।
  • শৈবাল দিঘীরে বলে উঁচু করি শির / লিখে রেখ এক ফোঁটা দিলেম শিশির।
  • অন্যায় যে করে আর অন্যায় যে সহে / তব ঘৃণা যেন তারে তৃণসম দহে।
৫) প্রতিবেদন রচনা: প্রশ্নের মান ১০। যে কোনো একটি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে।
  • তোমার বিদ্যালয়ের বার্ষিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের বিবরন তুলে ধরে প্রধান শিক্ষক বরাবর একটি প্রতিবেদন রচনা করো।
  • তোমাদের বিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানমালার ওপর একটি প্রতিবেদন রচনা কর।
  • দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে জনজীবন বিপন্ন "এই শিরোনামে পত্রিকায় প্রকাশের জন্য একটি প্রতিবেদন রচনা কর।
  • পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষার জন্য চাই বৃক্ষরোপন এই শিরোনামে একটি প্রতিবেদন রচনা কর।
  • একটি মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনার বিবরন দিয়ে দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশের জন্য একটি প্রতিবেদন লিখ। 
৬) প্রবন্ধ রচনা : প্রশ্নের মান ২০। যে কোনো একটি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে।
  • স্বদেশ প্রেম
  • পিতামাতার প্রতি কর্তব্য
  • মানব কল্যাণে বিজ্ঞান
  • কম্পিউটার
  • পরিবেশ দূষন ও তার প্রতিকার
  • বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দূর্যোগ ও তার প্রতিকার
  • বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য
  • শ্রমের মর্যাদা
  • আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস
  • সমাজ উন্নয়নে ছাত্র সমাজের ভূমিকা
  • সংবাদপত্র
  • জাতি গঠনে নারী সমাজের ভূমিকা
মূলত এই ছিলো এসএসসি বাংলা ২য় সাজেশন ২০১৯
এবার আলোচনা করা যাক এসএসসি বাংলা ১ম পত্র নিয়ে। এস এস সি বাংলা সিলেবাস বেশ বড়। বাংলা প্রথম পত্রে ভালো করতে হলে প্রতিটি গল্প, কবিতা, উপন্যাস, নাটক খুব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে। কারণ সৃজনশীল প্রশ্ন থাকবে। এখানেও এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্ন ২০১৮ বাদ দিয়ে পড়তে হবে। তবে ২০১৮ এর আগের এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্নগুলো অবশ্যই পড়তে হবে। সেই সাথে টেস্ট পেপার থেকে ভালো ভালো স্কুলগুলোর টেস্ট পরীক্ষার প্রশ্নগুলো আয়ত্ত করতে পারলে প্রায় ৯০% প্রশ্ন কমন পাওয়া যাবে।



এসএসসি বাংলা ১ম পত্র :


বাংলা ১ম পত্রে ৭০ নম্বরের প্রশ্ন থাকবে। বাকি ৩০ নম্বর থাকবে বহুনির্বাচনী প্রশ্নে। গদ্য, পদ্য থেকে ন্যুনতম দুটি করে এবং উপন্যাস ও নাটক থেকে ন্যুনতম একটি করে প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। মোট ৭টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। ভালো ফলাফল করতে চাইলে শুধু শর্ট সাজেশনের উপর নির্ভর না করে  ২০১৯ সালের এসএসসি পরীক্ষার সিলেবাস সম্বলিত ভালো কোনো প্রকাশনীর এস এস সি সাজেশন ২০১৯ সংগ্রহ করে পড়তে হবে।
এসএসসি বাংলা ২য় সাজেশন, এসএসসি বাংলা ১ম পত্র


এসএসসি রুটিন ২০১৯





February 02, 2019

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ ২০১৮ সার্কুলার | পরীক্ষা শুরু ১৫ই মার্চ ২০১৯




প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ ২০১৮ সার্কুলার,প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া,প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ যোগ্যতা, প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতন,প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা 2019 ইত্যাদি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে সমকাল ব্লগে।

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ ২০১৮ সার্কুলার

প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০১৮ প্রকাশিত হয়েছিল ৩০শে জুলাই ২০১৮।আবেদন করার সময় ছিলো ১লা আগস্ট থেকে ৩০শে আগস্ট ২০১৮ পর্যন্ত।এবার প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার জন্য রেকর্ড সংখ্যক ২৪ লাখ ১ হাজার ৫৯৭ জন প্রার্থী আবেদন করেছেন।অথচ প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০১৮ অনুযায়ী শিক্ষক নিয়োগ করা হবে সে তুলনায় মাত্র ১২০০০!এ থেকেই বোঝা যাচ্ছে কিরকম প্রতিযোগিতামূলক হতে যাচ্ছে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ ২০১৮।

এদিকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মোঃ জাকির হোসেনের দেয়া এক বক্তব্যে জানা গেছে এবছর অর্থাৎ ২০১৯ সালেই আবারও নিয়োগ দেয়া হবে ২০ হাজার প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক।প্রাক প্রাথমিক শ্রেণীতে ভর্তির বয়স ৫ বছর থেকে কমিয়ে ৪ বছর করা হবে এবং প্রাক প্রাথমিক শ্রেণীর মেয়াদ হবে ২ বছর।এজন্যই নিয়োগ দেয়া হবে আরো বিশ হাজার প্রাক প্রাথমিক শিক্ষক।প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ সার্কুলার ২০১৯ প্রকাশিত হওয়ার সাথে সাথেই যত দ্রুত সম্ভব তা জানিয়ে দেয়া হবে সমকাল ব্লগের পাঠকদের।

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রত্যাশীদের জন্য সুখবর হলো প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব সম্প্রতি জানিয়েছেন আগামী ৫ বছরে আরো ১ লক্ষ শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে।আগামী ২০২০ সাল থেকেই দুই বছর মেয়াদী প্রাক প্রাথমিক শিক্ষা চালু করার প্রত্যাশা ব্যাক্ত করেছেন তিনি।সচিব মহোদয় আরো জানিয়েছেন বর্তমানে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীর অনুপাত ১:৩৬।আরো এক লাখ শিক্ষক নিয়োগ করা হলে এ অনুপাত ১:৩০ এ নামিয়ে আনা যাবে।উল্লেখ্য গত দশ বছরে ১ লক্ষ ৮০ হাজার প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে।

হিসেব করলে দেখা যায় প্রতি আবেদনকারীর নিকট থেকে ১৬৮ টাকা করে আদায় করায় প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি 2018 থেকে সরকারের তথা প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আয় হয়েছে ৪১ কোটি টাকার কাছাকাছি!



প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার তারিখ ২০১৯ প্রকাশিত হয়েছে।প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা কবে হবে তা জানিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।তারিখ প্রকাশিত হওয়ার সাথে সাথেই তা এখানে জানিয়ে দেয়া হলো।
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ সাজেশন ২০১৯

প্রথমে ২০১৮ সালের অক্টোবর মাসেই পরীক্ষা সম্পন্ন করার কথা থাকলেও অনিবার্য কারণবশত তা পেছানো হয়েছে।অতিরিক্ত সংখ্যক প্রার্থী আবেদন করার কারণে পরীক্ষার আয়োজন নিয়ে হিমশিম খাচ্ছে কতৃপক্ষ।

এরপর ডিসেম্বরে পরীক্ষার সম্ভাবনার কথা থাকলেও সেটিও সম্ভব হয়নি। বলা হয়েছিলো জানুয়ারিতে হতে পারে প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯।

পরবর্তীতে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯ এর তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছিলো ১লা ফেব্রুয়ারিতে।

অবশেষে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নিয়োগ সংক্রান্ত কমিটির সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে যে প্রাথমিক সহকারি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ১৫ই মার্চ ২০১৯।ফেব্রুয়ারিতে এসএসসি পরীক্ষা থাকায় পুনরায় পিছানো হলো পরীক্ষার সময়।জানা গেছে ফেব্রুয়ারীর প্রথম সপ্তাহেই সিদ্ধান্ত হবে কোন জেলায় কবে পরীক্ষা নেয়া হবে।

সাধারণত পরীক্ষার প্রশ্ন প্রণয়ন এবং পরীক্ষা পরিচালনার দায়িত্ব থাকে ডিপিই এর উপর।এবার প্রশ্ন ফাঁস রোধ করার জন্য পরীক্ষা সংক্রান্ত সকল বিষয় পরিচালনা করা হবে সরাসরি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে।এদিকে প্রশ্নপত্র প্রণয়ন,ওএমআর শীট ডিজাইন এবং মূল্যায়ন,পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ সংক্রান্ত টেকনিক্যাল বিষয়গুলো নিয়ে বুয়েটের সাথে মিটিং করেছে মন্ত্রণালয়।জানা গেছে এবার ২০টির অধিক প্রশ্ন সেটে পরীক্ষা নেয়া হতে পারে।এছাড়া অধিক সংখ্যক পরীক্ষার্থী আবেদন করায় পূর্বের চেয়ে কেন্দ্রের সংখ্যাও বাড়ানো হবে।

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ ২০১৯ প্রক্রিয়া

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর জানিয়েছে এবার সহকারী শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বেশকিছু পরিবর্তন হতে যাচ্ছে।এতো অধিক সংখ্যক আবেদনকারীর মধ্য থেকে শুধু এমসিকিউ প্রশ্নের মাধ্যমে যোগ্য শিক্ষক বাছাই করা সম্ভব নয়। এজন্য প্রথমে এমসিকিউ পরীক্ষার মাধ্যমে ৫০ হাজার প্রার্থীকে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ করা হবে। এরপর পিএসসির আদলে লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে ৩৬ হাজার প্রার্থীকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত করা হবে। 



প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ যোগ্যতা

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে আবেদনের যোগ্যতা ২০১৩ সালের নীতিমালা অনুযায়ী আগের মতোই থাকছে।অর্থাৎ পুরুষদের জন্য ন্যুনতম গ্র্যাজুয়েট এবং নারীদের জন্য এইচএসসি পাশ।আগের মতোই ৬০% নারী কোটাও বহাল রয়েছে।তবে আগামী বিজ্ঞপ্তি হতে পরিবর্তন ঘটবে এ নিয়মের!আগামীতে নারী পুরুষ উভয়ের জন্যই ন্যুনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা গ্র্যাজুয়েট নির্ধারণ করা হবে।


প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের প্রবেশপত্র ডাউনলোড

পরীক্ষার সুনির্দিষ্ট তারিখ নির্ধারিত হওয়ার পরপরই প্রত্যেক আবেদনকারীর নিকট এসএমএস দিয়ে তা জানিয়ে দেয় কতৃপক্ষ।তখন নিচের ওয়েবসাইট থেকে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রবেশপত্র ডাউনলোড করা যাবে।প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের প্রবেশপত্র ছাড়া পরীক্ষা দেয়া সম্ভব নয়।সুতরাং পরীক্ষায় অংশগ্রহণের পূর্বে অবশ্যই আপনার আইডি এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে অনলাইনে ডাউনলোড করে নিন প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রবেশপত্র।

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ফলাফল ২০১৯





প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ ২০১৯ রেজাল্ট প্রকাশিত হওয়ার সাথে সাথেই এখানে আপডেট দেয়া হবে।
কাজেই পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করার পর নিয়মিত চোখ রাখুন সমকাল ব্লগে।

প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতন

প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতন কত জানতে চান?বর্তমান বেতন স্কেল অনুযায়ী প্রশিক্ষণবিহীন প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক ১৫তম গ্রেড অনুযায়ী ৯৭০০ টাকা স্কেলে বেতন পান এবং প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক ১৪তম গ্রেডে ১০২০০ টাকা স্কেলে বেতন পান।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের হিসাব রক্ষক নিয়োগ

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হিসাব রক্ষক পদ তৈরির নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে।এজন্য প্রতিটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একজন করে হিসাব রক্ষক নিয়োগ করা হবে।জানা গেছে চলতি অর্থ বছরেই সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে সারা দেশে ৬৫ হাজার ৯৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য হিসাব রক্ষক পদে নিয়োগ সার্কুলার প্রকাশ করা হবে।তবে এখনও এটি নীতিগত সিদ্ধান্তের পর্যায়ে আছে এজন্য আবেদনের যোগ্যতা ইত্যাদি বিস্তারিত জানা যায়নি।বিস্তারিত জানতে নিয়মিত চোখ রাখুন সমকাল ব্লগে।







Thursday, 31 January 2019

January 31, 2019

ফুলের ছবি, ১০০০+ ফুলের পিক ডাউনলোড করে নিন

ফুলের ছবি গোলাপ, ফুলের ছবি download




ফুলের ছবি প্রয়োজন?ফুলের ছবি download করতে চান? এখানে পাবেন ১০০০+ সুন্দর গোলাপ ফুলের ছবি।অনেকেই ফেসবুকে ফুলের পিক আপলোড করতে চান।এজন্য ইন্টারনেট থেকে নিজের পছন্দের ফুলের ছবি ডাউনলোড করে নিতে হয়। আপনার জন্য এখানে রয়েছে অসংখ্য ফুলের ছবি গোলাপ

প্রিয়জনকে ফেসবুক মেসেঞ্জার বা হোয়াটস অ্যাপে সুন্দর সুন্দর গোলাপ ফুলের ছবি hd উপহার দিতে চান? তাহলে এখান থেকেই আকর্ষণীয় সব গোলাপ ফুলের ছবি ডাউনলোড করে নিতে পারবেন।



ফেসবুক প্রোফাইল পিকচারের জন্যও আমরা অনেকেই গোলাপ ফুলের ছবি চাই

ফুলের ছবি ও নাম চাই ?এখানে বিশাল ভান্ডার থেকে ডাউনলোড করে নিন আপনার পছন্দের ফুলের ছবি

এই অসম্ভব সুন্দর সুন্দর সব ফুলের পিক আপনার মন কাড়বেই। তবে ফুলের ছবিগুলো প্রফেশনাল গ্রাফিক ডিজাইনারের মাধ্যমে কাজ করা।এতে ছবিগুলো হয়েছে আরও আকর্ষণীয়।


ফুলের পিক

ফুলের পিক

ফুলের পিক


১০০০+ ফুলের পিক ডাউনলোড করুন 

ফুলের ছবি, নাম ও পরিচিতি

ফুলের ছবি ডাউনলোড করার পাশাপাশি এখানে পাবেন ফুলের ছবি ও নাম, ফুলের পরিচিতি।পৃথিবীতে কত যে সুন্দর সুন্দর ফুল রয়েছে তার সবগুলো কি আমরা চিনি?পৃথিবীর কথা বাদই দিলাম আমাদের বাংলাদেশেই যে সব ফুল জন্মে তার সবগুলোই কি আমাদের পরিচিত?দেখা যাবে বাস্তবে ঘুরে ফিরে কয়েকটি ফুলই আমরা চিনি মাত্র!বেশিরভাগ ফুলই আমাদের অপরিচিত।দেখলেও নাম বলতে পারবোনা।

আসুন আমার মতো যারা ফুল ভালবাসেন আমরা বেশ কিছু ফুলের পরিচিতি জেনে নিই।ফুল পছন্দ করেননা এমন মানুষ নিশ্চয়ই কমই আছেন।তাহলে চলুন সচরাচর আমাদের চোখে পড়ে এমন কমন ফুল থেকেই আমাদের ফুলের পরিচয় পর্ব শুরু করা যাক!
জাতীয় ফুল শাপলা
শাপলা ফুল

শাপলা

শাপলা ফুল চেনেনা এমন কেউ বাংলাদেশে আছে বলে মনে হয়না। শাপলা আমাদের জাতীয় ফুল।ইংরেজি নাম Water lily।বাংলাদেশের খাল, বিল, হাওড়,নদী সর্বত্রই শাপলা ফুল চোখে পড়ে। এর সৌন্দর্য দেখে আমরা সবাই মুগ্ধ। সারা বিশ্বে শাপলা ফুলের প্রায় আশিটি জাত রয়েছে। এর মধ্যে সাদা শাপলা আমাদের জাতীয় ফুল হিসেবে নির্বাচন করা হয়েছে। এছাড়াও লাল শাপলা ফুলও বাংলাদেশের সর্বত্র কম বেশি চোখে পড়ে। শাপলা ফুলের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো এটি পানিতে জন্মে।জাতীয় ফুল হিসেবে বিশেষ মর্যাদার অধিকারী হওয়ায় শাপলা ফুল দিয়েই শুরু করা হলো আমাদের ফুলের পরিচিতি।
গোলাপ ফুলের ছবি ডাউনলোড করুন
গোলাপ ফুল

গোলাপ

বাংলায় গোলাপ ইংরেজিতে Rose।পৃথিবীর সবচেয়ে সুপরিচিত এবং জনপ্রিয় ফুল সম্ভবত এই গোলাপ ফুল। ফুলের রাণী হিসেবে সবাই চেনে এই গোলাপকে। সৌন্দর্য এবং ভালবাসার প্রতীক হিসেবে সবাই স্বীকৃতি দিয়েছে গোলাপ ফুলকে। নানা বর্ণের প্রায় ১০০ প্রজাতির গোলাপ রয়েছে পৃথিবীজুড়ে।তবে লাল গোলাপ সবচেয়ে সহজলভ্য।
পদ্ম ফুলের ছবি
পদ্ম ফুল

পদ্ম ফুল





Lotus বা পদ্ম হলো শাপলার মতোই আরেকটি জলজ প্রজাতির ফুল। অনেকেই একে জলজ ফুলের রাণী বলে।এটি ভারতের জাতীয় ফুল।এছাড়া হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কাছে পদ্ম একটি পবিত্র ফুল।পদ্ম ফুলের রং লাল, সাদা এবং গোলাপীর মিশ্রণ।বর্ষাকালে পদ্ম ফুল ফোটা শুরু হয় এবং শরৎকালে বেশি পরিমাণে দেখা যায়।বাংলাদেশের সর্বত্রই যেখানে সারাবছর পানি থাকে এরকম জলাশয়ে পদ্ম ফুল ফুটতে দেখা যায়।
কদম ফুলের ছবি
কদম ফুল

কদম ফুল

বাদল দিনের প্রথম কদম ফুল করেছ দান,
আমি দিতে এসেছি শ্রাবণের গান।।
কদম ফুলের মাহাত্ম্য রবীন্দ্রনাথের মতো আর কেউ মনে হয় উপলব্ধি করতে পারেনি।বনে বাদাড়ে অবহেলায় জন্ম নেয়া এই ফুলকে নিজের গানের মাঝে নিয়ে এসে প্রকৃতি ও ফুল প্রেমীদের যেন চোখ খুলে দিয়েছেন তিনি।আষাঢ়, শ্রাবণ মাস অর্থাৎ বর্ষাকাল কদম ফুল ফোটার আদর্শ সময়। কদম ফুল আমরা সবাই চিনি।ছোট বেলায় সবাই খেলেছি এই ফুল দিয়ে।বাংলাদেশের সব অঞ্চলেই দেখা মেলে কদম ফুলের।
সূর্যমুখী ফুলের ছবি
সূর্যমুখী ফুল

সূর্যমুখী ফুল

সূর্যমুখী(Sunflower) বাংলাদেশে খুবই পরিচিত একটি ফুল।সূর্যের দিকে মুখ করে থাকে বলেই এর এমন নাম।পূর্নবয়স্ক সূর্যমুখী ফুল আকারে অনেক বড় এবং দেখতে খুবই সুন্দর।শুধু ফুল হিসেবেই এটি পরিচিত নয়। সূর্যমুখী ফুলের উপকারিতা অনেক।সূর্যমুখী ফুলের বীজ ভোজ্যতেল হিসেবেও ব্যবহৃত হচ্ছে।ভোজ্যতেল হিসেবে চাহিদা থাকায় সূর্যমুখী ফুল চাষ লাভজনক।শোনা যায় ১৯৭৫ সাল থেকেই বাংলাদেশে সূর্যমুখী ফুল চাষ করা হচ্ছে।এর মধ্যে নোয়াখালীর সুবর্ণচরে এটি ব্যাপকভাবে চাষ করা হচ্ছে।কোলেস্টেরলের মাত্রা কম থাকায় সূর্যমুখী তৈল স্বাস্থ্যের জন্য ভালো।
জবা ফুলের ছবি
জবা ফুল

জবা ফুল

জবা ফুলের নাম শোনেননি বা দেখেননি,জবা ফুল চেনেন না এমন লোক কি বাংলাদেশে খুৃঁজে পাওয়া সম্ভব?জবা ফুলের বৈশিষ্ট্য খুবই সাধারণ।ফুলের রং সাধারণত লাল এবং গন্ধহীন।জবা ফুল দেখতে সুন্দর।বাংলাদেশের আনাচে কানাচে এমন কোনো অঞ্চল নেই যেখানে জবা ফুল ফোটেনা।সারা বছরই জবা ফুল ফুটতে দেখা যায় তবে গ্রীষ্মকাল এবং শরৎকালে এ ফুল বেশি দেখা যায়।বলা যায় যার একটি শখের ফুলের বাগান আছে তার বাগানে অবশ্যই অন্তত একটি জবা ফুলের গাছ আছে।
ফুলের ছবি ফুলের পিক

গাঁদা ফুল




গাঁদা ফুল খুবই সুপরিচিত একটি ফুল।যে কোনো বাগানপ্রেমিদের বাগানের কমন ফুল হলো গাঁদা।এটি শীতকালীন ফুল হলেও গ্রীষ্ম এবং বর্ষাতেও ফোটে।নব্বুই এর দশক থেকে এটি বাংলাদেশে চাষ করা হয়।ঘরবাড়ি সাজানো, উৎসব, পূজা পার্বণে গাঁদা ফুল ব্যাপকভা‌বে ব্যবহৃত হয়।