Breaking

Translate

Wednesday, 23 January 2019

January 23, 2019

NTRCA কতৃক বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া ২০১৯

এনটিআরসিএ শিক্ষক নিয়োগ সুপারিশ জানুয়ারীতেই

NTRCA news NTRCA খবর বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগ ২০১৮

ntrca update news সর্বশেষ কি জানতে চান?শিক্ষক নিয়োগ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে এনটিআরসিএ।আবেদন প্রক্রিয়াও সম্পন্ন হয়েছে। বিস্তারিত জানতে সম্পূর্ণ প্রতিবেদনটি পড়ুন মনোযোগ দিয়ে।

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কতৃপক্ষ NTRCA এর বিরুদ্ধে নিবন্ধনকারীদের হাইকোর্টে করা রীট পিটিশনের রায় প্রকাশ হওয়ার পর রায় বাস্তবায়ন এবং বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগের পদ্ধতি নিয়ে নিবন্ধনকারীদের মধ্যে চলছিলো নানারকম জল্পনা কল্পনা।সবার প্রশ্ন ছিলো রায় বাস্তবায়নে কিভাবে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে NTRCA?কেউ কেউ নিয়োগে রীটকারীদের অগ্রাধিকার থাকবে বললেও রায় বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে রায় সার্বজনীন হয়েছে অর্থাৎ নিয়োগের ক্ষেত্রে রীটকারী ননরীটকারী নির্বিশেষে  সকল নিবন্ধনকারীদের সমানভাবে একটি সমন্বিত জাতীয় মেধাতালিকার ভিত্তিতে নিয়োগ দেয়া হবে।



এবার চলুন প্রকাশিত রায়ের আলোকে সম্ভাব্য নিয়োগ প্রক্রিয়াটি খতিয়ে দেখা  যাক। রায়ের শেষের দিকে বলা আছে " It is very much notable that the NTRCA certification process has began for quite some time since 2005 and by now 13 batches have entered the examinations and there must be a concrete upto date data base, so that the latest merit list as per subject I.e. subject wise merit list be available and that should be made /published through publication in the official web page. "

ভাবানুবাদ : ইহা খুবই গুরুত্বপূর্ণ যে এনটিআরসিএর সনদ প্রদান প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে অল্প কিছুদিন হলো ২০০৫ সাল থেকে এবং এখন পর্যন্ত ১৩টি ব্যাচ পরীক্ষা দিয়েছে। সেখানে অবশ্যই একটি নিরেট হালনাগাদ করা তথ্যভান্ডার থাকতে হবে যাতে বিষয়ভিত্তিক সর্বশেষ মেধাতালিকা বিদ্যমান থাকে এবং তা এনটিআরসিএর ওয়েবসাইটে প্রকাশ করতে হবে!

এখানে স্পষ্ট বলা হয়েছে কাদেরকে নিয়ে মেধাতালিকা হবে। ২০০৫ সালের ১ম নিবন্ধন থেকে এখন পর্যন্ত উত্তীর্ণ সকল নিবন্ধনকারীদের নিয়ে বিষয়ভিত্তিক মেধাতালিকা করা হবে (যার মধ্যে রীটকারীদেরও নাম থাকবে তবে অবশ্যই তাদের প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে)। প্রতি বছর এই মেধা তালিকা আপডেট করবে এনটিআরসিএ।



এখন মজার বিষয় হলো এই মেধাতালিকা থেকে নিয়োগ দেবে কিভাবে? আপনাদের কি মনে হয় মেধাতালিকা থেকে নিজেদের পছন্দমত বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সরাসরি নিয়োগ দেবে তারা?কাকে কিভাবে কোন প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ দেবে?এর উত্তরও আছে রায়ের একেবারে শেষ অংশে।
"Every time the advertisement is made upon preparing the requirement list on demand from the educational institutions, the applicants should have access to the list and would apply according to their choices and be chosen as per national merit list that is updated every year."

ভাবানুবাদ : প্রত্যেকবার নিয়োগের বিজ্ঞাপন প্রকাশ করতে হবে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চাহিদাপত্র প্রস্তুতের ভিত্তিতে। শুন্য পদের তালিকা প্রার্থীদের জন্য উন্মুক্ত হতে হবে এবং প্রার্থী তার পছন্দমত প্রতিষ্ঠানে আবেদন করবে। প্রতি বছরের সর্বশেষ হালনাগাদ করা জাতীয় মেধাতালিকা হতে তাদের নির্বাচন করতে হবে। 



তার মানে কি বুঝলেন? মেধাতালিকায় নাম থাকা একজিনিস আর নিয়োগ হওয়া আরেক জিনিস। মেধাতালিকায় ১ম থেকে বর্তমানের ১৪তম পর্যন্ত উত্তীর্ণ সকলেরই নাম থাকবে। কারো নামই বাদ পড়বে না।তবে বিষয়ভিত্তিক করা এই মেধাতালিকায় নামগুলো থাকবে প্রাপ্ত নম্বরের ক্রমানুসারে। প্রতি বছর তালিকা আপডেট হওয়ার সময় কারো নাম যাবে উপরে আবার কারো নাম নিচে নেমে আসবে।তালিকায় আপনার অবস্থান প্রতি বছর পরিবর্তন হতে থাকবে চাকুরী হওয়ার আগ পর্যন্ত!এই তালিকা হবে ওয়েবসাইটে প্রকাশিত, উন্মুক্ত! এখানে রীটকারী ননরিটকারী বৈষম্যের কোনো সুযোগ নেই!

এ তো গেলো মেধা তালিকার কথা! এখন আসুন নিয়োগের কথায়!২য় অনুবাদ পড়ে বুঝতে পারছেন নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি দেয়া হবে শুন্যপদের প্রেক্ষিতে।এবারো নিজের পছন্দমত প্রতিষ্ঠানগুলোতে আবেদন করতে হবে। এরপর প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের আবেদনকারীদের মধ্য থেকে জাতীয় মেধাতালিকা অনুযায়ী প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে নিয়োগ দেয়া হবে!এবার নতুন নিয়মে একটাই পার্থক্য থাকবে আর তা হলো জেলা, উপজেলা কোটা বিলুপ্ত হবে! 

এ থেকে বোঝা যাচ্ছে মেধাতালিকায় নাম থাকার অর্থ নিয়োগ পাওয়া নয়।কারণ মেধাতালিকায় ১ম থেকে সর্বশেষ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ নিবন্ধনকারী সকলেরই নাম থাকবে প্রাপ্ত নম্বরের ক্রমানুসারে। নিয়োগের জন্য নিজ নিজ পছন্দের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আবেদন করতে হবে। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে আবেদনকারীদের মধ্য থেকে সর্বোচ্চ নম্বর প্রাপ্ত প্রার্থীকে নিয়োগ দেয়া হবে বিষয়ভিত্তিক সমন্বিত জাতীয় মেধাতালিকা অনুযায়ী। 



উল্লেখ্য আদালত NTRCA কে রায়ের কপি হাতে পাওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে এই মেধাতালিকা প্রকাশ করতে বলেছে। এর অর্থ এই নয় যে উক্ত ৯০ দিনের মধ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। নিয়োগ প্রক্রিয়া ভিন্ন বিষয় যা আগেই বলা হয়েছে।
আরো পড়ুন : ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন সার্কুলার ২০১৮

আলোচিত মেধা তালিকার আরেকটি বৈশিষ্ট্য হলো এ তালিকায় নম্বরের দিক থেকে এগিয়ে থাকাই চাকুরী নিশ্চিত হওয়ার একমাত্র মাধ্যম নয়। আপনি যে প্রতিষ্ঠানে আবেদন করবেন সেই প্রতিষ্ঠানে আপনার চেয়ে বেশি নম্বর প্রাপ্ত কেউ আবেদন করে থাকলে তার চাকুরীই নিশ্চিত হবে। আবার উক্ত প্রতিষ্ঠানে আপনিই সর্বোচ্চ নম্বরপ্রাপ্ত আবেদনকারী হলে আপনার চাকুরীই নিশ্চিত হবে! সহজ কথায় আপনার নিয়োগ নির্ভর করবে জাতীয় মেধাতালিকায় আপনার অবস্থানের উপর নয় বরং আপনি যে প্রতিষ্ঠানগুলোতে আবেদন করছেন সেই প্রতিষ্ঠানগুলোতে  আবেদন করা অন্যান্য প্রার্থীদের সাথে আপনার নম্বরের পার্থক্যের উপর। অর্থাৎ আপনাকে সারা বাংলাদেশের সকল নিবন্ধনকারীর সাথে প্রতিযোগিতা করতে হবেনা।প্রতিযোগিতা করতে হবে যেসকল প্রতিষ্ঠানে আবেদন করবেন সেসকল প্রতিষ্ঠানে আবেদন করা অন্যান্য প্রার্থীদের সাথে।উদাহরণ হিসেবে বলা যায় ধরুন আপনার প্রাপ্ত নম্বর ৫৫।আপনি যে প্রতিষ্ঠানে আবেদন করেছেন সেখানে আরো চারজন আবেদন করেছেন যাদের নম্বর যথাক্রমে ৪৯,৫০,৫২,৫৪।সেক্ষেত্রে উক্ত প্রতিষ্ঠানে ৫৫ নম্বর পেয়েই নিয়োগ হবে আপনার।আবার ২য় আরেকজন ব্যাক্তির প্রাপ্ত নম্বর ৬৫।কিন্তু সে যে প্রতিষ্ঠানে আবেদন করেছে সেখানে আবেদনকারীদের মধ্যে একজনের নম্বর ৬৬।সেক্ষেত্রে ৬৫ নম্বর পেয়েও চাকরি হবেনা ২য় ব্যাক্তির।

আরো পড়ুন : নিবন্ধন পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সর্বোচ্চ বয়স ৩৫ নাকি চাকুরীতে প্রবেশের সর্বোচ্চ বয়স ৩৫?


ntrca update news সর্বশেষ কি

এই প্রতিবেদনটি লেখা হয়েছিলো অনেকদিন আগে। যখন সবেমাত্র আদালতের রায় প্রকাশিত হয়েছিলো।সেসময় সকল নিবন্ধনকারীই অন্ধকারে ছিলেন নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে।কেউই বুঝতে পারছিলেন না কিভাবে কোন পদ্ধতিতে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে ntrca।এই প্রতিবেদনটিই ছিলো অনলাইনে এ বিষয়ে সর্বপ্রথম স্পষ্ট বিশ্লেষণ।

আপনারা জেনে খুশি হবেন যে এই প্রতিবেদনের প্রতিটি বক্তব্যই পরবর্তীতে বাস্তবে ঘটা নিয়োগ প্রক্রিয়ার সাথে হুবহু মিলে যাচ্ছে।ইতোমধ্যেই এনটিআরসিএ মেধাতালিকা প্রকাশিত হয়েছে।সারা দেশের সকল বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শুন্য পদের তালিকা সংগ্রহের কাজও সম্পন্ন করেছে ntrca।সকল সংবাদ মাধ্যমের খবর অনুযায়ী সারা দেশ থেকে প্রায় ৩৯০০০ শুন্য পদের চাহিদা পাওয়া গেছে।এনটিআরসিএ এর দেয়া পূর্বের তথ্য অনুযায়ী বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগ এর গণবিজ্ঞপ্তিও প্রকাশ করা হয়েছে গত ডিসেম্বরের ১৮ তারিখে।

এবং নিবন্ধনকারীগণ আবেদন করেছেন ১৯/১২/২০১৮ থেকে ০২/১২/২০১৯ তারিখ পর্যন্ত।এতে সেসকল নিবন্ধনকারী আবেদন করতে পেরেছেন যাদের বয়স ১২ই জুন ২০১৮ পর্যন্ত ৩৫ অথবা তার কম।

আবেদন ফী নির্ধারণ করা হয়েছে ১৮০ টাকা।যথারীতি গত নিয়োগের মতো এবারও একজন প্রার্থী যতখুশি তত প্রতিষ্ঠান এবং পদে আবেদন করতে পেরেছেন।এলাকা ভিত্তিক কোনো কোটা প্রযোজ্য হবেনা।তবে এবারের ভিন্ন একটি সংযোজন হলো আবেদনের ক্ষেত্রে চয়েসের ক্রম উল্লেখ করতে হবে।বিষয়টি বুঝতে কারো সমস্যা হলে কমেন্ট করে জানান উত্তর দেয়া হবে।

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ডাউনলোড,আবেদনের বিস্তারিত নিয়ম কানুন জানতে, শুন্য পদের তালিকা, মেধাতালিকা দেখতে এবং সরাসরি আবেদন করতে ntrca official website ভিজিট করুন।

যারা আবেদন করেছেন তাদের জন্য সুখবর হলো জানুয়ারি ২০১৯ এর মধ্যেই আবেদনের ফলাফল ঘোষণা করা হবে এবং উত্তীর্ণদের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে নিয়োগের সুপারিশ করা হবে।সুপারিশ পাওয়ার এক মাসের মধ্যেই জয়েন করতে হবে উত্তীর্ণদের।

ntrca news

এদিকে একের পর এক মামলার সম্মুখীন হওয়ায় এবং ব্যাপকভাবে সমালোচনার মুখে পড়ায় জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশলের অনুসরণে গণশুনানি আয়োজন করতে যাচ্ছে ntrca।সারাদেশে ৮টি বিভাগে পর্যায়ক্রমে আয়োজন করা হবে এনটিআরসিএ গণশুনানি।ইতোমধ্যেই এ সংক্রান্ত একটি নোটিশ প্রকাশ করেছে ntrca।বলা হয়েছে প্রথম গণশুনানি অনু্ষ্ঠিত হবে সিলেটে।২৪/০১/১৯ তারিখে সিলেট জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ৪ টা ৪৫ মিনিটে অনুষ্ঠিতব্য গণশুনানিতে সিলেট বিভাগের সকল নিবন্ধনকারীদের উপস্থিত থাকার জন্য বলা হয়েছে।এতে এনটিআরসিএ এর উর্ধতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত থাকবেন।প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থানবেন এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান জনাব এস এম আশফাক হোসেন।।গণশুনানিতে নিবন্ধনকারীদের কাছ থেকে তাদের সমস্যা,অভিযোগ,আবেদন ইত্যাদি শোনা হবে এবং পরবর্তীতে সে অনুযায়ী ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে!
ntrca সর্বশেষ খবর জানতে সবসময় সমকাল ব্লগের সাথেই থাকুন।




January 23, 2019

পুলিশ নিয়োগ সার্কুলার ২০১৯ প্রকাশিত

বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীতে চাকুরি করতে চান?পুলিশ নিয়োগ সার্কুলার ২০১৯ খুঁজছেন?পুলিশ নিয়োগ,পুলিশ নিয়োগ ২০১৯,চাকরির খবর পুলিশ,নতুন পুলিশ নিয়োগ ২০১৯ সম্পর্কে সর্বশেষ খবর জানতে নিয়মিত পড়ুন সমকাল ব্লগ।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পুলিশ।পুলিশে চাকরি অনেক চাকরি প্রার্থীর কাছেই ফেভারিট।যারা পুলিশের বিভিন্ন পদে চাকরি করতে আগ্রহী তাঁরা বাংলাদেশ পুলিশ নিয়োগ এর জন্য অপেক্ষায় আছেন।তারা জানতে চান পুলিশ নিয়োগ কবে,পুলিশ নিয়োগ কবে 2019।এখানে আপনি পাবেন পুলিশ নিয়োগ 2019 এর সকল খবর।




পুলিশ নিয়োগ ২০১৯ শুরু হওয়া মাত্রই সমকাল ব্লগে আপডেট দেয়া হবে।শীঘ্রই আসতে পারে পুলিশ সার্কুলার,পুলিশের নতুন নিয়োগের খবর।পুলিশের চাকরির খবর জানতে সমকাল ব্লগের সাথেই থাকুন।

পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০১৯,পুলিশ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০১৯

২০১৯ সালের পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি এখনো প্রকাশিত হয়নি।তবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছিলেন ২০১৯ সালের মধ্যে পঞ্চাশ হাজার পুলিশ নিয়োগ করা হবে।কাজেই পুলিশ নিয়োগ সার্কুলার ২০১৯ প্রকাশিত হওয়ার সাথে সাথেই বিস্তারিত জানিয়ে দেয়া হবে।

এদিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মন্তব্য করেছেন আগামী ৫ বছরে আরো ৫০ হাজার পুলিশ নিয়োগ দেয়া হবে।বর্তমানে বাংলাদেশে পুলিশ রয়েছে ২ লাখ ১২ হাজার।

আরও জানা গেছে পুলিশ বাহিনী চায় আগামী ৫ বছরে আরো ১ লক্ষ জনবল নিয়োগ দিতে।শীঘ্রই তারা সরকারের কাছে এ সংক্রান্ত দাবি উপস্থাপন করতে যাচ্ছে।

এসআই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০১৯

২০১৯ সালে এখনো এসআই নিয়োগ শুরু হয়নি।শুরু হওয়া মাত্রই তা পাঠকদের জানিয়ে দেয়া হবে।

পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি





বর্তমানে বেশ কিছু জেলার পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।এখানে সে সম্পর্কে তথ্যগুলো জানিয়ে দেয়া হয়েছে।আগ্রহীরা আবেদন করতে পারেন।

পুলিশ সুপারের কার্যালয় রাঙ্গামাটি নিয়োগ

গত ০৭/০১/১৯ তারিখে পুলিশ সুপারের কার্যালয় রাঙামাটি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে।
পদ : ৭টি
পোস্ট : ১১টি
আবেদন ফি : ১০০ টাকা
বিশেষ শর্ত : আবেদনকারীদের অবশ্যই রাঙামাটি,পার্বত্য চট্টগ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে
আবেদনের শেষ তারিখ : ০৩/০২/১৯ সময়ের মধ্যে আবেদনপত্র অফিসে পৌঁছাতে হবে

বিজ্ঞপ্তি এবং আবেদনপত্রটি ডাউনলোড করুন

পুলিশ প্রধানের নাম

পুলিশে চাকরি করতে ইচ্ছুক অথচ বর্তমান পুলিশ প্রধানের নাম জানবেন না তাও কি হয়?বাংলাদেশের বর্তমান পুলিশ প্রধান বা পুলিশের আইজির নাম ড. জাবেদ পাটোয়ারী।
পুলিশ নিয়োগ সার্কুলার ২০১৯





Monday, 21 January 2019

January 21, 2019

এইচএসসি পরীক্ষার রুটিন ২০১৯ প্রকাশিত পরীক্ষা শুরু এপ্রিলে

এইচএসসি পরীক্ষার রুটিন ২০১৯, এইচএসসি রুটিন ২০১৯ বা ২০১৯ সালের এইচএসসি পরীক্ষার রুটিন প্রকাশিত হওয়ার সাথে সাথেই তা সমকাল ব্লগে আপডেট দেয়া হবে।এইচএসসি পরীক্ষা ২০১৯ শুরু হওয়ার কথা এপ্রিলের শুরুতেই।সে অনুযায়ী ২০১৯ সালের এইচ এস সি পরীক্ষার রুটিন প্রকাশিত হওয়ার কথা ফেব্রুয়ারিতে।এ বিষয়ে একজন সরকারি কলেজের রসায়ন বিভাগের প্রভাষকের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানিয়েছেন বোর্ডের লোকজন এখন এসএসসি পরীক্ষা ২০১৯ এর আয়োজন নিয়ে ব্যাস্ত।এইচএসসি রুটিন ২০১৯ প্রকাশ হতে পারে ফেব্রুয়ারীতে।২০১৯ সালের hsc পরীক্ষার রুটিন এবং ২০১৯ সালের আলিম পরীক্ষার রুটিন উভয় রুটিনই প্রকাশ করা হবে সমকাল ব্লগে।

এইচএসসি পরীক্ষার রুটিন ২০১৯




প্রিয় পরীক্ষার্থী বন্ধুরা সবাই নিশ্চয়ই এইচএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে ব্যাস্ত।সেই সাথে অপেক্ষা করছো hsc পরীক্ষার রুটিন ২০১৯ হাতে পাওয়ার জন্য।তোমাদের জন্য সুখবর হলো এইচ এস সি পরীক্ষার রুটিন 2019 অফিশিয়ালি প্রকাশিত হওয়ার সাথে সাথেই তোমাদের প্রিয় সমকাল ব্লগে তা প্রকাশিত হবে।hsc পরীক্ষার রুটিন ছবি আকারে এবং  PDF আকারে প্রকাশ করা হবে।কাজেই দ্রুত রুটিন হাতে পাওয়ার জন্য চোখ রাখতে হবে সমকাল ব্লগে।

২০১৯ সালের আলিম পরীক্ষার রুটিন




প্রিয় আলিম পরীক্ষার্থী বন্ধুরা ২০১৯ সালের আলিম পরীক্ষার চূড়ান্ত সময়সূচী প্রকাশিত হওয়ার পর তা এখানে সমকাল ব্লগে প্রকাশ করা হবে।আলিম পরীক্ষার রুটিন ২০১৯ ছবি আকারে এবং আলিম পরীক্ষার রুটিন 2019 pdf আকারেও প্রকাশিত হবে।সে পর্যন্ত আমাদের সমকাল ব্লগের সাথেই থাকুন।


এইচএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতি





এইচএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে খুব সুন্দর একটি ভিডিও টিউটোরিয়াল শেয়ার করা হলো।পরীক্ষা প্রস্তুতি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়।প্রস্তুতি ভালো না থাকলে পরীক্ষাও ভালোভাবে দেয়া সম্ভব নয়।এর মাঝে পরীক্ষার আগের রাতের প্রস্তুতি এবং পরীক্ষার আগে করণীয় বিষয়গুলো বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।পরীক্ষায় ভাল করার উপায় কি সে সম্পর্কে জানতে অনেক পরীক্ষার্থীই আগ্রহী।আশা করি ভিডিওটি দেখলে এইচএসসি পরীক্ষা প্রস্তুতি আরো সুন্দর হবে।

এইচএসসি ২০১৯ পরীক্ষার্থী বন্ধুরা এইচএসসি পরীক্ষার রুটিন 2019 যথাসময়ে পেয়ে যাবে কিন্তু পরীক্ষার প্রস্তুতি রুটিনের অপেক্ষায় থেমে রাখার সুযোগ নেই।এইচএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য নিচের গাইডলাইনগুলো ফলো করলে অনেক উপকার হবে।
  • এইচএসসি বাংলা ১ম পত্র
  • এইচএসসি বাংলা ২য় পত্র
  • এইচএসসি ইংরেজি ২য় পত্র
  • এইচএসসি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
  • এইচএসসি পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র
  • এইচএসসি পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র
  • এইচএসসি রসায়ন ১ম পত্র
  • এইচএসসি রসায়ন ২য় পত্র
  • এইচএসসি জীববিজ্ঞান ১ম পত্র
  • এইচএসসি জীববিজ্ঞান ২য় পত্র
  • এইচএসসি গণিত ১ম পত্র
  • এইচএসসি গণিত ২য় পত্র
  • এইচএসসি ব্যাবস্থাপনা ১ম পত্র
  • এইচএসসি ব্যাবস্থাপনা ২য় পত্র
  • এইচএসসি অর্থায়ন ১ম পত্র
  • এইচএসসি অর্থায়ন ২য় পত্র
  • এইচএসসি হিসাববিজ্ঞান ১ম পত্র
  • এইচএসসি হিসাববিজ্ঞান ২য় পত্র
  • এইচএসসি অর্থনীতি ১ম পত্র
  • এইচএসসি অর্থনীতি ২য় পত্র
  • এইচএসসি বিপণন ১ম পত্র
  • এইচএসসি বিপণন ২য় পত্র
এইচএসসি ২০১৯ এর সকল বিষয়ের প্রস্তুতির জন্য ভিজিট করুন রবি 10 minute school

এইচএসসি ২০১৯ প্রবেশপত্র

এইচএসসি পরীক্ষার প্রবেশপত্র বিতরণ শুরু হলে সকল পরীক্ষার্থীকে  নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে তা সংগ্রহ করতে হবে।এইচএসসি পরীক্ষার প্রবেশপত্র বিতরণ শুরু হলে দ্রুত তা পাঠকদের জানিয়ে দেয়া হবে।


২০১৯ সালের এইচএসসি পরীক্ষার রুটিন


January 21, 2019

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা শুরু ১৫ই মার্চ ২০১৯




প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা 2019 সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে সমকাল ব্লগে।

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ ২০১৮ সার্কুলার

প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০১৮ প্রকাশিত হয়েছিল ৩০শে জুলাই ২০১৮।আবেদন করার সময় ছিলো ১লা আগস্ট থেকে ৩০শে আগস্ট ২০১৮ পর্যন্ত।এবার প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার জন্য রেকর্ড সংখ্যক ২৪ লাখ ১ হাজার ৫৯৭ জন প্রার্থী আবেদন করেছেন।অথচ প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০১৮ অনুযায়ী শিক্ষক নিয়োগ করা হবে সে তুলনায় মাত্র ১২০০০!এ থেকেই বোঝা যাচ্ছে কিরকম প্রতিযোগিতামূলক হতে যাচ্ছে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ ২০১৮।

এদিকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মোঃ জাকির হোসেনের দেয়া এক বক্তব্যে জানা গেছে এবছর অর্থাৎ ২০১৯ সালেই আবারও নিয়োগ দেয়া হবে ২০ হাজার প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক।প্রাক প্রাথমিক শ্রেণীতে ভর্তির বয়স ৫ বছর থেকে কমিয়ে ৪ বছর করা হবে এবং প্রাক প্রাথমিক শ্রেণীর মেয়াদ হবে ২ বছর।এজন্যই নিয়োগ দেয়া হবে আরো বিশ হাজার প্রাক প্রাথমিক শিক্ষক।প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ সার্কুলার ২০১৯ প্রকাশিত হওয়ার সাথে সাথেই যত দ্রুত সম্ভব তা জানিয়ে দেয়া হবে সমকাল ব্লগের পাঠকদের।

হিসেব করলে দেখা যায় প্রতি আবেদনকারীর নিকট থেকে ১৬৮ টাকা করে আদায় করায় প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি 2018 থেকে সরকারের তথা প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আয় হয়েছে ৪১ কোটি টাকার কাছাকাছি!



প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার তারিখ ২০১৯ প্রকাশিত হয়েছে।প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা কবে হবে তা জানিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।তারিখ প্রকাশিত হওয়ার সাথে সাথেই তা এখানে জানিয়ে দেয়া হলো।
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ সাজেশন ২০১৯

প্রথমে ২০১৮ সালের অক্টোবর মাসেই পরীক্ষা সম্পন্ন করার কথা থাকলেও অনিবার্য কারণবশত তা পেছানো হয়েছে।অতিরিক্ত সংখ্যক প্রার্থী আবেদন করার কারণে পরীক্ষার আয়োজন নিয়ে হিমশিম খাচ্ছে কতৃপক্ষ।

এরপর ডিসেম্বরে পরীক্ষার সম্ভাবনার কথা থাকলেও সেটিও সম্ভব হয়নি। বলা হয়েছিলো জানুয়ারিতে হতে পারে প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯।

পরবর্তীতে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯ এর তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছিলো ১লা ফেব্রুয়ারিতে।

অবশেষে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নিয়োগ সংক্রান্ত কমিটির সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে যে প্রাথমিক সহকারি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ১৫ই মার্চ ২০১৯।ফেব্রুয়ারিতে এসএসসি পরীক্ষা থাকায় পুনরায় পিছানো হলো পরীক্ষার সময়।

সাধারণত পরীক্ষার প্রশ্ন প্রণয়ন এবং পরীক্ষা পরিচালনার দায়িত্ব থাকে ডিপিই এর উপর।এবার প্রশ্ন ফাঁস রোধ করার জন্য পরীক্ষা সংক্রান্ত সকল বিষয় পরিচালনা করা হবে সরাসরি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে।এদিকে প্রশ্নপত্র প্রণয়ন,ওএমআর শীট ডিজাইন এবং মূল্যায়ন,পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ সংক্রান্ত টেকনিক্যাল বিষয়গুলো নিয়ে বুয়েটের সাথে মিটিং করেছে মন্ত্রণালয়।জানা গেছে এবার ২০টির অধিক প্রশ্ন সেটে পরীক্ষা নেয়া হতে পারে।এছাড়া অধিক সংখ্যক পরীক্ষার্থী আবেদন করায় পূর্বের চেয়ে কেন্দ্রের সংখ্যাও বাড়ানো হবে।

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ ২০১৯ প্রক্রিয়া

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর জানিয়েছে এবার সহকারী শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বেশকিছু পরিবর্তন হতে যাচ্ছে।এতো অধিক সংখ্যক আবেদনকারীর মধ্য থেকে শুধু এমসিকিউ প্রশ্নের মাধ্যমে যোগ্য শিক্ষক বাছাই করা সম্ভব নয়। এজন্য প্রথমে এমসিকিউ পরীক্ষার মাধ্যমে ৫০ হাজার প্রার্থীকে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ করা হবে। এরপর পিএসসির আদলে লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে ৩৬ হাজার প্রার্থীকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত করা হবে।
সূত্র : জাগো নিউজ 



প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ যোগ্যতা

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে আবেদনের যোগ্যতা ২০১৩ সালের নীতিমালা অনুযায়ী আগের মতোই থাকছে।অর্থাৎ পুরুষদের জন্য ন্যুনতম গ্র্যাজুয়েট এবং নারীদের জন্য এইচএসসি পাশ।আগের মতোই ৬০% নারী কোটাও বহাল রয়েছে।তবে আগামী বিজ্ঞপ্তি হতে পরিবর্তন ঘটবে এ নিয়মের!আগামীতে নারী পুরুষ উভয়ের জন্যই ন্যুনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা গ্র্যাজুয়েট নির্ধারণ করা হবে।


প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের প্রবেশপত্র ডাউনলোড

পরীক্ষার সুনির্দিষ্ট তারিখ নির্ধারিত হওয়ার পরপরই প্রত্যেক আবেদনকারীর নিকট এসএমএস দিয়ে তা জানিয়ে দেয় কতৃপক্ষ।তখন নিচের ওয়েবসাইট থেকে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রবেশপত্র ডাউনলোড করা যাবে।প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের প্রবেশপত্র ছাড়া পরীক্ষা দেয়া সম্ভব নয়।সুতরাং পরীক্ষায় অংশগ্রহণের পূর্বে অবশ্যই আপনার আইডি এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে অনলাইনে ডাউনলোড করে নিন প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রবেশপত্র।

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ফলাফল ২০১৯





প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ ২০১৯ রেজাল্ট প্রকাশিত হওয়ার সাথে সাথেই এখানে আপডেট দেয়া হবে।
কাজেই পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করার পর নিয়মিত চোখ রাখুন সমকাল ব্লগে।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের হিসাব রক্ষক নিয়োগ

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হিসাব রক্ষক পদ তৈরির নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে।এজন্য প্রতিটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একজন করে হিসাব রক্ষক নিয়োগ করা হবে।জানা গেছে চলতি অর্থ বছরেই সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে সারা দেশে ৬৫ হাজার ৯৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য হিসাব রক্ষক পদে নিয়োগ সার্কুলার প্রকাশ করা হবে।তবে এখনও এটি নীতিগত সিদ্ধান্তের পর্যায়ে আছে এজন্য আবেদনের যোগ্যতা ইত্যাদি বিস্তারিত জানা যায়নি।বিস্তারিত জানতে নিয়মিত চোখ রাখুন সমকাল ব্লগে।

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ ২০১৮ পরীক্ষা জানুয়ারি ২০১৯




Sunday, 20 January 2019

January 20, 2019

২০১৯ সালের এসএসসি পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ, এসএসসি রুটিন ২০১৯ ডাউনলোড করুন

২০১৯ সালের এসএসসি পরীক্ষার রুটিন, দাখিল রুটিন ২০১৯ প্রকাশিত হয়েছে।সকল বোর্ডের এসএসসি রুটিন ২০১৯ ডাউনলোড করুন।





প্রিয় এসএসসি পরীক্ষার্থী বন্ধুরা আশা করি সবাই ভালো আছো।প্রকাশ হয়েছে ২০১৯ সালের এসএসসি পরীক্ষার রুটিন।পরীক্ষা শুরু ২রা ফেব্রুয়ারি ২০১৯ থেকে এবং শেষ হবে ২৫শে ফেব্রুয়ারি ২০১৯!সবাই নিশ্চয়ই এসএসসি ২০১৯ পরীক্ষার জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত। চূড়ান্ত প্রস্তুতির জন্য সবাই পড়াশোনায় ব্যাস্ত সময় পার করছো কারণ হাতে আর খুব বেশি সময় নেই। ২২শে নভেম্বর ২০১৮ প্রকাশিত হয়েছে এসএসসি রুটিন ২০১৯। সবাই এস এস সি রুটিন ২০১৯ হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করছো।ফরম ফিলাপ শেষেই প্রকাশিত হলো রুটিন।সকল বোর্ডের ssc পরীক্ষার রুটিন 2019 একই। ২০১৭ সাল  পর্যন্ত ভিন্ন ভিন্ন বোর্ডের এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্ন ভিন্ন ভিন্ন হতো। ২০১৮ সাল থেকে সকল বোর্ডের এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্ন অভিন্ন হচ্ছে।ফলে সকল বোর্ডের জন্য একটিই রুটিন।ssc রুটিন ২০১৯ প্রকাশিত হওয়ার সাথে সাথেই তা আমাদের সমকাল ব্লগে প্রকাশ করা হলো।

যারা অনলাইনে এসএসসি পরীক্ষা ২০১৯ রুটিন ডাউনলোড করতে চাও তারা আমাদের ব্লগ থেকেই তা করতে পারো। এখানে একইসাথে দাখিল পরীক্ষার রুটিন ২০১৯ ও প্রকাশ করা হলো।



তোমরা জেনে আরো খুশি হবে যে আমরা সমকাল ব্লগে তোমাদের সুবিধার জন্য অভিজ্ঞ শিক্ষক দ্বারা প্রণীত এসএসসি সাজেশন ২০১৯ প্রকাশ করতে যাচ্ছি।এছাড়াও তোমরা সবাই জানো রুটিন প্রকাশ হওয়ার পরও পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে বিভিন্ন কারণে পরীক্ষার পূর্ব নির্ধারিত সময়সূচি অনেকসময় পরিবর্তন হয়ে যায়!সে ধরণের কিছু ঘটলেও আমরা তা যথাসময়ে জানিয়ে দেবো। কাজেই  2019 সালের ssc পরীক্ষার রুটিন এবং সাজেশন পেতে হলে নিয়মিত পড়তে হবে আমাদের সমকাল ব্লগ
২০১৯ সালের এসএসসি পরীক্ষার রুটিন


 এস এস সি রুটিন ২০১৯ ডাউনলোড pdf 


 এসএসসি সাজেশন ২০১৯ 


এস এস সি রুটিন ২০১৯ ছবি আকারে নিচে দেয়া হলো :

এস এস সি রুটিন ২০১৯
২০১৯ সালের এসএসসি পরীক্ষার রুটিন
এসএসসি রুটিন ২০১৯

দাখিল রুটিন ২০১৯ এবং ভোকেশনাল রুটিন ২০১৯ ডাউনলোড :


আমরা জানি এসএসসি পরীক্ষা দেশের মোট আটটি মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত হয়। বোর্ডগুলো হলো : ঢাকা , রাজশাহী, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, দিনাজপুর এবং সিলেট।

এসএসসি পরীক্ষার মতো মাদ্রাসার দাখিল এবং কারিগরির ভোকেশনালও সমমানের পরীক্ষা। দাখিল পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় মাদ্রাসা বোর্ডের অধীনে এবং ভোকেশনাল পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে।

এসএসসি রুটিন ২০১৯ ২২শে নভেম্বর প্রকাশিত হলেও দাখিল রুটিন ২০১৯ প্রকাশিত হলো ১লা ডিসেম্বর।এসএসসির মতো দাখিল পরীক্ষাও শুরু হবে ২রা ফেব্রুয়ারি।তবে দাখিল তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষ হবে ২৭শে ফেব্রুয়ারি।এরপর ব্যবহারিক পরীক্ষা।ভোকেশনাল রুটিন ২০১৯ এখনো প্রকাশিত হয়নি। মাদ্রাসা বোর্ডের ওয়েবসাইটে দাখিল পরীক্ষার সময়সূচি ২০১৯ প্রকাশ করা হয়েছে।কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে ভোকেশনাল পরীক্ষা ২০১৯ এর সময়সূচি প্রকাশ হওয়া মাত্রই আমরা তা জানিয়ে দেবো। কাজেই প্রিয় দাখিল ও ভোকেশনাল পরীক্ষার্থী  বন্ধুরা যথাসময়ে পরীক্ষার রুটিন ডাউনলোড করতে নিয়মিত আমাদের সমকাল ব্লগে চোখ রাখতে হবে।

২০১৯ সালের দাখিল পরীক্ষার রুটিন ডাউনলোড করুন 
২০১৯ সালের ভোকেশনাল পরীক্ষার রুটিন ডাউনলোড করুন

এসএসসি পরীক্ষার প্রবেশপত্র

এসএসসি পরীক্ষার প্রবেশপত্র পরীক্ষার্থীদের নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে সংগ্রহ করতে হবে।২০১৯ সালের এসএসসি পরীক্ষার প্রবেশপত্র বিতরণ শুরু হয়েছে।পরীক্ষার্থীদের যত দ্রুত সম্ভব পরীক্ষার প্রবেশপত্র সংগ্রহ করা উচিৎ।প্রবেশপত্রে কোনো ভুল ত্রুটি থাকলে তা সংশোধনের জন্য ২২-৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত সময় দেয়া হয়েছে।তবে ভুলত্রুটি থাকলেও এতে শিক্ষার্থীদের ঘাবড়ানোর প্রয়োজন নেই কারণ ভুল ত্রুটির জন্য সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানকেই দায়ী করা হবে এবং ভুল ত্রুটি থাকলে তা সংশোধনের আবেদন করতে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানকেই নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

বিশেষ নির্দেশনাবলী :
  1. পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট পূর্বে অবশ্যই পরীক্ষার্থীদেরকে পরীক্ষা কক্ষে আসন গ্রহণ করতে হবে।
  2. প্রশ্নপত্রে উল্লেখিত সময় অনুযায়ী পরীক্ষা গ্রহণ করতে হবে।
  3. প্রথমে বহুনির্বাচনী ও পরে সৃজনশীল / রচনামূলক (তত্ত্বীয়)  পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এবং উভয় পরীক্ষার মধ্যে কোনো বিরতি থাকবে না।
  4. পরীক্ষার্থীগণ তাদের প্রবেশপত্র নিজ নিজ প্রতিষ্ঠান প্রধানের নিকট হতে পরীক্ষা আরম্ভের কমপক্ষে তিন দিন পূর্বে সংগ্রহ করবে।
  5. ২০১৬-১৭, ২০১৭-১৮ শিক্ষা বর্ষের পরীক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে শারিরীক শিক্ষা, স্বাস্থ্যবিজ্ঞান ও খেলাধুলা এবং ক্যারিয়ার শিক্ষা বিষয়সমূহ এনসিটিবি এর নির্দেশনা অনুসারে ধারাবাহিক মূল্যায়নের মাধ্যমে প্রাপ্ত নম্বর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহ সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রকে সরবরাহ করবে। সংশ্লিষ্ট কেন্দ্র ব্যাবহারিক পরীক্ষার নম্বরের সাথে ধারাবাহিক মূল্যায়নে প্রাপ্ত নম্বর বোর্ডের ওয়েবসাইটে অনলাইনে প্রেরণ করবে।
  6. পরীক্ষার্থীগণ তাদের নিজ নিজ উত্তরপত্রের OMR ফরমে তার পরীক্ষার রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, বিষয় কোড ইত্যাদি যথাযথভাবে লিখে বৃত্ত ভরাট করবে। কোনো অবস্থাতেই উত্তরপত্র ভাঁজ করা যাবেনা।
  7. প্রত্যেক পরীক্ষার্থী কেবলমাত্র নিবন্ধনপত্রে বর্ণিত বিষয়/ বিষয়সমূহের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে। কোনো অবস্থাতেই ভিন্ন বিষয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে না।
  8. কোনো পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা ( সৃজনশীল / রচনামূলক (তত্ত্বীয়) বহুনির্বাচনী ও ব্যাবহারিক)  নিজ বিদ্যালয় /প্রতিষ্ঠানে অনুষ্ঠিত হবেনা। পরীক্ষার্থী স্থানান্তরের মাধ্যমে আসন বিন্যাস করতে হবে।
  9. পরীক্ষার্থীগণ পরীক্ষায় সাধারণ, সায়েন্টিফিক ক্যালকুলেটর ব্যবহার করতে পারবে। কেন্দ্র সচিব ছাড়া কোনো ব্যাক্তি / পরীক্ষার্থী পরীক্ষা কেন্দ্রে মোবাইল ফোন আনতে এবং ব্যবহার করতে পারবে না।
  10. সৃজনশীল / রচনামূলক ( তত্তীয়) , বহুনির্বাচনী ও ব্যাবহারিক পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীর উপস্থিতির জন্য একই উপস্থিতি পত্র ব্যবহার করতে হবে।
  11. ব্যাবহারিক পরীক্ষা স্ব স্ব কেন্দ্র /ভেন্যুতে অনু্ষ্ঠীত হবে।
  12. পরীক্ষার ফল প্রকাশের সাত দিনের মধ্যে পুনঃনীরিক্ষার জন্য অনলাইনে এসএমএস এর মাধ্যমে আবেদন করতে হবে।



Thursday, 17 January 2019

January 17, 2019

বাংলা কিবোর্ড Apk | সহজ বাংলা কিবোর্ড Apps ডাউনলোড করুন

বাংলা কিবোর্ড ডাউনলোড করে নিন আপনার স্মার্টফোনের জন্য


বাংলা কিবোর্ড কি?বাংলা কিবোর্ড হলো কম্পিউটার বা স্মার্টফোনে বাংলা লেখার টুলস। বাংলা কিবোর্ড প্রয়োজন?সহজ বাংলা কিবোর্ড ডাউনলোড করতে চাইলে লেখাটি আপনার জন্যই।


বর্তমানে শিক্ষিত,স্বল্প শিক্ষিত সকলের মাঝেই স্মার্টফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।বলা যায় স্মার্টফোন এখন হাতে হাতে।সেই সাথে বাড়ছে স্মার্টফোনে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যাও।বিশেষ করে এন্ড্রোয়েড ফোন সহজলভ্য হওয়ায় এর জনপ্রিয়তা এখন তুঙ্গে।



স্মার্টফোন ব্যবহার করলে ইন্টারনেট ব্যবহার করাও যেনো বাধ্যতামূলক!আর ফেসবুক একাউন্ট তো লাগবেই!সেই সাথে হোয়াটস অ্যাপ, ইমো একেবারেই কমন অ্যাপ।ইন্টারনেটে অডিও, ভিডিও কলে কথা বলার পাশাপাশি চ্যাটিং করাও যোগাযোগের জনপ্রিয় মাধ্যম।

চ্যাটিং করতে গেলেই প্রয়োজন হয় টাইপিং করার জন্য কিবোর্ড।এন্ড্রোয়েড ফোনে সাধারণত ইংরেজি কিবোর্ড ডিফল্ট হিসেবে থাকে।অনেকেই দেখা যায় বাংলা কথা বলতে ইংরেজি কিবোর্ড ব্যবহার করে চ্যাটিং করে।চ্যাটিং না হয় শর্টকাটে এভাবে সেরে নেয়া যায় কিন্তু ফেসবুকে একটা স্ট্যাটাস শেয়ার করতে হলে কি করবেন?

ফেসবুকে বাংলাভাষীরা এখন বাংলাতেই স্ট্যাটাস দিয়ে থাকেন।আর বাংলায় টাইপ করতে হলে অবশ্যই বাংলা কিবোর্ড প্রয়োজন।ফেসবুক বা চ্যাটিং একটি উদাহরণ মাত্র। আসলে বাংলা কিবোর্ডের প্রয়োজনীয়তা অনেক।এটি মোবাইল ফোনের জন্য বর্তমানে একটি অপরিহার্য অ্যাপ।

বাংলা টাইপ করতে হলে প্রয়োজন বাংলা কিবোর্ড apps।বাংলা কিবোর্ডের কোনো অভাব নেই।বাংলা কিবোর্ড ডাউনলোড করা খুবই সহজ।এখানে আমরা শেয়ার করেছি সেরা কিছু সহজ বাংলা কিবোর্ড

এন্ড্রোয়েড অ্যাপস তৈরি এখন খুবই সহজ।এজন্য অ্যাপস তৈরি করে বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে অর্থ উপার্জনের জন্য অসংখ্য অ্যাপস তৈরি হচ্ছে প্রতিনিয়ত।বেশিরভাগ অ্যাপসই নিম্নমানের।প্রতিটি অ্যাপস ডাউনলোড করে যাচাই করে দেখতে প্রচুর সময়ের প্রয়োজন।বাংলা কিবোর্ড খুবই প্রয়োজনীয় একটি এন্ড্রোয়েড অ্যাপ।এখানে শুধুমাত্র বাছাইকৃত কিছু বাংলা কিবোর্ড apps ডাউনলোড করার লিংক শেয়ার করা হলো।আশাকরি এতে পাঠকের উপকার হবে এবং অনেক মূল্যবান সময় বাঁচবে।এরমধ্যে যেটি আপনার পছন্দ হয় সেটি ব্যবহার করতে পারেন।


মায়াবী কীবোর্ড ডাউনলোড





বাংলা কিবোর্ড এর মধ্যে আমি নিজে পছন্দের তালিকায় মায়াবি কিবোর্ড কে এক নম্বরে রেখেছি।প্রথম থেকেই এই কিবোর্ডটি ব্যবহার করছি।এটিই আমার কাছে সবদিক থেকে সুবিধাজনক মনে হয়।এর সহজ ইন্টারফেস এবং বর্ণমালা এমনভাবে সাজানো যে টাইপ করতে হলে অক্ষর খুঁজে বেড়াতে হয়না।কয়েকদিন ব্যবহার করলে যে কেউ অনুভব করতে পারবেন যে এটিই সবচেয়ে সহজ বাংলা কিবোর্ড।এটি দিয়েই ফোনে বাংলা টাইপিং করা বেশি সহজ।এমনকি এই লেখাটিও লেখা হয়েছে মায়াবী বাংলা কিবোর্ড দিয়ে।বাংলা কিবোর্ড হলেও এতে ইংরেজি টাইপ করার সুবিধাও যুক্ত রয়েছে।মায়াবী কীবোর্ড এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে ১২ই এপ্রিল ২০১১ সালে প্রকাশিত তথ্যমতে অ্যাপসটি পাবলিস হওয়ার প্রথম তিন সপ্তাহের মধ্যেই ৫০০ ডাউনলোড হয়েছিলো এবং এর মধ্যে বেশিরভাগ ডাউনলোড হয়েছিলো ইংল্যান্ড থেকে।বর্তমানে গুগল প্লে স্টোরের তথ্যমতে এটি ডাউনলোড হয়েছে 1 Million +! Mayabi Soft এর তৈরি কিবোর্ডটি ডাউনলোড করতে পারেন Google Play Store থেকে।

  • App Developer : Mayabi Soft
  • Rating : 4.2
  • Review : 20k
  • Download : 1M+


রিদ্মিক কিবোর্ড ডাউনলোড




গুগল প্লে স্টোর থেকে ডাউনলোডের সংখ্যা বিচার করলে রিদ্মিক কিবোর্ড এর জনপ্রিয়তাই তুলনামূলকভাবে বেশি বলতে হবে।কারণ ১০ মিলিয়নের অধিক ডাউনলোড করা হয়েছে রিদ্মিক কিবোর্ড। রিদ্মিক কিবোর্ডে বাংলা লেখার দুটি অপশন রয়েছে মায়াবী কিবোর্ডের মতোই।প্রভাতী নামে বাংলা লেআউটের পাশাপাশি অভ্রর মতো ফোনেটিক পদ্ধতিতেও বাংলা লেখা যায়।আবার ইংরেজি টাইপ করতে হলে নিচের স্পেস বাটনে হালকা চেপে ধরে ডানে বা বামে swipe করলেই English টাইপ অপশন চলে আসে।রিদ্মিক কিবোর্ড যুক্তাক্ষর লেখার নিয়ম মায়াবি কিবোর্ডের মতোই।যারা বাংলা কিবোর্ড ডাউনলোড করতে চান তারা রিদ্মিক কিবোর্ড ডাউনলোড করে দেখতে পারেন গুগল প্লে স্টোর থেকে।
  • Developer : Ridmik labs
  • Ratings : 4.5
  • Reviews : 127K
  • File Size : 5.4 MB
  • Download : 10M+
আরো বিস্তারিত জানতে official website ভিজিট করুন।


একুশে বাংলা কিবোর্ড

একুশে বাংলা নামে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন একটি কিবোর্ড উদ্ভাবন করেছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবি)  কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের একদল শিক্ষার্থী।শাবি ক্যাম্পাসে আনুষ্ঠানিকভাবে কিবোর্ডটি উদ্বোধন করেন লেখক অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ জাফর ইকবাল।বাংলা টাইপিং করার জন্য এই কিবোর্ডটিও ট্রাই করে দেখতে পারেন।এতে দ্রুত টাইপিং করার জন্য বিশেষ সুবিধা রয়েছে দাবি করা হয়।
Ekushe Banglalink Keyboard
Developer : SUST
Rating : 4.3
Reviews : 813
File size : 5MB
Downloads : 10K
ডাউনলোড Apk


বিজয় কিবোর্ড ডাউনলোড




বিজয় বাংলা কিবোর্ড এর নাম কে শোনেননি?এর আবিস্কারক মোস্তফা জব্বার।১৯৮৮ সালে কম্পিউটারে বাংলা টাইপ করার জন্য সর্বপ্রথম এই বাংলা কিবোর্ড আবিস্কার করেন তিনি।বাংলা কিবোর্ড এর মাঝে এটিই সবচেয়ে জনপ্রিয়।তবে এনড্রয়েড ফোনের জন্যও বিজয় বাংলা কিবোর্ড অ্যাপস রিলিজ করা হয়েছে।আমি নিজে এটি ব্যবহার করিনি।কেউ চাইলে সহজেই ডাউনলোড করে এটি ব্যবহার করতে পারেন।
Developer : Bijoy Digital
Ratings : 3.6
Reviews : 13K
File Size : 339KB
Download : 1M+

বাংলা ভয়েস কিবোর্ড

বাংলা ভয়েস টাইপিং করার সম্পূর্ণ টিউটোরিয়াল রয়েছে নিচের ইউটিউব ভিডিওতে।এতে সুবিধা হলো বাংলা টাইপিং করার জন্য লেখার প্রয়োজন নেই।শুধু মুখে বললেই টাইপ হয়ে যাবে।যারা বাংলা লিখতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেননা তারা এই বাংলা ভয়েস কিবোর্ড ব্যবহার করে দেখতে পারেন।

অন্যান্য বাংলা কিবোর্ড apps

উপরোক্ত কিবোর্ডগুলো ছাড়াও গুগল প্লে স্টোরে রয়েছে আরো অসংখ্য বাংলা কিবোর্ড।যে কেউ চাইলে এগুলোও পরীক্ষা করে দেখতে পারেন এবং সুবিধাজনক মনে হলে ব্যবহার করতে পারেন।নিচে এরকম কিছু বাংলা কিবোর্ড apps এর ডাউনলোড লিংক শেয়ার করা হলো।


স্মার্টফোনে বাংলা কিবোর্ড apps ইনস্টল করার নিয়ম

বাংলা কিবোর্ড Apk ফাইল ডাউনলোড করে ইনস্টল করলেই লেখা শুরু করা যায়না।বাংলা কিবোর্ড ইনস্টল করার পরও বাংলা লেখা শুরু করার আগে কিছু কাজ রয়েছে।এজন্য সঠিকভাবে আপনার পছন্দের বাংলা কিবোর্ড apps ডাউনলোড করে ইনস্টল করার পর স্মার্টফোনের সেটিংস অপশনে যেতে হবে।এরপর সেটিংস থেকে Languages & Input অপশনটি খুঁজে বের করতে হবে।একেক মডেলের স্মার্টফোনে একেক জায়গায় অপশন‌টি থাকে।Languages & input অপশনে গিয়ে আপনার ইনস্টল করা বাংলা কিবোর্ড সিলেক্ট করলেই কাজ হয়ে যাবে।এরপর যেখানে বাংলা টাইপ করতে চান সেখানে tap করলেই লেখার জন্য বাংলা কিবোর্ড open হয়ে যাবে।যদি অটোমেটিক না আসে তাহলে tap করে চেপে ধরলে কিবোর্ড সিলেক্ট করার অপশন আসবে।তখন আপনার ইনস্টল করা কিবোর্ডটি সিলেক্ট করে লেখা শুরু করতে পারবেন।


বাংলা কিবোর্ড




Wednesday, 16 January 2019

January 16, 2019

নিবন্ধনের বয়স নির্ধারণ | নিবন্ধনের নিয়োগের বয়স ৩৫ নিয়ে আদালতে নতুন রীট

শিক্ষক নিবন্ধনের বয়সসীমা

নিবন্ধনের বয়স নিয়ে আলোচনার আগে বলতে হয় শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় যারা উত্তীর্ণ হয়েছেন তারা জানেন বিভিন্ন জটিলতার কারণে দুই বছরের অধিক সময় ধরে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগ বন্ধ।শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে চলছে শিক্ষক সংকট ফলে স্থবির হয়ে পড়েছে শিক্ষা ব্যাবস্থা। প্রজ্ঞাপন জারি করে এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা কমিটির হাত থেকে তুলে নিয়ে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন এবং প্রত্যয়ন কতৃপক্ষ NTRCA এর হাতে অর্পণ করা হয়েছে। কিন্তু এ পর্যন্ত ২০১৬ সাল নাগাদ একটি নিয়োগই তারা সম্পন্ন করতে পেরেছে। এরপরই নানা অনিয়ম এবং দুর্নীতির অভিযোগে নিবন্ধনকারীদের রীট পিটিশনের সম্মুখীন হতে হয় তাদের। ফলে আদালতের নির্দেশে মীমাংসার আগ পর্যন্ত নিয়োগ কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়।ফলে নিবন্ধনের নিয়োগের বয়স ৩৫ করায় চিন্তিত নিবন্ধনকারীগণ।শিক্ষক নিবন্ধনের বয়স নির্ধারিত হলেও সময়মতো নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালিত না হওয়ায় হতাশ অনেক নিবন্ধনকারী।নিবন্ধনের নিয়োগের বয়স নির্ধারিত হয়েছে নতুন এমপিও নীতিমালায়।

সম্প্রতি ২০১৭ সালের ১৪ই ডিসেম্বর নিবন্ধনকারীদের দায়ের করা ১৬৬টি রীট পিটিশনের মীমাংসা করে একটি রায় দিয়েছে আদালত। এতে রায়ের কপি হাতে পাওয়ার নব্বুই কার্যদিবসের মধ্যে নিবন্ধনকারীদের একটি সমন্বিত মেধাতালিকা করে নিয়োগ দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। ফলে নতুন করে আবার শিক্ষক নিয়োগের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। ইতোমধ্যেই গত ১০ই জুলাই নিবন্ধনকারীদের সেই কাঙ্ক্ষিত মেধাতালিকা প্রকাশ করেছে NTRCA। নিবন্ধনকারীগণ শুধু যথাসময়ে সার্কুলার এবং গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে নিয়োগ দেয়ার অপেক্ষায় ছিলেন।কিন্তু পুনরায় জটিলতা দেখা দিয়েছে চাকুরীতে প্রবেশের বয়সসীমা নিয়ে।

আদালত সরকার তথা NTRCA কে বলেছে এসব বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চাকুরীতে প্রবেশের একটি বয়সসীমা নির্ধারণ করে দিতে যা বিগত সময়ে ছিলোনা।NTRCA এর প্রতি আদালতের দেয়া নির্দেশনার ৭ম ধারায় বলা হয়েছে " In the entry process of the job since no age limit has been fixed in any of the provisions of law, so we are of the view that the government should take an immediate appropriate initiative for fixing the age limit of the applicants for the purpose of appointment of the teachers to the non government educational institution.

এরই প্রেক্ষিতে গত ৩রা জুন ২০১৮ শিক্ষা মন্ত্রনালয় বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চাকুরীতে প্রবেশের জন্য বয়সসীমা নির্ধারণ করতে NTRCA কে নিয়ে একটি সভার আয়োজন করে। কিন্তু সেই সভা থেকে এখন পর্যন্ত অর্থাৎ এই আর্টিকেলটি লেখা পর্যন্ত কোনো লিখিত সিদ্ধান্ত বা প্রজ্ঞাপণ প্রকাশ করা হয়নি। ফলে চাকুরীতে প্রবেশের কোনো বয়সসীমাও নির্ধারণ করা হয়নি NTRCA এর পক্ষ থেকে।

এখানে লক্ষ্যণীয় যে আদালতের নির্দেশনায় এন্ট্রী লেভেলে বয়স নির্ধারনের কথা বলা হয়েছে। এতে অনেকেই ভেবেছিলেন যে এন্ট্রি লেভেল বলতে নিবন্ধন পরীক্ষায় অংশগ্রহণের কথা বলা হয়েছে। অর্থাৎ যারা নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে সার্টিফিকেট অর্জন করেছেন তারা ইতোমধ্যেই এন্ট্রি লেভেল পার হয়ে গিয়েছেন। তাদের ক্ষেত্রে আর বয়সের বিধিনিষেধ কার্যকর হবেনা। কারণ আদালত সার্টিফিকেটের মেয়াদ আজীবন করে দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। এ যুক্তির আলোকে তারা সরকারি চাকুরীতে নিয়োগের উদাহরণও টেনেছেন। যেমন: সরকারি চাকুরীতে প্রবেশের বয়স এখন ৩০। কোনো আবেদনকারী যদি ঠিক ৩০ বছর বয়সে কোনো সরকারি চাকুরীতে আবেদন করে তাহলে ৩০ বছর অতিক্রম করার পরও সে সেই চাকুরীর পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারে এবং উত্তীর্ণ হলে বয়স ৩০ বছর পার হয়ে গেলেও চাকুরীতে প্রবেশ করতে পারে।

তাদের এ যুক্তিটি সঠিক এবং NTRCA ও শিক্ষা মন্ত্রণালয় চাইলে আদালতের নির্দেশনার এ ব্যাখ্যাটি ধরেও কার্যক্রম চালাতে পারতো। 

এদিকে শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ গত ১২/০৬/১৮ তারিখে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (স্কুল ও কলেজ)  এর জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা, ২০১৮ জারি করেছে। এ নীতিমালায় ১১.৬ ধারায় বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক,কর্মচারীদের চাকুরীতে প্রথম প্রবেশের সর্বোচ্চ বয়স ৩৫ নির্ধারণ করা হয়েছে। এখানে সরাসরি চাকুরীতে প্রবেশের কথাই বলা হয়েছে, নিবন্ধন পরীক্ষায় অংশগ্রহণের কথা বলা হয়নি। 


এখন জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালায় যদি চাকুরীতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ নির্ধারণ করা হয় সেক্ষেত্রে NTRCA ও চাকুরীতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ করতে বাধ্য! এখন প্রশ্ন ওঠে তাহলে নিবন্ধন পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য সর্বোচ্চ বয়স নির্ধারণ করা হবে কিভাবে?

ধরা যাক যদি নিবন্ধন পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সর্বোচ্চ বয়স ৩৫ নির্ধারণ করা হয় এবং একজন পরীক্ষার্থী যদি তার বয়স শেষ হওয়ার ঠিক আগ মুহুর্তে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য আবেদন করে তাহলে তার পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে পুনরায় চাকুরীর জন্য আবেদন করতে গেলে স্বাভাবিকভাবেই বয়স ৩৫ অতিক্রম হয়ে যাবে। সেক্ষেত্রে সে চাকুরীতে প্রবেশ করবে কিভাবে?সুতরাং এই সমস্যার সমাধান হবে কিভাবে?তাহলে কি নিবন্ধন পরীক্ষায় অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে কোনো বয়স নির্ধারণ করে দেয়া হবেনা?

যদি নিবন্ধন পরীক্ষাকে এন্ট্রি লেভেল ধরে নিয়ে নিবন্ধন পরীক্ষায় অংশগ্রহণে বয়স নির্ধারণ করা হতো তাহলে ১ম থেকে এখন পর্যন্ত উত্তীর্ণ সকল নিবন্ধনকারীই চাকুরীতে নিয়োগের যোগ্য থাকতো এমনকি তাদের বয়স ৩৫ অতিক্রম করলেও। আর যদি চাকুরীতে প্রবেশকে এন্ট্রি লেভেল ধরা হয় তাহলে ৩৫ প্লাস বয়সীরা সবাই ঝরে পড়বে! কিন্তু সেক্ষেত্রে প্রশ্ন থেকেই যায় তাহলে পঁয়ত্রিশের নিচে ঠিক কত বছর বয়স পর্যন্ত একজন পরীক্ষার্থী নিবন্ধন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে?প্রশ্নটির উত্তর পেতে হয়তো আরো বেশ কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে সবাইকে।

এদিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় যে নিবন্ধন পরীক্ষা নয় বরং সরাসরি চাকুরীতে প্রবেশের বয়সই ৩৫ নির্ধারণ করে ফেলেছে তা স্পষ্টই বোঝা যাচ্ছে। শুধু বেসরকারি স্কুল কলেজই নয় বরং গত ১৯শে জুলাই ২০১৮ তারা পর্যায়ক্রমে "বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ( মাদ্রাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা ২০১৮" এবং "বেসরকারি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা ২০১৮ " জারি করেছে। যার যথাক্রমে ১১.৬ এবং ১৪.৭ ধারায় চাকুরীতে প্রবেশের বয়স ৩৫ নির্ধারণ করা হয়েছে।

বলা হয়েছে " বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক কর্মচারীদের চাকুরীতে প্রথম প্রবেশের সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩৫ বছর। তবে সমপদে বা উচ্চতর পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে ইনডেক্সধারীদের জন্য বয়সসীমা শিথিলযোগ্য। শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন ভাতাদির সরকারি অংশ ৬০ বছর বয়স পর্যন্ত প্রদেয় হবে। বয়স ৬০ বছর পূর্ণ হবার পর কোনো প্রতিষ্ঠানে প্রতিষ্ঠান প্রধান /সহঃ প্রধান /শিক্ষক কর্মচারীকে কোনো অবস্থাতেই পুনঃনিয়োগ কিংবা চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেয়া যাবেনা। "

এখন শিক্ষা মন্ত্রণালয় এভাবে চাকুরীতে প্রবেশের বয়স ৩৫ নির্ধারণ করায় ৩৫ উর্ধ্ব নিবন্ধনকারীগণ আর চাকুরীর জন্য আবেদন করতে পারবেন না। অনেকে মনে করেন এটি আদালতের নির্দেশের সাথে সাংঘর্ষিক হয় কারণ আদালত সার্টিফিকেটের মেয়াদ আজীবন করে দেয়ার কথা বলেছে। তবে এর বিপক্ষের যুক্তিতে শোনা যায় এখন যেমন সরকারি চাকুরীতে বয়স ৩০ হওয়ার পরে আর আবেদন করা যায়না যদিও একাডেমিক সার্টিফিকেটের মেয়াদ ঠিকই আজীবন থেকে যায় এখানেও তেমনি হবে। সার্টিফিকেটের মেয়াদ আজীবনই থাকবে কিন্তু ৩৫ বছর অতিক্রম করার পরে আর কেউ আবেদন করতে পারবেন না।

সুতরাং দেখা যাচ্ছে যে এন্ট্রি লেভেলের বিষয়টি আদালত নির্দিষ্টভাবে ব্যাখ্যা না করায় ntrca চাকুরীতে প্রথম প্রবেশের বয়স সর্বোচ্চ ৩৫ করলেও আদালতের নির্দেশনার সাথে তা কিছুতেই সাংঘর্ষিক হয়না।

আরো পড়ুন :  NTRCA মেধাতালিকা

সর্বশেষে বলা যায় যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এ সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করার এখনও কোনো সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছেনা বরং তারা এটিই বাস্তবায়ন করার জন্য পরিকল্পিতভাবেই অগ্রসর হচ্ছে বলে মনে হচ্ছে। তবে পরিস্থিতি অনেক সময় পরিবর্তিত হয়ে যায়। ৩৫ উর্ধ্ব নিবন্ধনকারীগণ সময়োপযোগী কোনো কর্মসূচি গ্রহণ করতে পারলে ভবিষ্যতে হয়তো তাদের পক্ষেও ইতিবাচক কিছু হতে পারে।

অবশেষে নিবন্ধনকারীদের আবেদনের বয়স বিষয়ে আমাদের দেয়া তথ্যই সঠিক বলে প্রমাণিত হলো।ntrca গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে ১২/০৬/১৮ তারিখ পর্যন্ত যাদের বয়স ৩৫ বা তার কম তারাই শুধুমাত্র শিক্ষক পদে আবেদন করতে পারবেন।এক্ষেত্রে শিক্ষামন্ত্রণালয় কতৃক প্রকাশিত সর্বশেষ এমপিও নীতিমালায় বর্ণিত বিধিমালা প্রযোজ্য হবে।আবেদন প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে ২রা জানুয়ারি ২০১৯।

এদিকে ৩৫বছর উর্ধ নিবন্ধনকারীগণ তাদের আবেদন করার অধিকার আদায়ের জন্য আদালতে রীট করেছেন।আদালত তাদের পক্ষে রুল জারীও করেছেন।নিবন্ধনের নিয়োগের বয়স নিয়ে আদালতের চূড়ান্ত রায় কি আসে তাই এখন দেখার বিষয়।শিক্ষক নিবন্ধন সংক্রান্ত সকল খবর জানতে নিয়মিত পড়ুন সমকাল ব্লগ।


বেসরকারি স্কুল কলেজের নতুন জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা ২০১৮ সরাসরি ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন। 


ডাউনলোড করুন বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ( মাদ্রাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা ২০১৮ 


বেসরকারি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা ২০১৮

শিক্ষক নিবন্ধন