Breaking

Translate

Tuesday, 13 November 2018

November 13, 2018

দারাজ অনলাইন শপিং।

দারাজ ডট কম, অনলাইন শপিং মল।



সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও অনলাইন শপিংয়ের জনপ্রিয়তা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। ভালোই ব্যাবসা করছে ই কমার্স ওয়েবসাইটগুলো। তবে বাংলাদেশের ই কমার্স কোম্পানিগুলোর মধ্যে সবার প্রথমে বলতে হয় daraz এবং আজকের ডিলের কথা। এ দুটো ই কমার্স ওয়েবসাইটের পরিচিতিই সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশে। আগামীতেও অনলাইন শপিংয়ের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি কারণ ইন্টারনেট সহজলভ্য হচ্ছে। স্মার্টফোনে সহজেই ইন্টারনেট ব্যাবহারের সুবিধা থাকায় ইন্টারনেট ব্যাবহারকারীর সংখ্যাও বৃদ্ধি পাচ্ছে। এছাড়া সামাজিক প্রচার মাধ্যম সহ বিভিন্ন মিডিয়ায় ই কমার্স ওয়েবসাইটগুলোর প্রচার প্রচারণার ফলে অনলাইন শপিংয়ের প্রতি মানুষের আগ্রহ এবং আস্থা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এবং এ আগ্রহ তরুণ তরুণীদের মধ্যেই বেশি।

ই কমার্স বা অনলাইন শপিং নিয়ে এই লেখাটি কাদের জন্য?


বাংলাদেশের অনলাইন শপিংয়ের বাজারে বড় একটি  জায়গা দখল করে আছে ই কমার্স কোম্পানি daraz bd। এই পোস্টের আলোচ্য বিষয় মূলত daraz কে নিয়েই। দারাজের একজন নিয়মিত গ্রাহকের মুখ থেকে শুনবো daraz bd তে তার শপিংয়ের অভিজ্ঞতা। একজন গ্রাহক হিসেবে দারাজ ডটকম থেকে সে কেমন সেবা পেয়েছে এবং কোনো অসুবিধার সম্মুখীন হয়েছে কিনা বিস্তারিত শুনবো তার কাছে। যারা অনলাইনে শপিং করার আগে ভালোমন্দ ও বিশ্বস্ততা যাচাই করতে চান তাদের জন্য উপকারী হতে পারে লেখাটি।

দারাজ কি? দারাজ ডট কম এর সংক্ষিপ্ত পরিচিত :


২০১২ সালে বাংলাদেশে ব্যাবসা শুরু করে অনলাইন শপিং মল দারাজ। অবশ্য এটি বাংলাদেশের কোনো e-commerce প্রতিষ্ঠান নয়। মূলত জার্মানির কোম্পানি রকেট ইন্টারনেটের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান এই daraz ই-কমার্স বাংলাদেশের পাশাপাশি পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, মিয়ানমার ও নেপালেও অনলাইনে ব্যাবসা চালিয়ে আসছে।
জার্মানির রকেট ইন্টারনেট ও কাতারের ওরিডু গ্রুপের মিলিত ভেঞ্চার হিসেবে ২০১৫ সালে চালু করা হয় এশিয়া প্যাসিফিক ইন্টারনেট গ্রুপ বা এপিএসিআইজি। এশিয়া মহাদেশে উদীয়মান যত ইন্টারনেটভিত্তিক ব্যবসার সুযোগ রয়েছে সেগুলিকে কাজে লাগানোর জন্য তারা কার্যক্রম শুরু করে। এপিএসিআইজি এ পর্যন্ত বেশ কিছু কোম্পানিকে দাঁড় করায়, যার মধ্যে রয়েছে লামুডি, দারাজ ডট কম, লাজাডা, জালোরা ইত্যাদি।
সর্বশেষ খবর হলো সম্প্রতি মে ২০১৮তে চীনের জায়ান্ট আলিবাবা গ্রুপ কিনে নিয়েছে daraz bd কে। ফলে দারাজ এখন আরো আধুনিক রূপে ই-কমার্স ব্যাবসার পথে অগ্রসর হচ্ছে।


বাংলাদেশের বেশিরভাগ মানুষ এখনও অনলাইন শপিংয়ে আগ্রহী নয় কেন? 


অনেকেই জানেন অনলাইনে কেনা কাটা করা যায়। কিন্তু এখনো সবার আস্থা নেই অনলাইন শপিংয়ে। অনেকেই কোনো ই কমার্স ওয়েবসাইটের পণ্য পছন্দ হলেও দ্বিধায় ভোগেন কিনবেন কিনা। এর পিছনে নিশ্চয়ই কোনো না কোনো কারণ আছে। যেমনঃ
  • বাংলাদেশের মানুষ দর দাম করে কেনাকাটায় অভ্যস্ত। ফিক্সড রেটে পণ্য ক্রয় করলে ঠকতে হয় এমনই ধারণা অনেকের।
  • শুধু পণ্যের ছবি দেখে এবং বর্ণনা পড়েই পণ্য পছন্দ করতে হয়। বাস্তবে পণ্যের সাথে এসব ছবি এবং বর্ণনা ১০০% নাও মিলতে পারে বলে অনেকের বিশ্বাস।
  • এছাড়াও পণ্যের ডেলিভারির জন্য সময় এবং খরচেরও একটি বিষয় আছে।

এসব কারণেই বেশিরভাগ মানুষ অনলাইন শপিংয়ে পিছপা হন বা আগ্রহী হন না।



নিয়মিত অনলাইনে কেনাকাটা করেন হবিগঞ্জের নজরুল খান। হবিগঞ্জ সরকারি পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটের সিভিল ইন্জিনিয়ারিং বিভাগের ছাত্র তিনি। তবে Online shopping এ তার প্রথম পছন্দ দারাজ ডটকম। এ বিষয়ে বিস্তারিত কথা হলো তার সঙ্গে। আসুন e commerce website daraz থেকে কেনাকাটা করার বিষয়ে তার অভিজ্ঞতা জেনে নেয়া যাক!

প্রথমেই প্রশ্ন করলাম daraz থেকে শপিং করতে পছন্দ করেন কেন?


উত্তরে বললেন e commerce ওয়েবসাইটগুলোর মাঝে daraz এর সেবার মান সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে তাই।

কতদিন আগে থেকে daraz এ কেনাকাটা করেন?

-- ২০১৬ সাল থেকে।

এ পর্যন্ত কতগুলো পণ্য কিনেছেন daraz থেকে?

-- ১৫টি পণ্য কিনেছি।

পণ্যের গুনগত মান কেমন ছিলো?

--ভালোই তবে দুটি পণ্য ফেরত পাঠাতে হয়েছে কোয়ালিটি খারাপ হওয়ার কারণে।

পণ্য দুটি কি কি ছিলো এবং কি সমস্যা ছিলো?

-- পণ্য দুটি ইলেকট্রনিক্স পণ্য ছিলো। একটি Kemei ব্র্যান্ডের ইলেকট্রিক শেভার এবং আরেকটি মোবাইলের ক্যামেরা লেন্স। শেভারটির পাওয়ার অন হতোনা এবং লেন্সের পিকচার কোয়ালিটি খুব খারাপ ছিলো।

পণ্যগুলির মূল্য কতো ছিলো এবং কি ব্যাবস্থা করলেন?

-- ইলেকট্রিক শেভারের মূল্য ছিলো ৮০০ টাকা এবং লেন্সের মূল্য ২০০০ টাকা। ইলেকট্রিক শেভারটি ফেরত দিয়ে এর পরিবর্তে ভাউচার কুপন নিয়েছি যা দিয়ে পরবর্তী ১৮০ দিনের মধ্যে সমপরিমাণ টাকার যে কোনো পণ্য ক্রয়ের সুযোগ ছিলো। আর লেন্সটি ফেরত দিয়ে ক্যাশ টাকা বিকাশে ফেরত নিয়েছি।

পণ্য ফেরত দেয়ার পর আপনার টাকা সঠিকভাবে ফেরত পেয়েছিলেন নাকি কিছু ক্ষতি হয়েছিলো?

-- কোনো ক্ষতি হয়নি। ৮০০ টাকার ইলেকট্রিক শেভার ফেরত দিয়ে ১৬০ টাকা ক্যুরিয়ার খরচসহ মোট ৯৬০ টাকার ভাউচার কুপন পেয়েছিলাম। লেন্সের ২০০০ টাকার সাথে ক্যুরিয়ার খরচ ১৬০ টাকা এবং বিকাশ একাউন্টের ক্যাশআউট চার্জ ৪০ টাকা সহ মোট ২২০০ টাকা ফেরত পেয়েছিলাম।

দারাজ অনলাইন শপিং এর বিক্রয়কালীন এবং বিক্রয়ত্তোর সেবা কেমন?

-- সেবার মানের জন্যই daraz পছন্দ করি। যে কোনো বিষয়ে অভিযোগ অথবা প্রশ্ন করলে দ্রুত সমাধান পাওয়া যায়। এছাড়া পণ্যের ডেলিভারীও খুব দ্রুত। যে কোনো পণ্যের ওয়ারেন্টি থাকলে তার সেবার দায়িত্ব বহন করে। পণ্যের কোনো সমস্যা হলে বা রিটার্ন গেলে পরিবহন খরচ সম্পূর্ণরূপে বহন করে।

বাজার দরের তুলনায় daraz এ পণ্যের মূল্য কেমন? সামঞ্জস্যপূর্ণ?

-- কিছু পণ্যের মূল্য বাজার দরের চেয়ে বেশি এবং কিছু পণ্যের মূল্য বাজার দরের চেয়ে কম। তবে মাঝেমধ্যেই সাশ্রয়ী অফার থাকে দারাজে। কিছুদিন আগে আমার কাজিন সুমনেকে একটি পাওয়ার ব্যাংক কিনে দেই daraz থেকে যার বাজার মূল্য ছিলো ৯০০ টাকা। অথচ দারাজ থেকে কিনলাম ৬৫০ টাকায়!



অনলাইন শপিং কি, অনলাইন শপিং বিডি ঢাকা, সবচেয়ে  বড় অনলাইন শপিং মল ইত্যাদি সম্পর্কে আপনাদের যে কোনো ভালো মন্দ অভিজ্ঞতা বা প্রশ্ন আমাদের সাথে শেয়ার করতে পারেন এখানে কমেন্ট করে। এমনকি দারাজ
থেকে কিভাবে এফিলিয়েট মার্কেটিং করে আয় করবেন সে বিষয়েও আগামীতে আলোচনা করা হবে সমকাল ব্লগ। 

 Daraz online shopping, অনলাইন শপিং, অনলাইনে কেনাকাটা।


Monday, 12 November 2018

November 12, 2018

এনটিআরসিএ শিক্ষক নিয়োগ ২০১৮।

বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত তথ্য।




NTRCA হতে উত্তীর্ণ নিবন্ধনকারীগণ অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চাকুরী করার জন্য।এজন্য তারা দিন গুনছেন কখন প্রকাশিত হবে বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০১৮। কারণ NTRCA থেকে গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পরেই তারা বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগ আবেদন করতে পারবেন।


কিন্তু এনটিআরসিএ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের আগে চলছে শুন্য পদের চাহিদা গ্রহণ বা e-Requisition। বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের শুন্য পদের চাহিদা দেয়ার পরেই আসবে কাঙ্ক্ষিত গণবিজ্ঞপ্তি।

২০১৮ সালের নিয়োগের জন্য প্রথম শুন্য পদের চাহিদা বা e-Requisition গ্রহণ করা শুরু হয় ২৬/০৮/১৮ তারিখ থেকে। সময় দেয়া হয় ১৩/০৯/১৮ তারিখ পর্যন্ত। কিন্তু এ সময়ের মধ্যে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের শুন্য পদের চাহিদা প্রদানের কাজ সম্পন্ন করতে না পারায় সময় বাড়িয়ে দেয় NTRCA।




১১/০৯/১৮ তারিখে এনটিআরসিএ নোটিশ দিয়ে e-Requisition প্রদানের সময়সীমা ২৩/০৯/১৮ তারিখ রাত ১২ টা পর্যন্ত বর্ধিত করে। এরপরও শুন্য পদের চাহিদা গ্রহণের কাজ সম্পন্ন না হওয়ায় অনেক নিবন্ধনকারী অস্থিরতায় ভুগছেন। কারণ বিগত দুই বছর ধরে তাদের নিয়োগ বন্ধ। এদিকে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চাকুরীতে প্রবেশের বয়স ৩৫ নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে। এতে অনেক নিবন্ধনকারীই হয়তো আবেদন করতে পারবেন না আবার অনেক নিবন্ধনকারীর বয়স শেষের দিকে। ফলে তারা NTRCA এর ঢিলেঢালা নিয়োগ প্রক্রিয়ার কারণে আবেদন করার সুযোগ হারানোর আশংকা করছেন।


আবার অনেক নিবন্ধনকারীর মতামত হলো শুন্য পদের চাহিদা গ্রহণে সময় বেশি লাগলেও যেনো প্রক্রিয়াটি ত্রুটিমুক্ত হয়। কারণ ইতোপূর্বে অনেক ভুলত্রুটির অভিযোগ আছে। আবার প্রত্যেকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি শুন্য পদের চাহিদা প্রদান যেনো নিশ্চিত হয় সেই দাবিও নিবন্ধনকারীদের।

এদিকে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত দ্বিতীয় দফায় e-Requisition প্রদানের সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে। বলা হয়েছে এটিই শেষ বারের মতো সময় বর্ধন। এর পরে আর সময় বর্ধিত করা হবেনা। তবে কেন এ সময় বর্ধিত করা হলো সে ব্যাখ্যাও দিয়েছে NTRCA।

২৩/০৯/১৮ তারিখে ntrca এর একজন উপ পরিচালক দীনা পারভীন (শিক্ষা তত্ত্ব ও শিক্ষা মান) কতৃক স্বাক্ষরিত নোটিশে বলা হয়েছে :




বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহ হতে শূন্য পদের চাহিদা (e-Requisition) প্রদানের সময়সীমা একবার বৃদ্ধি  করার পরেও দেখা যাচ্ছে যে, বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান User ID,Password হারানো, e-Registration না করা এবং ভুল Requisition Submission সৃষ্ট সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন।
এমতাবস্থায়, উপরে উল্লেখিত সমস্যাসমূহ নিরসনকল্পে  e-Registration সম্পন্নকরত শূন্য পদের চাহিদা (e-Requisition)/সংশোধিত e-Requisition প্রদানে সময়সীমা আগামী ৩০.০৯.২০১৮ তারিখ রাত ১২.০০ ঘটিকা পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হলো৷উক্ত তারিখের পর আর সময়সীমা বৃদ্ধি করা হবে না।
সত্যিই এরপর আর বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগ তালিকা বা শুন্য পদের তালিকা দেয়ার সময় বৃদ্ধি করা হয়নি ! যথা সময়েই শেষ হয়েছে তালিকা সংগ্রহের কাজ। এখন শুুধ বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগ প্রজ্ঞাপন জারি হওয়ার অপেক্ষা! যে কোনো সময় এনটিআরসিএ নোটিশ জারির মাধ্যমে প্রকাশ করবে বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগ প্রজ্ঞাপন ২০১৮।সে পর্যন্ত ধৈর্য্য ধরে অপেেক্ষা করতেই হবে নিবন্ধনকারীদের। 


NTRCA এর মাধ্যমে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শুন্য পদের চাহিদা গ্রহণ শেষ পর্যায়ে।

Sunday, 11 November 2018

November 11, 2018

বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগ ২০১৮ কি দুর্নীতি মুক্ত হবে?

NTRCA এর মাধ্যমে বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগ পদ্ধতি কি সম্পূর্ণ স্বচ্ছ এবং দুর্নীতি মুক্ত হতে যাচ্ছে?




বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কতৃপক্ষ NTRCA এর মাধ্যমে সারা দেশের বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে। গত ১৩ই সেপ্টেম্বর ২০১৮ তারিখের মধ্যেই সারাদেশের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শূন্য পদের তালিকা সংগ্রহের কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিলো। কিন্তু পুনরায় আরেকটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে শূন্য পদের চাহিদা দেয়ার সময়সীমা আরো দশদিন বৃদ্ধি করা হয়েছে। ফলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শূন্য পদের চাহিদা দেয়ার জন্য ২৩/০৯/১৮ তারিখ পর্যন্ত সময় পাচ্ছেন বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ!

নিবন্ধনকারীগণ আশা করছেন যেহেতু আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী ১ম থেকে এখন পর্যন্ত উত্তীর্ণ সকল নিবন্ধনকারীদের নিয়ে প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে একটি বিষয়ভিত্তিক সমন্বিত মেধাতালিকা তৈরি করা হয়েছে এবং তা NTRCA এর ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে কাজেই এবার স্বচ্ছভাবেই নিয়োগ হতে চলেছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে।



জানা গেছে শূন্য পদের চাহিদা (e-Requisition) সংগ্রহের পরপরই বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০১৮ প্রকাশ করবে এনটিআরসিএ। এরপরই চাকুরীর জন্য বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগ আবেদন করতে হবে নিবন্ধনকারী চাকুরী প্রার্থীদের। আবেদনের পর বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগ তালিকা তথা মেধাতালিকা অনুযায়ী নির্বাচিত যোগ্য প্রার্থীকে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করবে NTRCA।

সবকিছু ঠিক থাকলে নিয়োগ স্বচ্ছ এবং দুর্নীতিমুক্ত ভাবেই হওয়ার কথা। কিন্ত সত্যিই কি বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগ ২০১৮ সম্পূর্ণ দুর্নীতিমুক্ত হতে যাচ্ছে?এই প্রক্রিয়ার মাঝে কি সত্যিই কোনো দুর্নীতির সুযোগ বা ফাঁকফোকর নেই?

কথা হলো একজন নিবন্ধনকারীর সাথে। তিনি ১০ম নিবন্ধনে ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিষয়ে স্কুল ও কলেজের নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ। চাকুরী করেন সরকারি BADC অফিসে তৃতীয় শ্রেণীর একটি পদে। জানালেন অনেক চেষ্টা করেছিলেন নিজ এলাকার বেসরকারি স্কুল অথবা কলেজে চাকরি পাওয়ার জন্য। এজন্য কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ঘুষও দিয়েছেন কিন্তু চাকরি হয়নি। অবশেষে ঘুষ ছাড়াই পরীক্ষায় পাশ করে BADC অফিসে তৃতীয় শ্রেণীর পদে চাকুরী হয়েছে।

এখন যেহেতু বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগ তালিকা তথা মেধাতালিকার ভিত্তিতে নিয়োগ দেয়া হবে এবং সকল নিবন্ধনকারীই বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগ আবেদন করার সুযোগ পাবে তাই কলেজের লেকচারার পদে চাকুরীর জন্য আবেদন করবেন তিনি। তাঁর খুব ইচ্ছে নিজ এলাকার কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা করবেন। এতে সুন্দরভাবে পরিবারের দেখাশোনা করতে পারবেন এবং পারিবারিক জমিজমারও দেখাশোনা করতে পারবেন।

কথা প্রসঙ্গে এই নিবন্ধনকারী জানালেন ইতোমধ্যেই একটি লোভনীয় প্রস্তাব পেয়েছেন তিনি। একজন NTRCA কর্মচারী প্রস্তাব করেছেন ৪০০০০০( চার লক্ষ ) টাকায় চাকুরীর নিশ্চয়তা দেবেন! মেধাতালিকায় অবস্থান যাই হোক না কেন চার লক্ষ টাকা দিলেই নিশ্চিত চাকুরী পাইয়ে দেবেন। তবে এজন্য ৫০০০০ ( পঞ্চাশ হাজার)  টাকা অগ্রিম দিতে হবে এবং বাকি টাকা নিয়োগ প্রাপ্তির সাতদিনের মধ্যেই পরিশোধ করতে হবে।

কিভাবে যোগাযোগ হলো সেই NTRCA কর্মচারীর সঙ্গে? জিজ্ঞেস করায় উক্ত নিবন্ধনকারি জানালেন তাঁর একজন চাচাতো ভাই আছেন যিনি ঢাকায় একটি বেসরকারি হাসপাতালে চাকুরি করেন।এনটিআরসিএর একজন কর্মচারির সাথে তাঁর যোগাযোগ আছে।তাঁর মাধ্যমেই প্রস্তাব পেয়েছেন। সরাস‌রি সেই কর্মচারীর ফোন নম্বর দেয়নি তবে সেই ভাইয়ের মাধ্যমে ফোনে তাঁর সাথে কথা হয়েছে।



সেই নিবন্ধনকারী আরো জানালেন চাকুরীর নিশ্চয়তা দিলেও নিজ এলাকায় চাকুরীর নিশ্চয়তা দেয়নি সেই কর্মচারি!চাকুরী কোথায় দিতে পারবে তা সময়মতো জানিয়ে দেবে এবং সেখানেই আবেদন করতে হবে। তবে পরবর্তীতে ট্রান্সফারের ব্যাবস্থা করে দিতে পারবে!

প্রস্তাবটি গ্রহণ করেছেন কিনা জিজ্ঞেস করায় বললেন এখনো রাজি হননি। গ্রহণ না করার সম্ভাবনাই বেশি। কারণ সেই ব্যাক্তি NTRCA অফিসে চাকরি করলেও সম্ভবত বড় কোনো কর্মকর্তা নন। তবে কোনো কর্মকর্তার সাথে যোগসাজশে হয়তো এসব করছেন। সেক্ষেত্রে কোনো কারণে চাকুরী না হলে টাকা ফেরত পেতে ঝামেলা হতে পারে এই আশংকায় তিনি এখনো রাজি হননি।

যদিও সেই নিবন্ধনকারীর দেয়া তথ্যের সত্যতা যাচাই করে দেখা সম্ভব হয়নি তবে সত্যিই যদি বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগ এরকম সিন্ডিকেটের কারণে কলুষিত হয় তাহলে তা নিবন্ধনকারীদের জন্য যথেষ্ট উদ্বেগজনক। ইতোপূর্বেও NTRCA থেকে নিবন্ধনের জালসনদ এবং টাকার বিনিময়ে নিবন্ধন সার্টিফিকেট বিক্রি নিয়ে অনেক সমালোচনা আছে। এমনকি আদালত তার Observation এ বলেছে গত ২০১৬ সালের নিয়োগ সম্পূর্ণ স্বচ্ছভাবে হয়নি বরং Pick and choose পদ্ধতিতে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এজন্যই রায়ে একটি দৃশ্যমান সমন্বিত মেধাতালিকা তৈরির কথা বলা হয়। যাতে আগামী নিয়োগ দুর্নীতি মুক্ত এবং স্বচ্ছ হয়।

নিবন্ধনকারী কারও গোচরে যদি এধরনের সিন্ডিকেটের খবর থাকে তাহলে সম্ভব হলে সে ব্যাপারে NTRCA কতৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা উচিত। তাতে হয়তো যথাযথ ব্যাবস্থা গ্রহণ করতে পারে এনটিআরসিএ কতৃপক্ষ!

আবার কোনো প্রতারক চক্র NTRCA এর নাম ব্যবহার করে প্রতারণাও করতে পারে এই সুযোগে! সেক্ষেত্রে নিবন্ধনকারীদের সতর্ক থাকতে হবে যাতে লোভের ফাঁদে পড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হতে না হয়।



নিবন্ধনকারীরা নিজ নিজ এলাকায় যদি এরকম কোনো ঘটনা শুনে থাকেন তাহলে এখানে কমেন্ট করে আপনার অভিজ্ঞতা জানাতে পারেন। সর্বোপরি দুর্নীতি মুক্ত স্বচ্ছ নিয়োগ হোক এবং মেধাবী নিবন্ধনকারীরা শিক্ষকতার সুযোগ পাক এই কামনা আমাদের সকলের। বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত তথ্য সবার আগে জানতে চান? নিয়মিত পড়ুন আমাদের সমকাল ব্লগ

আরো পড়ুন :


লেখাটি প্রকাশ করার বিষয়ে সেই নিবন্ধনকারীর অনুমতি নেয়া সম্ভব হয়নি বিধায় তাঁর নাম, ঠিকানা প্রকাশ করা হলোনা।

NTRCA Update news

Friday, 9 November 2018

November 09, 2018

সকল বোর্ডের এসএসসি রুটিন ২০১৯ ডাউনলোড করো এখনই।

২০১৯ সালের এসএসসি পরীক্ষার রুটিন।


প্রিয় এসএসসি পরীক্ষার্থী বন্ধুরা আশা করি সবাই ভালো আছো। সবাই নিশ্চয়ই এসএসসি ২০১৯ পরীক্ষার জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত। চূড়ান্ত প্রস্তুতির জন্য সবাই পড়াশোনায় ব্যাস্ত সময় পার করছো কারণ হাতে আর খুব বেশি সময় নেই। যেকোনো সময় প্রকাশিত হবে এসএসসি রুটিন ২০১৯। সবাই ২০১৯ সালের এসএসসি পরীক্ষার রুটিন হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করছো।ফরম ফিলাপ শেষ হলেই দেয়া হবে রুটিন।সকল বোর্ডের ssc পরীক্ষার রুটিন 2019 একই হবে। তোমাদের জন্য সুখবর হলো ssc রুটিন ২০১৯ প্রকাশিত হওয়ার সাথে সাথেই তা আমাদের সমকাল ব্লগে প্রকাশ করা হবে।

যারা অনলাইনে এসএসসি পরীক্ষা ২০১৯ রুটিন ডাউনলোড করতে চাও তারা নিয়মিত আমাদের ব্লগে ভিজিট করতে পারো। এখানে একইসাথে দাখিল পরীক্ষার রুটিন ২০১৯ ও প্রকাশ করা হবে।




তোমরা জেনে আরো খুশি হবে যে আমরা সমকাল ব্লগে তোমাদের সুবিধার জন্য অভিজ্ঞ শিক্ষক দ্বারা প্রণীত এসএসসি সাজেশন ২০১৯ প্রকাশ করতে যাচ্ছি।এছাড়াও তোমরা সবাই জানো রুটিন প্রকাশ হওয়ার পরও পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে বিভিন্ন কারণে পরীক্ষার পূর্ব নির্ধারিত সময়সূচি অনেকসময় পরিবর্তন হয়ে যায়!সে ধরণের কিছু ঘটলেও আমরা তা যথাসময়ে জানিয়ে দেবো। কাজেই  2019 সালের ssc পরীক্ষার রুটিন এবং সাজেশন পেতে হলে নিয়মিত পড়তে হবে আমাদের সমকাল ব্লগ
২০১৯ সালের এসএসসি পরীক্ষার রুটিন


 ssc রুটিন ২০১৯ 


 এসএসসি সাজেশন ২০১৯ 

Thursday, 8 November 2018

November 08, 2018

বিকাশ একাউন্ট ব্লক হলে কি করবেন?বিকাশ একাউন্ট দেখার নিয়ম।

বিকাশে টাকা দেখার নিয়ম,বিকাশ একাউন্ট বন্ধ হলে করনীয়। 


ব্র্যাক ব্যাংকের বিকাশ একাউন্ট সম্পর্কে নতুন করে পরিচয় করানোর কিছু নেই।মোবাইল ব্যাংকিংয়ে বাংলাদেশে সবচেয়ে জনপ্রিয় মাধ্যম বিকাশ।আমাদের দৈনন্দিন টাকা পয়সা লেনদেনকে কতটা সহজ করে দিয়েছে বিকাশ তা বলার অপেক্ষা রাখেনা!বিশেষ করে সব শ্রেণীর মানুষের জন্যই ব্যাবহার উপযোগী হওয়ায় এটি এখন গ্রাহকদের পছন্দের তালিকায় প্রথম স্থান অধিকার করে নিয়েছে।তবে অসতর্ক হলে বা দুর্ঘটনা ঘটলে কখনো কখনো আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে!এসব বিবেচনা করেই বিকাশ গ্রাহকের নিরাপত্তার জন্য পিন নম্বরের বিষয়টি বেশ স্পর্শকাতর করেছে বলে আমার ধারণা।

তিন বারের বেশি ভুল পিন নম্বর দিয়ে টাকা ট্র্যানজেকশন বা ব্যালেন্স দেখার চেষ্টা করলেই বিকাশ একাউন্ট ব্লক হয়ে যাচ্ছে। আমি নিজে একবার ভুক্তভোগী হয়েছি। ঘনিষ্ঠ একজনের বিকাশ ব্যালেন্স চেক করতে তার সামনেই অনুমান করে পরপর তিনবার ভুল পিন নম্বর দিয়েছি।ফলাফল একাউন্ট ব্লক। দুজনের কেউই প্রথমে বুঝতে পারিনি এজন্য পরে কতটা ভুগতে হবে। ইয়ার্কি করতে করতেই এটা হয়েছে। প্রথমে ভেবেছিলাম হয়তো চব্বিশ ঘন্টার জন্য ব্লক করতে পারে!পরে আপনাআপনি ঠিক হয়ে যাবে!কিন্তু না!কোনভাবেই চেষ্টা করে একাউন্টটি আনব্লক করা সম্ভব হলোনা।খোঁজ নিয়ে জানলাম ভুল পিন নম্বর দিয়ে  টাকা ট্রান্সফার অথবা ব্যালেন্স দেখার চেষ্টার কারণে বিকাশ একাউন্ট লক হলে, তা ঠিক করতে হলে নিকটবর্তী বিকাশ কাস্টমার কেয়ারে যোগাযোগ করতে হবে।ভোটার আইডি কার্ড সহ নিজেই উপস্থিত হয়ে বিকাশ একাাউন্ট ঠিক করে নিতে হবে।আর জেলা শহরগুলোতেই শুধু আছে বিকাশ কাস্টমার সাপোর্ট সেন্টার! অবশেষে তাদের নিয়ম মেনেই ঠিক করতে হয়েছে একাউন্টটি। কাজেই এসব হয়রানি এড়াতে পিন নম্বর নিয়ে সতর্ক থাকাই উত্তম!

বিকাশ একাউন্ট দেখার নিয়ম

বিকাশ ব্যালেন্স চেক করার জন্য প্রথমে ডায়াল করুন *247#। ডায়াল করার পর আটটি অপশন আসবে।
1.Send Money
2.Mobile Recharge
3.Payment
4.Cash Out
5.Pay Bill
6.Remittance
7.My Bkash
8.Helpline
এখন আপনার বিকাশ একাউন্ট চেক করতে চাইলে 7 লিখে Send করুন।পাঁচটি অপশন আসবে।




1.Check Balance
2.Request Statement
3.Change Mobile Menu PIN
4.Manage Beneficiary
0.Main Menu
এখন 1 লিখে Send করলে Enter Menu PIN নামে একটি অপশন আসবে। এখানে আপনার PIN নম্বরটি লিখে Send করলেই বিকাশ একাউন্ট ব্যালেন্স চলে আসবে। এই হলো বিকাশে টাকা দেখার নিয়ম

এছাড়া বিকাশ অ্যাপ দিয়ে ব্যালেন্স দেখা আরো সহজ। আপনার ফোনে বিকাশ অ্যাপ download করা থাকলে দেখতে পাবেন উপরের দিকে লেখা রয়েছে Tap For Balance। ওখানে টাচ করলেই আপনার বিকাশ ব্যালেন্স চেক করতে পারবেন।

আপনার ফোনে বিকাশ এপ ইন্সটল করা না থাকলে এখান থেকে এখনই ডাউনলোড করতে পারবেন।
Get Tk 50 Bonus by using bKash App. Sign up here now.

 bkash app download link 


Tuesday, 6 November 2018

November 06, 2018

banglalink বন্ধ সিম অফার ২০১৮।

bl বন্ধ সিম অফার ২০১৮, বাংলালিংক সিম অফার ২০১৮।



bl বন্ধ সিম অফার এ পাচ্ছেন আকর্ষণীয় banglalink internet  এবং banglalink call rate অফার।বাংলালিংক বন্ধ অফার ২০১৮ অনুযায়ী দীর্ঘদিন ধরে অকার্যকর থাকা আপনার বাংলালিংক বন্ধ সিম পুনরায় চালু করলেই পাচ্ছেন স্পেশাল banglalink internet offer এবং banglalink call rate অফার। তবে আপনার বন্ধ সিমটি এই অফারের আওতাভুক্ত কিনা তা প্রথমেই যাচাই করে নিন। এজন্য কোনো একটি চালু banglalink SIM থেকে আপনার বাংলালিংক বন্ধ সিম নম্বরটি লিখে ফ্রীতে এসএমএস করুন 4343 নম্বরে। এসএমএসের জন্য কোনো টাকা চার্জ করা হবেনা। সিমটি বাংলালিংক বন্ধ সিমের অফার এর আওতাভুক্ত হলে সাথে সাথে ফিরতি এসএমএসের মাধ্যমে তা জানিয়ে দেয়া হবে। কোনো চালু বাংলালিংক নম্বর না থাকলে banglalink customer care এ যে কোনো নম্বর থেকে কল করে আপনার নম্বরটি বলে তা বন্ধ বাংলালিংক সিমের অফার 2018 এর উপযুক্ত কিনা তা জেনে নিন। বাংলালিংক কাস্টমার কেয়ার নম্বর +8801911304121।
আপনার বাংলালিংক বন্ধ সিম নম্বরটি যদি ভুলে গিয়ে থাকেন তাহলে সিমটি কোনো ফোনে তুলে *511*14# ডায়াল করলেই নম্বরটি দেখতে পাবেন।
আপনার বন্ধ নম্বরটি অফারের উপযুক্ত হলে প্রথমেই ২৩ টাকা রিচার্জ করতে হবে। রিচার্জ করা টাকাটি ব্যালেন্স এ থেকে যাবে। banglalink বন্ধ সিমের অফার পাওয়ার জন্য আমার দুটি বন্ধ বাংলালিংক সিম চালু করেছি। একটি সিমে ২৩ টাকা  ব্যালেন্স এ ছিলো আর একটি সিমে ৪০ মিনিট পেয়েছি যে কোনো নম্বরে কথা বলার জন্য! এখন দেখা যাক কি কি অফার পাচ্ছেন বন্ধ সিমটি চালু করার পর।

বন্ধ সিমে banglalink call rate অফার:


  • যেকোনো নাম্বারে ০.৯ পয়সা/সেকেন্ড, ১ সেকেন্ড পালস, মেয়াদ ৯০ দিন অর্থাৎ তিন মাস।
  • banglalink offer call rate মেয়াদ শেষ হলে আজীবন ১পয়সা/সেকেন্ড কলরেট উপভোগ করতে পারবেন।



SMS Offer : banglalink website এ উল্লেখ করা আছে অফারের আওতাভুক্ত আপনার বাংলালিংক বন্ধ সিম চালু করলে সাথে সাথে পাবেন ২০ টি এসএমএস (বাংলালিংক-বাংলালিংক) মেয়াদ ১০ দিন। তবে একটি সিমে আমি পেয়েছি ১০০০ এসএমএস (যে কোনো নম্বরে)  মেয়াদ ১৫ দিন।
আপনার মিনিট,এসএমএস এবং ইন্টারনেট ব্যালেন্স দেখুন *124*300# ডায়াল করে।

বন্ধ সিমে banglalink internet অফার:




  • সর্বমোট 11GB পর্যন্ত ইন্টারনেট পাওয়া যাবে।
  • ২৩ টাকা রিচার্জ করার সাথে সাথেই পাবেন 1GB internet মেয়াদ ১৫ দিন।
  • 1GB বোনাস ইন্টারনেট প্যাকের প্রতিদিনের সর্বোচ্চ ব্যবহারের লিমিট 350MB।
  • ইন্টারনেট ব্যালেন্স জানতে ডায়াল করুন *5000*109#।
  • প্রথমবার ২৩ টাকা রিচার্জের ১৫ দিন পরে গ্রাহকরা মাত্র ৯ টাকা রিচার্জে আকর্ষণীয় ডিসকাউন্টে ৭ দিনের মেয়াদে 1GB ইন্টারনেট প্যাক কিনতে পারবেন।
  • গ্রাহকরা ৫.৫ মাসে ১৫ দিন পরপর সর্বোচ্চ ১১ বার স্পেশাল ডিসকাউন্টে 1GB ইন্টারনেট প্যাকটি কিনতে পারবেন।
  • ২৩ টাকা অফারটি নেয়ার পরবর্তী ১৫ দিন পর্যন্ত ৯ টাকা রিচার্জ প্রযোজ্য নয়


বিঃদ্রঃ

২৩ টাকা রিচার্জের অফারটি শুধুমাত্র পুনঃসক্রিয় সাবস্ক্রাইবারদের জন্য প্রযোজ্য হবে এবং শুধুমাত্র একবার অফারটি নেওয়া যাবে। অন্য যেকোনো ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়।

৫% সাপ্লিমেন্টারি ডিউটি (এসডি), ১৫% ভ্যাট (ট্যারিফের উপর, এসডি সহ) এবং বেস ট্যারিফের উপর ১% সারচার্জ প্রযোজ্য।

এই অফারটি সীমিত সময়ের জন্য প্রযোজ্য।

কাজেই আপনার কোনো বাংলালিংক বন্ধ সিম থাকলে সিমটি চালু করে আজই গ্রহণ করুন বাংলালিংক অফার ২০১৮।


অসুবিধাগুলো:

  • বাংলালিংক সিমের অফার এ নন স্টপ ইন্টারনেট ব্যাবহার করতে চাইলে একটি সিম দিয়ে তা সম্ভব নয়। কারণ ইন্টারনেটের মেয়াদ ৭ দিন অথচ ১৫ দিন পরপর পাওয়া যাবে ১জিবি। এজন্য নন স্টপ ইন্টারনেট ব্যাবহার করতে চাইলে অন্ততপক্ষে দুটি বন্ধ সিম চালু করতে হবে।
  • প্রতিদিন 350MB এর বেশি ইন্টারনেট ব্যাবহার করা যাবেনা। যারা শুধুমাত্র বিভিন্ন Social media যেমনঃ Facebook, Whatsapp, imo, Facebook messenger ইত্যাদি ব্যাবহার করেন বা Online newspaper, blog, website ভিজিট করেন তাদের জন্য এটি যথেষ্ট তবে যারা ইউটিউব ভিডিও দেখেন তাদের জন্য ৩৫০এমবি পর্যাপ্ত নাও হতে পারে।
  • দুটি সিম একসাথে ব্যাবহার করলে ৭দিন পরপর সিম পরিবর্তন করতে হবে। এটি বিরক্তিকর বিষয়। দুটি সিম মেইনটেইন করা সত্যিই বেশ ঝামেলার। তবে স্বাভাবিক রেটে ইন্টারনেট প্যাকেজের যে দাম তার তুলনায় অনেক কম মূল্যে ইন্টারনেট ব্যাবহারের সুযোগ পাওয়া যাবে। এজন্য এটুকু ঝামেলা মেনে নেয়া যায়।





banglalink বন্ধ সিম অফার সম্পর্কে আপনাদের মতামত এবং অভিজ্ঞতা আমাদের সাথে শেয়ার করুন।

এই অফারটি ৩১শে আগস্ট ২০১৮ পর্যন্ত প্রযোজ্য ছিলো। ১লা সেপ্টেম্বর ২০১৮ থেকে বাংলালিংক বন্ধ সিম অফারে বেশকিছু পরিবর্তন এসেছে। তবে ৩১শে আগস্ট সময়ের মধ্যে যারা ২৩ টাকা রিচার্জ করে বন্ধ সিম চালু করেছেন তারা ইচ্ছে করলে এখনও ৯টাকা রিচার্জ করে ৭দিন মেয়াদে ১জিবি ইন্টারনেট ১৫ দিন পরপর নিতে পারবেন আবার চাইলে ১লা সেপ্টেম্বর থেকে চালু হওয়া নতুন বাংলালিংক বন্ধ সিম অফার ২০১৮ নিতে পারবেন।

বন্ধ সিম অফার বাংলালিংক ২০১৮ নতুন অফারে আগের মতোই প্রথমে ২৩ টাকা রিচার্জ করে বন্ধ সিমটি চালু করতে হবে। ২৩ টাকা কেটে নেয়া হবে এবং সাথে সাথেই পেয়ে যাবেন ১জিবি ইন্টারনেট, যেকোনো নম্বরে ৪০ মিনিট টকটাইম এবং ১০০০ এসএমএস। সবকিছুর মেয়াদ থাকবে ১৫ দিন। এছাড়াও পাবেন যে কোনো নম্বরে ০.৯ পয়সা প্রতি মিনিট কলরেট।এই নতুন বাংলালিংক বন্ধ সিম অফার 2018 এর আকর্ষণীয় দিক হলো বন্ধ সিমটি চালু করার পর তিন মাস পর্যন্ত যতখুশি ততবারই ২৩ টাকা রিচার্জ করে উপরোক্ত বান্ডিলটি পাওয়া যাবে। মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার আগে পুনরায় ২৩ টাকা রিচার্জ করলে আগের মিনিট ,ডাটা এবং এসএমএস নতুন ব্যালেন্সের সাথে যোগ হবে এবং মেয়াদ পুনরায় ১৫ দিন বেড়ে যাবে! অফার ব্যালেন্স দেখতে ডায়াল করুন *124*300#।




মোবাইল সিম অপারেটরগুলো ঘনঘন তাদের অফার পরিবর্তন করে। আমার প্রথম বন্ধ সিমটি চালু করেছিলাম ৩১শে আগস্ট এবং দ্বিতীয় সিমটি চালু করেছি ১১ই সেপ্টেম্বর। এজন্যই দুটি সিমে দুইরকম অফার পেয়েছি। প্রথমে বুঝতে পারিনি পরে কাস্টমার কেয়ারে কল করে নিশ্চিত হয়েছি। বাংলালিংক বন্ধ সিমের অফার ২০১৮ সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানতে সরাসরি বাংলালিংক ওয়েবসাইট ভিজিট করুন।
বাংলালিংক বন্ধ সিমে banglalink internet offer ও banglalink call rate offer।


Saturday, 3 November 2018

November 03, 2018

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ গাইড pdf free download

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ গাইড pdf, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ।





গত ৩০শে জুলাই প্রকাশিত হয়েছে প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০১৮। আবেদন প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে ৩০শে আগস্ট। যারা প্রাথমিক শিক্ষক হওয়ার জন্য আবেদন করেছেন তারা সবাই পরীক্ষার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন। জানা গেছে খুব শীঘ্রই অনুষ্ঠিত হবে প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮। আপনারা জানেন প্রাথমিক নিয়োগ পরীক্ষা বাংলাদেশের অন্যতম একটি বড় নিয়োগ পরীক্ষা। প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০১৮ প্রকাশিত হওয়ার পর সারাদেশ থেকে মোট ২৪ লাখ ১ হাজার ৫৯৭টি আবেদন জমা পড়েছে। অথচ প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি 2018 অনুযায়ী নিয়োগ দেয়া হবে ১২০০০ শিক্ষক! এ থেকে সহজেই বোঝা যাচ্ছে কি পরিমাণ প্রতিযোগিতার সম্মুখীন হতে হবে পরীক্ষার্থীদের।

প্রাইমারী পরীক্ষার প্রশ্ন খুব সহজ হয়না। পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার জন্য যথেষ্ট অনুশীলনের প্রয়োজন। এজন্য অনেকেই বিভিন্ন কোচিং সেন্টারে ভর্তি হয়ে প্রাথমিক বিদ্যালয় নিয়োগ পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে থাকেন। তবে ব্যায়বহুল হওয়ার জন্য অনেকেই এসব কোচিং সেন্টারে ভর্তি হতে পারেননা। আবার শহর হতে দূরে অবস্থানের কারণেও অনেক পরীক্ষার্থীকে শুধু বাড়িতে বসে বই পড়েই পরীক্ষার প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হয়।




পরীক্ষার্থীদের প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে সহযোগিতা করার জন্য আমরা ইতোমধ্যেই প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার সাজেশন ২০১৮ প্রকাশ করেছি।
আজকের প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত হেল্প পোস্টের আলোচ্য বিষয় হলো প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ বই

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ গাইড pdf free download লিখে অনেকেই গুগলে সার্চ করে প্রাথমিক নিয়োগ পরীক্ষা গাইড খোঁজেন। কিন্তু কোনো ওয়েবসাইটেই তাঁরা প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ গাইড pdf খুঁজে পান না। কারণ এখনো প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ গাইড pdf ইন্টারনেটে কেউ আপলোড করেননি। কেউ আপলোড না করলে বই খুঁজে পাবেন কিভাবে?এজন্য প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ গাইড pdf download নামে যারা বিভিন্ন ওয়েবসাইটে পোস্ট লিখছেন তাদের দেয়া লিংকে প্রবেশ করে অযথাই সময় নস্ট হচ্ছে পরীক্ষার্থীদের। তাই আমাদের অনুরোধ অযথাই প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ বই pdf না খুঁজে বরং pdf ভার্সন পড়তে চাইলে আমাদের ওয়েবসাইট থেকে জব সলিউশন গাইড pdf এবং কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স pdf সংগ্রহ করে পড়তে পারেন। প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রস্তুতিতে  এ বইগুলোও অনেক উপকারী হবে।
তবে প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ গাইড pdf পাওয়া না গেলেও আমরা আপনাকে একটি বইয়ের ভান্ডারের সন্ধান দিচ্ছি যেখানে খুঁজে পাবেন অসংখ্য প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ বই। বইগুলো বাড়িতে বসেই সংগ্রহ করতে পারবেন রকমারি ওয়েবসাইটে অনলাইনে অর্ডার করে।





অনেকেই জেনুইন প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ গাইড pdf download, প্রফেসর'স প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ সহায়িকা pdf, প্রফেসর প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ গাইড এসব অনলাইনে খুঁজে বেড়ান। এসকল pdf বই আপাতত অনলাইনে পাওয়া সম্ভব নয় তবে রকমারি ডট কম থেকে প্রিন্ট কপি সংগ্রহ করতে পারবেন অনলাইনেই অর্ডার করে।
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ গাইড pdf download


 প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ বই 


যারা সিরিয়াসলি প্রাথমিক শিক্ষক হিসেবে ক্যারিয়ার গড়তে চান তারা নিশ্চয়ই প্রাথমিক নিয়োগ পরীক্ষা প্রস্তুতির জন্য বই সংগ্রহে কার্পণ্য করবেননা। যত বেশি বেশি ভালো মানের বই পড়বেন তত ভালোভাবে প্রস্তুতি গ্রহণ করতে পারবেন। পরিশেষে সকল প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রত্যাশীদের মঙ্গল কামনা করছি।